yearly audit
Aro — , ground floor. kono taka sara uni kono file saren na. tar dabi onek beshi. ekta file audit korte ei taka dabi koren . amarv kaz hold kore rekhesen. kindly commisioner sir er help dorkar.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৭২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Aro — , ground floor. kono taka sara uni kono file saren na. tar dabi onek beshi. ekta file audit korte ei taka dabi koren . amarv kaz hold kore rekhesen. kindly commisioner sir er help dorkar.
পাসপোর্ট করতে গেলে পাসপোর্ট অফিসার নানান ধরনের ভুল ধরা শুরু করে পরবর্তীতে পিওনকে ধরিয়ে দেয়। পিয়ন সমস্যার সমাধানের জন্য টাকা দাবি করে। বিষয়টি এখনো ওই অবস্থাতেই আছে।
গাড়ির কাগজ পত্র সব ঠিক ছিল। নরমাল ড্রাইভ করছিলাম, হঠাৎ সিগনাল দিয়ে গাড়ি থামায়, কাগজ চাইলে দেওয়ার পর, সেগুলো নিয়ে অন্য দিকে চলে যায়। তারপর আজাইরা প্রশ্ন, গাড়ি কত দিন ধরে চালন, আপানার নিজের কিনা, ব্লা ব্লা। তারপর চা খাওয়ার টাকা চায়। এভাবে আজাইরা প্রশ্ন করে, সময় নষ্ট করার অধিকার কে দিছে ওদের ?? শেষে আমি ১০০০ টাকা দেওয়ার পর কাগজ ফেরত পাই।
ওয়াশিং প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক অডিট, প্রাপ্যতা, জেনারেল বনৃড কার্যক্রম করতে হয়েছে, এ দুটো অফিসে কোন কার্যক্রম ঘুষ লেনদেন ছাড়া সম্ভব হয় না, সম্ভবত বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ঘুষ লেনদেন হয় এই দুটো অফিসে
আমি আইডি কার্ড করতে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানে শুধু উল্টাপাল্টা বাহানা দেয় আমার কাছে কাবিন নামা দাবি করে।সেটা দেওয়ার পর আবার বলে কাগজপত্র ঠিক নাই।সেটা ঠিক করে দেওয়ার পর আবার বলে জন্ম নিবন্ধন দেয় নাই।মুলত কথা হলো সে নানান বাহানা দেখায় ।পরে ৫০০৳ দেওয়ার পর সব ঠিক হয়ে যায়।
আমি কুষ্টিয়া সদর বারখাদা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নিজের জমির রেকর্ড ও খতিয়ান পরিবর্তন করার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানকার সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আমার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা দাবি করে আমি সেই টাকা দিতে না রাজি হলে সে আমাকে গালাগালি করে ও পরে আমার হাতে থাকা ফাইল জানলা দিয়ে পালিয়ে দেয় সে আমাকে সবার সামনে অনেক অপমান করে
রাস্তা সংক্রান্ত ১৪৭ ধারার বিধান মতে মিচ মামলা তদন্তের রিপোর্ট দিতে। আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্ত্বেও রিপোর্ট আমার পক্ষে দেওয়ার জন্য। আমার জানামতে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে রিপোর্ট আমার বিপক্ষে দিতে পারে।
মূলত, খাজনা খারিজে নাল (আবাসিক) আছে, কিন্তু কোম্পানি আইনের সরকারের নির্ধারিত হারে উৎসকর প্রদান করতে আগ্রহী হই, কিন্তুু সাব- রেজিস্ট্রার বলে এটা বানিজ্যিক হারে উৎসকর দিতে হবে না আমাকে ৫,০০,০০০/- টাকা দিলে করে দিবো।
আমি জমির খাজনা প্রদান এর জন্য অনলাইন এর আবেদন করেছি। কিন্তু অনলাইন এর খাজনা আপডেট করছে না। দেখাছে ১৯৭৩ সাল থেকে খাজনা বাকী আছে। প্রয়োজনে ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন। তাহলে অনলাইন সেবা কোথায় পাইলাম।এতে বুঝা যাচ্ছে আগে মত দূরনীতি আর হয়রানি।
আমি বিগত ১০ ধরে ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স টি নবায়ন করে আসছি প্রতিবছর প্রতি বছর লাইসেন্স ফি নবায়ন বাবদ আমাকে দিতে হতো মাত্র ৯০০ টাকা এবং কে ঘুষ দিতে হতো আরো ১৫০০ টাকা এবছর সরকার ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্সটি সম্পূর্ণ নতুনভাবে নথিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং একটি কিউআর কোড সম্বলিত প্রদান করবে এইজন্য কর্মকর্তা আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা বাবদ ১২০০০ টাকা দাবি করে যে সরকার এখন লাইসেন্স ফি এবং অন্যান্য খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে তাই এই অতিরিক্ত টাকাটি প্রদান না করলে এই লাইসেন্সটি আপনার করা আর হবে না তাই আমি অনেকটা বাধ্য হয়েই লাইসেন্সটি করি পরে মূলা মলি করে দাম কষাকষি করে 12000 টাকার বদলে 6500 টাকা দিয়ে সেটি দিয়াসি করতে যাহা এখনো পর্যন্ত আমি হাতে পাইনি।
