জন্মনিবন্ধন
আমি আমার মেয়ের জন্মনিবন্ধন করাতে গিয়ে ৫০০ টাকস লাগে নাকি সব মিলে কিন্তু বল্লো আমাকে ২০০০ টাকা দিবেন আমি সব কিছুই করে দিবো..
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার মেয়ের জন্মনিবন্ধন করাতে গিয়ে ৫০০ টাকস লাগে নাকি সব মিলে কিন্তু বল্লো আমাকে ২০০০ টাকা দিবেন আমি সব কিছুই করে দিবো..
They demand 2000 Taka minimum for each new trade license & minimum 1000 Taka for renew. New people appointed under ruling party local leaders who are specially engaged with this. Have no changes in last 20 years!
নামজারির জন্য অফিসিয়াল ফি এগারোশত টাকা কিন্তু এরা সবার থেকে সর্বনিম্ন দশ হাজার টাকা নেয়।
জমি মিউট্রিশনের জন্য গিয়েছিলাম। সকলে মিলে মিষ্টি খাওয়ার জন্য ৩০০০ টাকা চেয়েছিল আমি দেয়নি। পরে আবেদন এসিল্যান্ড নতুন আবার আবেদন করুন, এই দায় দিয়ে আমার আবেদন খারিজ করে দেয়।
আমার আইডি কার্ড কোনো ভাবেই করে দিচ্ছিলো না পরে ৬ হাজার টাকার বদলে আইডি কার্ড হাতে পাই।
সাব রেজিস্ট্রার অফিসের আগে থেকে একজনের সাথে পরিচয় ছিল, আমার একটা জমির নকল তুলতে হবে তাকে ফোন করি, অফিসিয়াল এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা চেয়ে বসে তখন আমার নকলটা প্রয়োজন তাই বেশি টাকা দিয়ে জমির নকল বের করতে হইছে
লিগেল ভাবে করলে জামেলায় পড়বেন আর টাকা দিয়ে করলে আরামে হয়ে যাবে
ভাই খাজনা এভাবে আদায় করা যাবে এইজন্য এভাবে কিছু টাকা দিতে হবে বাড়তি বাড়তি
ময়মনসিংহ গফরগাঁও ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
আমার সব সঠিক। ফরমে পেশা Others দেয়া ছিল। বলল হবে না, পেরত দিয়ে দিয়েছে। পরের দিন এক দালাল এর মাধ্যমে একই ফরম কোন রকমের পরিবর্তন ছাড়াই জমা নিয়েছে এবং পাসপোর্ট হয়েছে।
পাসপোর্ট করতে বেশি টাকা দেয়া লাগছে , তা নাহলে পাসপোর্ট অনটাইমে জীবনেও দিবেনা অথবা যেকোনো ছোট প্রবলেম ধরে আপ্লিকেশন ফিরাই দিবে।
আমি আমার জমির নামজারি (মিউটেশন) করাতে গিয়েছিলাম, কিন্তু অতিরিক্ত ৮,০০০ টাকা না দেওয়ায় ব্যর্থ হয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত টাকাটা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করলাম।
পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশ ভেরফিকেশন করার জন্য টাকা দিবো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিলাম কিন্তু আমার একটা বন্ধুর শুনলাম পুলিশকে টাকা দেয়নি বলে তার পাসপোর্ট হয়নি।এ-র পরে ১হাজার টাকা রফা করি।ঘটনাটি ২০২৪ সালে শেষের দিকের।এখন কথা হলো ঘুষ না দিলে আজ হবে না আগামী কাল আসেন,আজ স্যার নেই, এর এই কাগজে সমস্যা ইত্যাদি এখন প্রশ্ন যে যারা চাকুরি করে আরও কর্মস্থল যদি হয়ে ঢাকা তাহলে ঘুষ না দিয়ে করনীয় কি?
আদালতের আদেশ থাকা সত্ত্বেও, নামজারি করতে চায় না
আমি ১৩ই জুলাই ২০২৫ এ বগুড়া সদর ভূমি অফিসে মিসকেসের জন্য আবেদন করেছি। অদ্যাবধি কোন ম্যাসেজ পাইনি। অফিসে গেলে বলে তদন্তে আছে। অথচ আমার গ্রামের একজন আমার অনেক পরে আবেদন করার পরও শুনানী হয়ে গেছে। কারণ সে খরচাপাতি দিয়েছে। আমার কাছে কেউ টাকা চায়নি তাই দেয়ার প্রশ্নই আসেনা।
গফরগাঁও রসুলপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
সরকারী চাকুরীর প্রয়োজনে হেলথ রিপোর্ট নেওয়ার জন্য সিভিল সার্জন অফিস থেকে সেবা নিতে গিয়ে রিপোর্ট স্বাক্ষর করতে গিয়ে ২০০টাকা ঘুষ দিতে হয়। প্রথমে ভাবলাম দিবো না। পরে সাথের আরেক কলিগ বললো না দিলে সমস্যা করবে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়।
অযথাই দেরি করছিল। অল্প সময়ের কাজ এর জন্য অনেক অপেক্ষা করতে হয়েছিল
আমি ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য যাই আমি তাকে বলি যে আমি অনলাইনে আবেদন করে এসেছি সে বলে এখন এখানে 100 টাকা দিতে হবে তারপর আমাকে একটা কাগজ ধরিয়ে দেয় দিলে আমি সে কাগজটি জমি দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ফ্রিতে ১৪০০ টাকা
আমার পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য যা যা ডকুমেন্টস দরকার সব নিয়ে জমা দেওয়ার পরেও একবার একটা নতুন নতুন ডকুমেন্টস আনতে বলে এভাবে ২/৩বার আনার পরে আমার কাছে আরেক টা ডকুমেন্টস আনতে বলে যা অনর্থক কিন্তু এভাবে কিছুদিন গুরার পর পাসপোর্ট অফিসের সামনের কম্পিউটার এর টাইপিং এর যে দোকান গুলো ছিলো তারা ও এই দূর্নিতীর সাথে জড়িত।এমন এক দোকানের সাহায্য নিয়ে ঘুস দেয়ার পর আমার আর কোন কাগজ লাগেনি,ডিরেক্ট পিঙ্গার, আই দিয়ে ই-পাসপোর্ট করি।