নাগরিক সনদ
আমি নাগরিক সনদ আনতে গিয়েছিলাম, যিনি নাগরিক সনদ লিখে দেন, তিনি ১০০ টাকা ঘুষ ছাড়া দেবেন না এবং সাত দিন ঘুরিয়েছেন, পরে ১০০ টাকা দেওয়ার পর আমি নাগরিক সনদ টি পাই, এটা ছিল গৌরনদী পৌরসভা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি নাগরিক সনদ আনতে গিয়েছিলাম, যিনি নাগরিক সনদ লিখে দেন, তিনি ১০০ টাকা ঘুষ ছাড়া দেবেন না এবং সাত দিন ঘুরিয়েছেন, পরে ১০০ টাকা দেওয়ার পর আমি নাগরিক সনদ টি পাই, এটা ছিল গৌরনদী পৌরসভা।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), জোন-৭-এর আওতাধীন রায়েরবাগ, কদমতলী এলাকায় আমার নির্মাণাধীন ভবনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। আশপাশের অনেক ভবনের বিরুদ্ধে একই ধরনের বিষয় থাকা সত্ত্বেও তাদের ভবনের কোনো অংশ ভাঙা হয়নি। কিন্তু আমার নির্মাণাধীন ভবনের মিটার খুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ভবন ভাঙার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি আমাকে ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়, যা আমি পরিশোধ করেছি। পরবর্তীতে মিটার পুনরায় সংযোগের জন্য আবেদন করলে রাজউক জোন-৭-এর সংশ্লিষ্ট অথরাইজড অফিসারের মাধ্যমে আমার কাছে আনুমানিক ৮ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে বলে আমি অভিযোগ করছি। আমার জানা মতে, যাদের মিটার খুলে নেওয়া হয়েছিল, তাদের অনেকেই টাকা দেওয়ার পর মিটার পুনরায় সংযোগ পেয়েছেন।কোন ধরনের বিল্ডিং না ভেঙে।
সময় পুর্তির কয়েক দিন আগে নিয়েছিলাম তাই দাবি করেছিলো
বকেয়া বেতন উত্তোলন করতে টাকা চাওয়া।
ফাইল হারানো গিয়েছে নতুন ফাইল করার জন্য ১০০০০ টাকা লাগবে । বিআরটি এ মিরপুর ২০৬ নম্বর রুমের — ফোন নাম্বার —
For posting, promotion, foreign training, income from all jail
ডিক্রিমূলে নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। তারা এক লক্ষ টাকা দাবি করছে। পরে ৭০০০০ টাকায় মিটমাট হয়। ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি, ৮ মাস হয়ে গেছে এখনো খতিয়ান পাইনি। আমাকে হয়রানি করতেছে।
ব্রিডার ধান বীজের জন্য দরখাস্তের জন্য
প্রতিটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অফিস যেকোনো সরকারি কাজের বিল প্রদানের সময় উক্ত বিলের ১২-১৫% ঘুষ হিসেবে আদায় করে অন্যথায় কোনো বিল উত্তোলন সম্ভব হয় না। এই টাকার ভাগ উক্ত অফিসের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার থেকে অ্যাকাউন্টস পর্যন্ত ভাগাভাগি হয়।
লাইসেন্স করতে গিয়ে টাকা দিতে হয়েছে
তেজগাঁও মডেল হাইস্কুলের 2018 সালের ম্যনেজিং কমিটির সদস্য —, আমাকে চাকরি ফেরত দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে 200000 টাকা ঘুষ নিয়েছে। অবশ্য আমাকে চাকুরি ফেরৎ দিয়েছিল। পরবর্তীতে আমার টাইমস্কেল অনুমোদনের জন্য আমার কাছ থেকে 100000 টাকা ঘুষ নিয়েছে এবং 40000 টাকা মূল্যের একটি কম্পিউটার ঘুষ নিয়েছে। আমি তা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। আমি তেজগাঁও মডেল হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক ছিলাম। পরবর্তীতে তাদের অত্যাচারে চাকরি ফেলে রেখে চলে আসতে বাধ্য হই।
আমার বোনের নার্সিং চাকরি হয় ২০২১ এ । পুলিশ ভেরিফিকেশন হয় ২০২৫ এ । পরে পুলিশ ভেরিকেশন এর জন্য ময়মনসিংহ জিরো পয়েন্টে ডিএসবি অফিসে যেতে বলে । তারপর ওখানে টাকা চাওয়া হয় পরিমাণ বলে নি । প্রথমে 500 দিতে চাইলাম । উনি বলে না না না । পরে 1000 দিলাম তাও অসন্তুষ্ট। বুঝলাম 2500 থেকে 5000 দিতে পারলে খুশি হতো।
গুনবতী বাজারে আমাদের একটি জায়গাতে বিল্ডিং আছে। কিন্তু যাদের থেকে আমরা জায়গা কিনেছিলাম তারা সঠিক ভাবে রেজিস্ট্রি দেয়নি। টা ঠিক করার জন্য আমরা দীর্ঘ দুই বছর ধরে চেষ্টায় আছি। কিন্ত ভূমি অফিসের কর্মচারীরা টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
