বাইক্নের কাগজ
ট্রাফিক পুলিশ আমার কাছ থেকে কাগজ ঠিক থাকার পরেও টাকা নেয়। যিনি নেন নাম —। শাহজালাল তদন্ত কেন্দের ইনচাজ। তার দায়িত্ত না হলেও তিনি ট্রাফিক এ কাজ করেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্রাফিক পুলিশ আমার কাছ থেকে কাগজ ঠিক থাকার পরেও টাকা নেয়। যিনি নেন নাম —। শাহজালাল তদন্ত কেন্দের ইনচাজ। তার দায়িত্ত না হলেও তিনি ট্রাফিক এ কাজ করেন।
আমার একটি মামলার কাগজ আদালতে পাঠানোর জন্য ২০২৩ সালে ফুলপুর থানার এস এই আমার কাছে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরবর্তীতে আমি তাকে ৫,০০০ টাকা দিলে সে মামলার কাগজ দেই।
টিকিট থাকার পরেও বলা হয় টিকিট নেই ডাবল অংকের টাকা দিলে তারপরে টিকিট দেয়
ফাইল ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছে ।
সহকারী প্রাইমারী শিক্ষক, লিখিত পরীক্ষা পাশ করার পর ভাইভার আগে চাওয়া হয়েছে। দেইনি।চাকরি ও হয় নি।
মশার লার্ভা নষ্ট করার জন্য যারা স্প্রে করতে আসে তাদের কি সিটি কর্পোরশন বেতন দেয়না? দিলে আবার বকশিশ কেনো নেয়? বকশিশ না দিলে ডেঙ্গু মশার লার্ভা নিয়ে রিপোর্ট করার হুমকি দেয়।
ভোটার তালিকাভুক্ত করার সময় মূলত একটা স্লিপ দেয় সেই স্লিকে আমি হারিয়ে ফেলি কিন্তু আমার কাছে বক্স আইডি এবং বাকি ডকুমেন্ট সবকিছু আছে তারপরও নাকি আমাকে ২৩০ টাকা দিতে হবে, নাহলে নাকি তারা আমাকে এটা দিবে না, আর এটা কি সরকারি অফিস না অন্য কিছু এটা আমার বুঝে আসেনা কারণ অফিসে বাকি কেউ নেই । বাইরে যিনি বসে থাকি ওনার কাছে তথ্য নিলাম যে উনারা নাকি কেউ আসেনি আজকে । পুরাই লউরা
আমার বন্ধুর বাইক সেনাবাহিনীর ,নতুন বাইক কেনা হয়েছে রেজিস্ট্রেশন ও করা হয়েছে কিন্তু রেজিস্ট্রেশন Smart কার্ড এখনো আসে নাই স্লিপ রয়েছে । বেরিবাঁধ মোড়ে ট্রাফিক বক্সের পাশে Ti স্যার আমাদের কাছে কাগজ দেখতে চান আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্যাক্স টোকেন এবং রেজিস্ট্রেশন স্লিপের ফোটোকপি দেখাই , কারন রেজিস্ট্রেশন স্লিপের অরজিনিয়াল ভিজে নষ্ট হতে পারে তাই মূল কপি বাসায় রাখা হয় । কিন্তু ট্যাক্স টোকেন এবং ড্রাইভিং ঠিকঠাক ছিল । তো উনি রেজিঃ এর ফটোকপি থাকার জন্য আমাদের গাড়ি ডাম্পিং করতে চান । ওনার কনষ্টেবল আমাদের সাইডে আসতে বলেন এবং ১০০০ টাকা চায়।আমাদের পরে আরেকটা বাইকের hard কপি ছিল না কিন্তু বিআরটিএ online Qr দেয়া ডকুমেন্ট ওনার মোবাইলে ছিল এর পরেও ওই গাড়ি ডাম্পিং এ দেয়া হয় ,অযথা হয়রানি করা হয়।
সার্টিফিকেটে নাম ভুল ঠিক করার জন্য তারা মিষ্টি খাওয়ার নামে টাকা দাবি করে। এছাড়া কোনো উপায় ছিলোনা
অফিস খরচের জন্য সরসরি চেয়েছে, তাহলেই লোন পাশ হবে।
প্রতি মাসে নির্ধারিত ভিআইএন এর অধিনে অনলাইনে ভ্যাট দেই। যা সফটওয়্যার কতৃক ক্যালকুলেশন হয় অটোমেটিক। তারপরও হয়রানি করে। মার্চ মাসে নির্বাচনের পর ভাবলাম সব স্বাভাবিক হবে তাই তখন অফিস খরচ (ঘুষ) দেই নাই। মার্চের শেষে ভ্যাটের ফাইল নিয়ে এসে ঘাটাঘাটি করে কিছু পায় নাই। তাও লেজার নিয়ে সিস্টেম করিয়ে ১১ লাখ টাকার মামলা বানাইছে। এরপর মামলা কোর্টে নে দেওয়ার বিনিময়ে ৩ লাখ টাকা নিছে এবং প্রতি মাসে অনলাইনে ভ্যাট যা-ই দেই তাদেরকে ৫০০০+১৫০০০+২০০০+৩০০০+৫০০০ মোট ৩০০০০ টাকা দিতে হয়। তাও টাকা স্যার/ম্যাডামেরা হাতে নেন না, খামে ভরে দিতে হয়। কোনোদিন খাম ছাড়া গেলে টিস্যু দিয়ে ধরে নেয়। এমন একটা ভাব যে ঘুষের টাকা তারা ধরেনা। এগুলো তাদের পেট ফেটে বের হবে এক দিন।
