কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর - বদলি
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের শাখা ০৪ এর — বদলি হতে টাকা চাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের শাখা ০৪ এর — বদলি হতে টাকা চাই।
আমি দুবার আবেদন করি কিন্তু দুবারই নামঞ্জুর করে যে রের্কড ঠিক করতে হবে।পরে টাকা দিলে করে দেই।
There was a case against me, false dowry. Even the judge knows that. But because of the ruling govt. party, the bride's family members are getting prioritized, And the Judge without any reason, sent me to prison. To free me from prison, my family has to pay the judge and the Lawyer 125k taka cah. Judge took 1lac and the lawyer 25000.
ছোট ভাইয়ের জন্মনিবন্ধনের পিতার নাম সংশোধন করাতে চাইছিলাম।মুলত আমার সার্টিফিকেটের সাথে মিল রেখে করতে চাইছিলাম। তখন কর্মকর্তা বলে আপনার সার্টিফিকেট অনুযায়ী হবে না।পরিবর্তন করতে হলে আপনার পিতার এনআইডি লাগবে এবং সে অনুযায়ী হবে।পরে আমি যখন ব্যক্তি গতনভাবে তাকে কল দেই তখন সে বলে জন্মনিবন্ধনের দায়িত্বে থাকা লোককে কিছু দিলেই হবে।কত দিতে হবে জানতে চাইলে বলে কমপক্ষে ২ হাজার দিতে হবে।
গফরগাঁও সাব রেজিস্ট্রার অফিসে নিয়মিত ঘুষ লেনদেন হয়।
বাচ্চার প্রথম ৪৫ দিনের টিকাতে আমার কাছ থেকে ৩০০ টাকা নিয়েছে কিন্তু সরকার এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্য পরিশোষ করে। আমি না করাতে বলে টিকা কার্ড দিবে না এবং এর পরে কোন টিকাও এই জায়গা থেকে নেওয়াতে দিবে না, বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ এলাকায় ফ্যাক্টরি লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য ১৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। নতুবা লাইসেন্স নবায়ন আবেদন খারিজ করে দিবে।
চট্টগ্রাম কলেজে লাইব্রেরী কার্ড তুলতে গেলে, আমার থেকে ২০ টাকা নেয়া হয়। পরবর্তীতে জানতে পারি অন্যায়ভাবে আমার মত অনেকের থেকে এই টাকা নেওয়া হয়েছে। টাকার পরিমান কম ও ঘুষ না বলা গেলেও, এটি অন্যায়।
ট্যাক্স ফাইল অডিটে পড়েছিলো২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের দিকে, যথারীতি অডিট টিমের কাছে ৪ টা ইস্যূ ছিলো, সে অনুযায়ী সকল পেপার জমা দেয়া হয়। অফিস খরচ হিসেবে ইন্সপেক্টর ২০ হাজার টাকা দেয়া হয়। পরবর্তীতে তারা শুনানির জন্য চিঠি দেয়, কিন্তু ভূল ঠিকানায় যা ফলে আমি তিনটি শুনানির কোনটিতেই উপস্থিত হতে পারিনি। ফলে একতরফা রায় হয়। শুনানির তারিখ গুলো আমাকে ইন্সপেক্টরের জানানোর কথা ছিলো, উনাকে কল করা হলে জানান যে উনি অন্য সার্কেলে চলে গেছেন। গত তিন চার মাস আগে আমি আপিল করি, এখন ফাইল আগারগাঁও কর ভবনের রেঞ্জ ১, আপিল ১ আছে। সেখানে আমাকে উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ দেয় এবং আমি হাজির হই। কমিশনার স্যার সকল কিছু শুনেন এবং উনার সহকারী এর সাথে দেখা করতে বলেন। সহকারী বলে, ফাইলের পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ১৫০০০০+৩০০০০ টাকা দিতে