জমির রেজিস্ট্রেশন কৃত নামজারি করার জন্য সরকারি ফি ১১০০ টাকা। তবে আমার কাছ থেকে ১৫০০০ হাজার টাকা আদায় করেছে।
আমার হাতে লেখা জন্ম নিবন্ধন ছিল ওটা আমি পাসপোর্ট বানানোর জন্য অনলাইন করার দরকার ছিল। আমার স্কুল সার্টিফিকেট দেখানোর পরও তারা সার্ভার ডাউন বলে তিন দিন আমাকে ফেরত পাঠিয়েছে তৃতীয় দিন ঘুষ দাবি করেছে
আমি আমার সকল তথ্য দিয়ে সরকারি ওয়েব সাইট থেকে সম্পুর্ন সরকারি ফি ৫৮০৬৳ পরিশোধ করে ফ্রম এবং পেমেন্ট রিসিট সাথে নিয়ে গেছি নিজের এবং বাবা মায়ের ভোটার আইডির ফোটো কপি এবং অরিজিনাল কপি সাথে নিয়ে গেছি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ সাথে নিয়ে গেছি পরে তারা সব কাগজ পর্যবেক্ষণ করে আমাকে বলে পেমেন্ট রিসিট সোনালী ব্যাংকের রিসিটের মত হতে হবে তাতে oid থাকবে তাদের আমি অনলাইন পেমেন্ট এর সূর্য পে এর রিসিট দেখায় তারপর বলে আজ আর আবেদন জমা হবেনা আগামীকাল আসুন এটা গত ২৫/৮/২৬ এর কথা এর পর দিন ঈদে মিলাদুন্নবী সরকারি ছুটি তাই পরের রবিবার আসতে বলে আমি বাইরে কম্পিউটার এর দোকানে আসতে দোকানদার আয়ামাকে ধরে বলে ভাই ৩০০০ টাকা দাও আজকেই ফিঙ্গার দিয়ে ছবি তুলে বাড়ি চলে যাও পরে বলে কয়ে ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর ওই দিনই ফিঙ্গার দিয়ে ছবি তুলে আ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩ সালে আমার চাচতো বোন ১৫০০০০০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি চাকরি নিয়েছে। শিক্ষা অধিদপ্তরের ভেতরের কোন কর্মচারীর সাথে এ লেনদেন হয়েছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে।সকল কাজ করে দেন গোসাইরহাট উপজেলা নাগেরপাড়া ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক (......নাম....)তার মাধ্যমে। তিনি মূল হোতা। এই নিয়োগে আমার ইউনিয়নে অর্থের বিনিময়ে আরো কয়েকজনের চাকরি হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫। আমার চাচাতো বোনের ছেলের ১৫০০০০০টাকার বিনিময়ে চাকরি হয় ।
দিনাজপুর জেলা সঞ্চয় অফিস/ব্যুরো- ঠিকানা: নিমতলা, খালপাড়া রোড, সদর, দিনাজপুরে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবি বয়স্ক ব্যক্তিরা যান তাদের ম্যাচিউরড সঞ্চয়পত্রের চেক উত্তোলনের জন্য। আমি আমার আম্মুর সঞ্চয়পত্রের টাকা উত্তোলন করতে গেলে সেখানকার কর্মাচারী যিনি সকল কাজ করেন; তিনি আমাকে দিনের পর দিন ঘোরান শুধুমাত্র 'সার্ভার ডাউন' বাহানা দিয়ে। পরবর্তিতে তার রুমের বাইরে ডেকে একহাজার টাকার অনৈতিক দাবী উপস্থাপন করেন৷ আমি কয়েকসপ্তাহ ঘুরতে ঘুরতে ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে যাওয়ায় এবং টাকার ইমার্জেন্সি থাকায় তার সাথে ঝামেলা না করে এক হাজার টাকা দিয়ে দেই। তারপর সে আর বিলম্ব করেনি। সে প্রায় সকল বয়স্ক পুরুষ-মহিলাদের সাথেই এই কাজ করে।
আমার পাসপোর্টের সাথে আইডি কার্ডের বাবার ও মায়ের নামে মোঃ ও মোছাঃ সমস্যা ছিল আমি অনলাইনে আবেদন করে সরকারি ফি বিকাশের মাধ্যমে জমা দিয়ে সকল ডকুমেন্টস আপলোড করি কিন্তু কোন কাজ হয় না ঐ দিকে আবার ই-পাসপোর্ট জমা দিতে হবে বাংলাদেশ দূতাবাসে অনেক দিন অপেক্ষা করার পরে আমার দেশে থাকা ভাইকে পাঠাই ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসে তারা প্রায় ৩৫ হাজার টাকার মত ঘুষ দাবি করে কিন্তু আমি দিতে অপারগতা জানাই পরে যখন দেখি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসে টাকা ছাড়া হচ্ছে না তখন আমার ভাইকে সিলেট জেলা নির্বাচন অফিসে পাঠাই তখন তারা ২০ হাজার টাকা দ্বাবী করে আমি নিজে কল করে আমার সমস্যার কথা বিস্তারিত বলি কিন্তু তারা টাকা ছাড়া কোন কাজ ই হবে না বলে সরাসরি বলে দেয় কি আর করার প্রয়োজনের জন্য টাকা দিতে বাধ্য হই
দালালের মাধ্যমে টাকা না দিয়ে পরীক্ষা দিতে গেলে নিশ্চিত ফেইল