২০২৩-২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী —। ছাত্র দের কে সরকারি ভাবে ট্যাব বিতরন করেছিলো। আমি ধনুয়া আহমদিয়া দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল পরিক্ষা দিয়েছি। তখন আমিও একটা পেয়েছিলাম। কিন্তু পরিক্ষার আগে রেজিস্ট্রেশন কার্ড আর প্রবেশ পত্র আটকে দিয়ে ট্যাব নিয়ে নিয়েছে ঐ দাখিল মাদরাসার সুপার (—)। আমার কথা হলো সরকার ছাত্রদের কে দিয়েছে উপহার হিসেবে। কিন্তু তারা কেন নিয়ে নিজেরা ব্যবহার করবে । আমি কয়েকবার চেয়েছি। কিন্তু দেয় নি। এর বিনিময়ে ৫০০০ হাজার টাকাও চেয়েছিলো । ৫০০০ টাকা দিলে ট্যাব আমাকে দিবে কিন্তু আমি দেই নাই।
যখন আমি আমার ফ্যামিলি মেম্বার নিয়ে ইমার্জেন্সি সরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলাম তখন আমার রোগীকে মেডিকেল ডিপার্টমেন্টে নেওয়ার জন্য একটা মোভেবল বেড লাগত। তখন ওইখানকার যারা কর্মচারী ছিলেন তারা আমাদের পোষাকা দেখে এবং তারা মেডিকেল ডিপার্টমেন্টে পৌছে দেয় ।তারপর তারা ২০০ টাকা চার্জ করে। মাঝে মাঝে অনেক গরিবরা যদি আসে তাহলে তারা বেড দিতে চায় না কারণ তারা যদি পোশাক আশাক দেখে বুঝতে পারে এরা গরিব তখন তারা খারাপ দিতে চায় না কিন্তু কুমিল্লা সরকারি মেডিকেল কলেজে প্রায় ৮০ এর বেশি ব্যাট প্রবাসী বাঙালিরা ফ্রিতে দিয়েছিল!!
To verify my passport related documents police asked 500 taka and finally I had to pay 200 taka.
ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে গেলে অতিরিক্ত এই টাকা চাওয়া হয়
নয় হাজার টাকা চায়, সিটি কর্পোরেশন এর অফিস সহকারী, পরে আমি অফিসে গিয়ে লাইসেন্স সুপারভাইজারের মাধ্যমে করেছি তাকে ১৫০০ টাকা দেওয়া লাগছে
ঘটনাটি ২০১৮/১৯ সালের। আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স ভেরিফিকেশনের জন্য কাগজ জমা দিলে এস আই — আমাকে ফন করে ৫০০০ টাকা দাবী করে।
সার্টিফিকেট নাম সংশোধন এর জন্য জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে ২ বছর হতে চললো। কিন্তু এখোনো তা সমাধান করেনি মধ্যমিক স্কুলে পরিদর্শন করে যাওয়ার পরেও সব ঠিক থাকা সাপেক্ষেও আমার ফাইলটার সমাধান না হওয়ায় জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো শিক্ষা অফিস ৫০০০০/- টাকা দাবি করে। এক্ষত্রে করণীয় কি?
নবায়ন করার সময় ফি এর সাথে অতিরিক্ত ১০০০~১৫০০ টাকা খুঁজেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। না দিলে সেখানেই পরে থাকে ফাইল।
জমি নামজারি করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ ভূমিসেবা অফিসে যায়। অনলাইনে খতিয়ান ভুলের কারনে সংশোধনের জন্য ১২০০-১৫০০ টাকা ঘুষ চাই অতঃপর না দেওয়াই আমার কাজটি অসম্পূর্ণ হয়ে আছে