ডোপ টেস্ট
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে বি আর টি এ ডোপ টেস্ট সবচেয়ে কম। মাত্র ৯০০ টাকা।অথচ তাদের কাছে গেলে বলে অনলাইন হয়না।এখন করা যাবেনা।পরে আসেন। যদি আপনি দালাল ধরেন তাহলে এই কাজটি তারা এই হাসপাতাল থেকেই করে দিচ্ছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে বি আর টি এ ডোপ টেস্ট সবচেয়ে কম। মাত্র ৯০০ টাকা।অথচ তাদের কাছে গেলে বলে অনলাইন হয়না।এখন করা যাবেনা।পরে আসেন। যদি আপনি দালাল ধরেন তাহলে এই কাজটি তারা এই হাসপাতাল থেকেই করে দিচ্ছে।
আমার একটি ফোন হারিয়ে যাবার পর থানায় গিয়ে জিডি করার জন্য গিয়েছিলাম। থানার ভিতরে দেখে জিডি করার অপশন নেই। ওখান থেকে কর্তব্যরত পুলিশ আমাকে জানাই বাহিরে থেকে জিডি করে নিয়ে আসতে,, বাইরে কোথাও সিটি করতে গেলে তারা তে ৭০০ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করে থাকে
উনারা ৫ হাজার টাকা দাবি করে অথচ সরকারি ফিসমাত্র ১০০০ টাকা পরবর্তীতে আমি অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে কলকারখানা লাইসেন্সটি গ্রহণ করে করি।
e-Passport with 48 pages and 10 years validity Regular delivery: TK 5,750 সেখানে এমন সিন্ডিকেট করা যে, কেও চাইলে ও নিজে এপ্লিকেশন সাবমিট করতে পারবেন না। দালাল ছাড়া গেলে আবেদন জমা নেয়না। বাইরে এসে দালাল কে ৮৫০০ টাকা দিলে উনারা জাস্ট একটা মেসেজ করে দেয়...(আবেদনে হাজার ভুল থাকলে ও জমা নেয়)।
আমি সেনাবাহিনী থেকে অবসর আসার পরে আমাকে মোবাইলে কল করে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয় যে আপনার ডকুমেন্ট সমস্যা আছে যদি টাকা না দেন তাহলে আপনি অনেক টাকা কম পাবেন, আমি বলছিলাম আমি যে টাকা পাবো সে টাকা দিলেই হবে আমি অতিরিক্ত কোন টাকা চাই না আমাকে টাকা কম পাই তাতে সমস্যা নাই। আমি পরে পেনশনে টাকা পেয়েছি তবে আমি প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা কম পেয়েছিলাম আলহামদুলিল্লাহ তাতে আমার দুঃখ নাই কিন্তু আমি তোকে বলেছিলাম আমি যে টাকা পাবো সেই টাকা দিলেই হবে আলহামদুলিল্লাহ আমার টাকা থেকে যদি এক টাকা কর্তন করা হয় তাহলে কাল হাসরের মাঠে আমার টাকা দেওয়ার জন্য জন্য প্রস্তুত থাকেন
যায়গার মিউটেশন না দিয়ে মাসের পর মাস ঘুরায়, এবং যায়গা ভালো দামে বিক্রয় করার জন্য প্রলুব্ধ করে। বিক্রি করতে না চাইলে- গড় হাজির, মালিকানার প্রমান নাই ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে, শুনানির তারিখ নাদিয়েই (এস এম এস) ৭/৮ মাস পর মিউটেশন নামঞ্জুর করে দেয়।
serial newer jonno tk niyece noy serial dey na
৪ বছর আগে হয়েছিল। কোন ভাবেই পাসপোর্ট খুজে পায় নি। পরে টাকা দেবার পরে সাথে সাথেই খুজে পায়।
আমার মায়ের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য আবেদন করার পর বিভিন্ন আজু হাতে তা বাতিল করে দেয়া হয়। তারপর পৌরসভার এক স্টাফ কে বাধ্য হয়ে ধরি আমার কাছে ২০০০ টাকা দিয়ে চায় তারপর তাকে টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধক করে দেয়। আমার বাবার জন্ম নিবন্ধক ও মৃত্যুর সনদ করার জন্য ৭০০০ টাকা দিয়ে সেই একই পৌরসভার স্টাফ কে দিয়ে আমার কাজ করে নেয়।
আমাদের গ্রামের সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে ঔষধ নিতে গেলে ঔষধ প্রতি পরিমাণ বুঝে ৫, ১০, ১৫, ২০,৫০, ১০০ টাকা নেওয়া হয় এটি আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালিন শুরু করে এরকম অনিয়ম পতিনিয়ত চলছে। এর সাথে গ্রামের কিছু গণ্যমান্য লোক জড়িত আছে যারা ওষুধ নিতে টাকা লাগে না। এবং সভাপতি ডাক্তার সহ অনেকেই জড়িত আছে।