আমার স্ত্রীর একটি নামজারি খতিয়ান ২০২২ সালে আবেদনের মাধ্যমে তৈরি করি। মূলত আমার স্ত্রীরা তিন বোন। তাদের বাবার কাছ থেকে তারা তিনটি ফ্ল্যাট পেয়েছে। ফ্ল্যাটটি ২০২২ সালে নামজারি করি। নামজারি খতিয়ান এর মন্তব্য কলামে শুধুমাত্র জমির কথা উল্লেখ ছিল ফ্ল্যাটের কথা উল্লেখ ছিল না। তখন সেটা খেয়াল করিনি। কিছুদিন আগে বিক্রি করার পরিকল্পনা নেই। ক্রেতা দলিল লেখানোর জন্য দলিল লেখকের কাছে গেলে দলিল লেখক এই ভুলটি শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে আমি রিভিউ এর জন্য আবেদন করি। তাদের সাথে যোগাযোগ না করার কারণে আবেদনটি তাদের ওখানে ২০ দিন পরে ছিল। পরে পাঁচ হাজার টাকা দিলে তারা সেটাকে অনুমোদন দেয়। কুমিল্লা সদর রাজবাড়ীতে অবস্থিত প্রেসিডেন্ট অফিসার একজন কম্পিউটার অপারেটর এই ঘোষটি গ্রহণ করেন।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের বিরুদ্ধে আমার অভিজ্ঞতা খুবই হতাশাজনক। প্রথমবার ভারত যাওয়ার সময় ৫০০ টাকা এবং ফেরার সময় পাসপোর্টে Entry/Exit সিল দেওয়ার জন্য ২০০ টাকা নেওয়া হয়। টাকা দিতে না চাইলে পাসপোর্ট জমা রেখে ৫–৬ ঘণ্টা হয়রানি করা হয়। সঙ্গে থাকা আমার বয়স্ক বাবাকেও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। দ্বিতীয়বার খুলনা-কলকাতা ট্রেনে যাওয়ার সময়ও অনেক যাত্রীর কাছ থেকে ১,০০০–২,০০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। আমি টাকা না দেওয়ায় আমার পাসপোর্টে সিল দিতে দেরি করা হয়। স্টেশন মাস্টার পর্যন্ত ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার কথা জানান। পরে সিল দিয়ে আমাকে যেতে দেওয়া হয়। শুধু বাংলাদেশি নয়, ভারতীয় যাত্রীদের কাছ থেকেও একইভাবে টাকা নেওয়া এবং হয়রানি করতে দেখেছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
ঢাকা দক্ষিন সিটি করপোরেশন নগর ভবন প্রকল্প ফাইল সাইন করা বাবফ ১.৬ কমিশন হিসাবে ৪,১৭,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করে।টাকা দেয়াতে দির্ঘ্য দিন আমার ফাইল আটকে রাখে জামাল সাহেব। গত ২৪/০৮/২৬ তারিকে টাকা পরিশোদ করি। নগর ভবন ঘুষ ছাড়া কোন ফাইল সাইন হয় না।।
শুক্রবার দোকান খুলতে হলে ওনাকে প্রত্যেক ইয়ারলি ১২০০০ টাকা করে দিতে হবে। টাকা দেইনাই বিদায় উনি আমাকে মামলা করে দিছে, যারা টাকা দিছে তাদেরকে কিছু বলে নাই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনেকবার অন্য সরকারি কলেজে বদলীর আবেদন করেছি ৷ ঘুষ না দেওয়ায় সে আবেদন কখনো আলোর মুখ দেখে নি ৷
একটি প্রেম ঘটিত বিস্য় নিয়ে এলাকার মেম্বার —, — ২ লাখ টাকা খাইছে পাশাপাশি বিএনপির —, —, —, — আরো ২ লাখ টাকা খাইছে
উপজেলার মধ্যে বদলির জন্য আবেদন গ্রহন করে,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী — আবেদনকারীদের নিকট ২৫০০০০ টাকা পৌরসভার মধ্যে বদলির জন্য দাবি করে। ডিপিও — এর মাধ্যমে বদলি করে দিবে।
ভোলা বিআরটিএর ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে তারা ১২০০০ টাকা দাবি করে অতঃপর আমার পক্ষে এত টাকা দিয়ে লাইসেন্স করা সম্ভব না তাই আমি লাইসেন্স করা থেকে বিরত থাকব
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আমার ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্সে ই-মেইল আইডির ১টি অক্ষর ভুল ছিল। সেইটা সংশোধনের জন্য আমি স্বশরীরে গেলে ওরা ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি প্রতিবাদ করি এবং ঘুষ না দিয়ে চলে আসি। ফলে সেই সংশোধনের কাজটা আজও হয় নাই। আমার এপ্লিকেশন সেইভাবেই ওদের দপ্তরে পড়ে আছে। এখন প্রশ্ন হতে পারে এই সংশোধনটা কেন এতো জরুরী। কারণ https://erevenue.dncc.gov.bd/ এই ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার পরে আপনার ট্রেড লাইসেন্স লিংক বা সংযুক্ত করা লাগে। আর সেই সংযুক্তির সময়ে সিসটেম একটা otp পাঠায় রেজিষ্ট্রার ই-মেইলে। যেহেতু আমার ই-মেইলটা ভুল এন্ট্রি করা হয়েছে, তাই OTP ভুল আইডিতে চলে যায়। ফলে আমি আর ট্রেড লাইসেন্সটি এড করতে পারি নাই।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নাকি টাকা ছাড়া হয়না। সেজন্য এক কর্মকর্তাকে দিয়েছিলাম ১২ হাজার টাকা। কিন্তু তিনি তারপরও ফেল করিয়ে আবার দাবী করে ১০ হাজার টাকা। তারপর থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই চলছি।