আমি তিন বার গিয়েছিলাম ফেনী পাসপোর্ট অফিসে। যাথাযথ কাগজপত্র থাকার পরও অতিরিক্ত নতুন ধরনের ডকুমেন্ট তাদের প্রয়োজন ছিল প্রতিবার আবেদনপত্র জমা দিতে গিয়ে। আমি লাইনে দাঁড়িয়ে জমা দিতে গিয়ে আগেই জানতে পারি আমার আবেদনটি বাতিল হতে পারে যদি না একটি অতিরিক্ত সীল আমার আবেদনপত্রে না থাকে। আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমার সমস্ত ডকুমেন্ট এবং তথ্য আছে যে আমি নিজই আবেদনটি জমা দিতে পারবো। কিন্তু তিন বার গিয়ে আমি জানতে পারলাম আমি ভুল ছিলাম। সবশেষ আমার বাড়ির দলিল নিয়ে গেলও আমি ব্যর্থ ছিলাম। আবশেষে পাসপোর্ট অফিসের পাশের দোকানে গিয়ে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিয়ে একটি সীল যুক্ত একই তথ্য দিয়ে আবেদনপত্র নেই এবং জমা দেই।
ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত রামচন্দ্রপূর মৌজাইয় একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করার পর ভূমি অফিসে দলিলের কপি, আগের মিউটেশন, খাজনা খারিজ সব নিয়ে গিয়ে আমি নিজের নামে মিউটেশন করতে যাই। ওখানে অবস্থিত কর্মচারী আমার কাছে ২৫০০০ টাকা দাবী করে। যদিও আমার জানামতে মিউটেশন খাজনা খারিজ সব মিলিয়ে ৫০০০ টাকার মত হবার কথা। ঝামেলা এড়ানোর জন্য পরিশোধ না করে উপায় ছিল না।
৬নং দৈহারী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আমার বাবা জমির ৩টি অনলাইন নামজারির জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি ১,১৭০ × ৩ = ৩,৫১০ টাকা হলেও সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসার আমাদের কাছ থেকে ১৭,০০০ টাকা গ্রহণ করেন। বিষয়টি জানতে ফোন করলে তিনি বলেন, “আপনার বাবাকে বলা হয়েছে।” পরবর্তীতে জানতে পারি, অতিরিক্ত টাকা না দিলে নামজারি কাজে বিভিন্ন সমস্যা ও হয়রানির আশঙ্কা রয়েছে। তাই বাবাকে হয়রানি বা কোনো সমস্যায় ফেলতে চাইনি বলে তখন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
সরকারি চাকুরীজীবীদের TA DA বিল ও শ্রান্তি বিনোদনের ভাতার কাজ করতে বলায় বেসিকের অর্ধেক টাকা দিতে হবে বলে দাবী করেন — প্রধান অফিস সহকারী। এছাড়া অন্যান্য ছোট খাট কাজ ও টাকা না দিলে করে না, ফেলে রাখে দীর্ঘদিন। সবাই এদের হাতে জিম্মি।
সময়টি ছিল ২০২৩ সাল বিদেশ গমনের জন্য আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার দরকার ছিল। আমার পাসপোর্ট ছিল এমআরপি। ফিংগার দিতে গিয়েই বলে এমআরপি পাসপোর্ট কাজ হচ্ছে না সার্ভার সমস্যা। আজকে এমআরপি পাসপোর্ট এর ফিঙ্গার হবে না। তারপর এক কর্মকর্তা আমাকে বলল পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে এটা করা যাবে। আমার এটা করার খুবই প্রয়োজন ছিল।আমি প্রবাসী অ্যাপ থেকে তিন শত টাকা দিয়ে আমি রেজিস্ট্রেশন করিয়েছি। তারপরেও আমাকে আবার রেজিস্ট্রেশন করতে হয়েছে ৩০০ টাকা দিয়ে। এখনো আমার বি এম ই টি তে দুইটি রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। এই হল আমাদের বাংলাদেশের অবস্থা এটাই আমাদের বাংলাদেশ।