সেবা পেতে টাকা দিতে হবে, নইলে হয়রানির শেষ নাই
সোনাহার বাজার, এটা একটা ইউনিয়ন এর মুল বাজার, এখানে অনেক খাস জমি আছে । উল্লেখ্য এখানে বর্তমান পাকা রাস্তা হওয়ার পূর্বে অন্য একটা রাস্তা ছিলো । নতুন পাকা রাস্তা হওয়ার সময় যে ব্যাক্তিমালিকানা জমির উপর দিয়ে এই রাস্তা হয়েছে সে জমির মালিক/মালিকগনকে পূর্বের কাচা রাস্তাটা ছেড়ে দেয় ও সে প্রেক্ষিতে DCR প্রদান করা হয় হাট চান্দিনা হিসেবে । উল্লেখ্য গ্রামের সাধারণ মানুষ অনেকেই সেখানে দোকানঘর স্থাপন করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে । বর্তমানে স্থানীয় ভুমি অফিস এই যায়গাকে তোহা মার্কেট হিসেবে মিথ্যা উপস্থাপন করে সেখানে থাকা ব্যাবসায়িদের উপর এক কৃত্রিম চাপ সৃষ্টি করে বিভিন্ন ব্যবসায়ি থেকে বিভিন্ন পরিমান অর্থ নিয়েছেন যা হাট চান্দিনা হিসেবেই প্রমানিত । অথচ এর পরেও তাদের DCR প্রদান করা হচ্ছে না কোনো অজানা কারনে ।
এদের সার্কুলারে পুরাতন গিটার সংযোগ রয়েছে তাদের ভোটার আইডি কার্ড যথেষ্ট। এছাড়াও অনেক ধরনের কাগজ চাওয়া হয়। চাইলে এরা বাসার উপর যোগ করতে পারে। কতদিনের শেয়ার করবেন নিশ্চয়তা নেই। সংযোগের তার নিয়ে সমস্যা। কিচ্ছু জটিলতা রয়েছে। কিছু জটিলতা নিজেরা তৈরি করে রেখেছে অর্থ পাবার জন্য। মনে হয়েছে তো অর্থ বা ঘুষ ছাড়া মিটার পাওয়া সম্ভব নয়। অফিসে একটা চক্র রয়েছে, এরা অর্থ ছাড়া সাইন করে না। কারণ একজন অফিসে অস্থায়ী কর্মকর্তা দায়িত্ব দেয়ার পরও, অফিস থেকে আমাকে ফোন করা হয়েছিল। অত্যাবশ্যকিয় সেবা, তাই ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমার জমির পরিমাণ পরিমাণ ১৯৭ শতাংশ মোট কর ২৩০৮ ঢাকা আমার কাছে চেয়েছে ৬০০০ টাকা। একরকম বিপদে পড়েই দিতে হয়েছে তাদেরকে।।
Hoyrani theke muktir jonno chairmaner Kase gele ghush chay
দালালের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে বলা হলো ৭০০০ লাগবে, অফিসে টাকা জমা দেওয়ার সময় রশিদ কাটলে রশিদ দেওয়া হবে। বাস্তবে রশিদ দেওয়া হলো ২৭০০ ও ৩০০ টাকার। বলা হলো বাকি টাকার রশিদ কোথায়? ওটা আছে, পরে নিয়ে যাবেন। সেই থেকে দিচ্ছে ও নেওয়া হচ্ছে!!!
আমার জমির দলিল ঠিক থাকা সত্বেও একটু সমস্যার কারণে খারিজ নামঞ্জুর হচ্ছিলো। উক্ত ভূমি অফিসে কর্মস্থ ব্যাক্তির সাথে কথা বলে যা জানলাম তাতে উনি বলেছে কাজটা হয়ে যাবে কিন্তু টাকা লাগবে ৩০০০০ হাজার।আমও এর আগেও অনেকবার দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে ঘুরতেও আমার জমির খারিজটি করাতে পারিনও এতে যেমন অর্থ নষ্ট হয়েছে সেই সাথে সময় ও নষ্ট। তাই ইচ্ছা না থাকা সত্বেও আমি সেই ব্যাক্তিকে টাকা দিতে রাজি হই। কারণ আমি অসুস্থতাজনিত কারণে চলাচলে প্রায় অসমর্থ একজন ব্যাক্তি।কাজেই আর কোন কষ্ট করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না তাই বাধ্য হয়ে রাজি হই যেন আমাকে আর দৌড়াদৌড়ি না করতে হয়। ২০০০০ টাকা ৩ ধাপে দিই তাকে কিন্তু আমার কাজ আর হয়নি।এভাবেই হয়রানির শিকার হয়েছি।
Went to file namjari. Had to pay someone for them to just search for my file.
গাড়ি ফিটনেস করাতে গেলে এত নিয়ম আর বিশৃঙ্খল অবস্তা যে আপনাকে দালাল চক্র হাতে যেতে হবে আর এই দালাল রা গাড়ি প্রতি ৩০০০-৪০০০ টাকা চাজ করে। এটা brta মারপ্যাচের কারনে হয়ে থাকে। একটা ফালতু দূর্নীতি বাজ প্রতিষ্ঠান।