পাসপোর্ট রিনিউ করতে দ্রুত জমা দেবার জন্য ৪০০০ টাকা ভেতরের পুলিশকে দিয়েছিলাম। পরে শালার পুলিশ টাকা নিয়েও আমাকে লাইনেই দাড় করিয়ে দিয়েছিল। আর লিয়াজু হয়েছিল সামনের কম্পিউটার দোকানের সাথে। এখানে টাকা নিয়ে ভেতরের পুলিশের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সে পুলিশ সুন্দরী মেয়েকে সাথে নিয়ে গেলো আর আমার মত আবালকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে বলল। পরে দোকানদার আমার কাছে ক্ষমা চাইলো কিন্ত অতিরিক্ত টাকা আর ফেরত দিল না। সব শালা হারামজাদা। কারন আওয়ামী লীগ, বি এন পি সব সরকারই হারামজাদা। আবার হারামজাদা জনগণ তাদের ছাড়া অন্যকে ভোটও দেয় না।
ঢাকার নন্দিপাড়া সরকারি অধিগ্রহণের জমির টাকা তোলার জন্য এই অফিসে দৌড়াদৌড়িতে প্রায় ১৫০০০০টাকা ঘুষ দেয়া লাগে। ৮ লাখের জন্য দের লাখ। তাও রোজার মাসে। মানুষ রুপের কুত্তাগুলা ডিরেক্ট % বা টাকা চাইত এক এক টেবিলে। এগুলারে দেখলে বোমি আসে।
দালাল ছাড়া কোন কাগজ পাতি ফাইল জমা নেয় না এক হিন্দু স্যারের সাথে অনেক তর্ক হয়েছে। বলে যে আপনার লোক থাকলে তাকে দিয়ে ফিঙ্গার করান আনসার বাহিনীরা ঘুষ খায়, এডিসি স্যার ফাইল আটকে রাখে যে টাকা দেয় তার টা করিয়ে দেয়, সারাদিন বসায় রেখে সারর্ভারের সমস্যার কথা বলে । নিজে নিজে আবেদন করলে সে কাজটা করে দেয় না। দালাল ধরতেই হবে। এমনকি একজন ব্যক্তির পাঁচ থেকে সাত দিন পর্যন্ত ঘুরতে হয় তারপরেও দালাল ধরতে হয়। এই সমস্যার জন্য পাবনা থেকে অনেক কয়টা অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে দেড় বছর আগে আনসারদেরকেও সরিয়ে দিয়েছে। তারপর থেকেও ভালো হয় নাই।
আমি ২০২৪ সালে একবার ওয়ারিশ / উত্তরাধিকার শনদের জন্যে apply করি। তখন ৮০০ টাকায় কাজ হলেও এখন আবার করতে গিয়ে দেখি ৩০০০ টাকা চায়। যদিও তাদের দেয়ালে থাকা তথ্য অনুযায়ী ৩০০ টাকা লিখা ছিল।
আমার নতুন কেনা হিরো এক্সট্রিম মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের জন্য চট্টগ্রাম বিআরটিএ মেট্রো- ২ (বড়পোল এলাকায় অবস্থিত) এ গেলে — নামের একজন অফিস সহকারী আমাকে বলেছে আপনি শোরুমের মাধ্যমে না করে সরাসরি কেন এলেন? শোরুমে ৪ হাজার টাকা বেশি নিলেও কাজটা সহজে হয়ে যেতো। আমি বললাম আমি নিজেই করতে পারি। তখন আমার ফাইলে এটা নেই ওটা নেই বলে আমাকে হয়রানি করে। এক পর্যায়ে ফাইল জমা নিয়ে বলে দুই হাজার টাকা চা পানির খরচ দিতে। আমি অস্বীকার করলে ফাইল দিতে অস্বীকৃতি জানায়, বলে এটা উপরে চলে গেছে। পরে অগত্যা ২০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে।
আমি জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করতে গেছিলাম কিন্তু আমার জন্ম নিবন্ধন না থাকায় সেখান থেকে ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন বানাতে এসে ২০০ টাকা ঘুস নেয় এবং অনেক হয়্রানি করে এরপর উপজেলা অফিসে জাতীয় অপরিচয় বানানোর সময় ৩০০ টাকা ঘুস নেয়