নারায়নগঞ্জ ডিসি অফিস
আমি নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক অফিসে, অফিস সহকারী হিসেবে রিটেন পরিক্ষা দেই এবং পরিক্ষায় উর্ত্তীণ হই। তখন আমার মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল। কিন্তূ ১৩,০০,০০০ টাকার বিনিময়ে অন্য কাউকে চাকরিটা দিয়ে দেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক অফিসে, অফিস সহকারী হিসেবে রিটেন পরিক্ষা দেই এবং পরিক্ষায় উর্ত্তীণ হই। তখন আমার মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল। কিন্তূ ১৩,০০,০০০ টাকার বিনিময়ে অন্য কাউকে চাকরিটা দিয়ে দেন।
পাসপোর্ট করতে এবং পুলিশ পরিদর্শক কতৃক তদন্তের সময় সে ও ঘুস চায়।
নামজারী করাতে গেলে ৫০০০ টাকা চায়, আমি দিতে বাধ্য কারে। ৩ মাস হয়ে গেছে তাও কাজটা কারে দেয় নাই। টাকা আগেই নিয়া নিছে।
বিদেশে চাকরির জন্য ম্যানপাওয়ার করতে গিয়েছিলাম। আইডি কার্ড না থাকায় ফিঙ্গার করতে পারি নাই। উনারা সরাসরি না বলে দিলো আইডি না থাকলে ম্যানপাওয়ার করা যায় না । ঠিক তখনই একজন তৃতীয় পক্ষের ব্যক্তির খোঁজ পাই। উনি ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দেন। অথচ সিস্টেম চেঞ্জ হলেও আমরা কিছুই জানি না ।
বিআরটিএ'র লাইসেন্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করার কথা বলে আমার কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা নিয়েছে।
আমি একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করছি সেখানে ১৫১৫ টাকা আর এটা থানায় যাওয়ার পরে সেখানে আরো একটি অফিসার আরো ১৪০০ টাকার মত দাবি করে না দিলে আমার কাজটি হবে না বিদায় আমি ওনাদেরকে টাকা দেই কাজটি হয় আর কি আর আমি যদি টাকা না দিতাম ওনারা বলছে যে আমার কোন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হবে না কিন্তু কোন মামলা টামলা কোন কিছু নাই তারপরও আমার কাছ থেকে ১৪০০ টাকা একটা নিছে সরকারি ফি বাতে উনারা চৌদ্দশ টাকা আমার এখান থেকে নিছে
আমি একজন দক্ষিন কোরিয়া প্রবাসী আমি নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ভূমি অফিসের অধীনস্থ একটি জায়গায় জমি ক্রয় করেছিলাম.জমির মূল্য ছিল 45 লক্ষ টাকা দলিল খরচ পরিশোধ করার পরেও অতিরিক্ত তিন লক্ষ টাকা আমার কাছে দাবি করে উপজেলা ভূমি অফিসের দলিল লেখক.আমি প্রথমে ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকার করেছিলাম কিন্তু আমি অনেকদিন চেষ্টা করেও দলিল করতে পারিনি কারণ ওদের ভূমি অফিসের ভিতরে এত বড় সিন্ডিকেট যেটাকা না দিয়ে দলিল করার সম্ভব না কারণ এই ঘুষের টাকা ওরা সবাই মিলে ভাগ ভাগ করে খায়.
After missing report I was waiting for 3 days. Then I paid 5000 for getting GPS location of my missing brother.
আমার বয়স ১৮ এর কম হওয়ায় বলেছে পাসপোর্ট করা যাবে না। পরবর্তীতে ১৫০০ টাকায় বিনিময়ে তারা কোন কাহিনী ছাড়াই করে দেয়।
ঢাকা পিজি হাসপাতালে আমার আঙ্কেলের জন্য আইসিইউ ব্যবস্থা করতে ৮০০০টাকা দিতে হইছিলো
টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে প্রতিটি নতুন ফাইল জমা দিতে ২০০০ টাকা করে দালালের মাধ্যমে ঘুষ দিতে হয়। তাহলে ফাইল জমা হয়।
আমার সমস্ত কিছু ঠিক থাকার পরেও আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়ে ছি আমার কাছ থেকে টাকা বেশি নিয়েছে এবং কি সবকিছু ঠিক থাকার পরেও আমাকে ভিতর থেকে ঘুরে দিয়েছে তারপর আমি দালাল ধরতে বাধ্য হয়েছে দালাল ফোন করার পর সবকিছু ঠিক করে দিয়েছে তারপর সবকিছু জমা নিয়েছে একসাথে
আমার বাবা আলেকজান্ডার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর এর একজন শিক্ষক ছিলেন। উনি চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এরপরে আজ অব্দি ওনার পেনশন, মৃত্যু কালিন টাকা, বকেয়া বেতন কোন কিছুরই কোন কুল কিনারা করতে পারিনি। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় ধাপে ধাপে অসংখ্য টাকা নিয়েছেন। সর্বশেষ কুমিল্লা অফিসে ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করেছি। টাকা দিচ্ছি কিন্তু তারপরেও আজকে এখন পর্যন্ত কোথায় গেলে এই বিষয়ে সমাধান পাব তারও কোন আগা মাথা পাচ্ছি না। খুবই অসহায় অবস্থায় আছি আমরা দুই ভাই। আমাদের মা বাবার মৃত্যুর আগে মারা গিয়েছেন।
পেনশনের টাকা তুলতে যেয়ে নমিনির সমস্যা দেখিয়ে পঁচিশ হাজার টাকা অতিরিক্ত চাওয়া হয়েছে এবং এটা পরিশোধ করার পর পাঁচ মিনিটের মধ্যে টাকা পরিশোধ করে
সিটি করপোরেশনের আওতায় জমি থাকার কারনে গ্যাস লাইন সংযোগের জ একটি এক রুমের টিনের ঘর বানিয়ে ছিলাম। সেটাকে সিটিকরপোরেশনের লোকরা একটা কাচা পাকা বাড়ি দেখায়। যা থেকে আমাদের কোন আয় হতো না। সেখান থেকে তারা ২৮০০০ টাকা আয় দেখায়। পরবর্তীতে জানতে চাওয়া হলে বলে এই নাম কাটতে হলে ২৫০০০ টাকা লাগবে। আর যদি এই নাম এখন চেঞ্জ না করেন তাহলে আগামী ২০ বছর এই টেক্স পাকা বাড়ি হিসেবে দিতে হবে। তখন বাধ্য হয়ে তাদের দিতে হয়েছে।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এর সংলগ্ন এবং অত্র প্রতিষ্ঠানে অডিটোরিয়ামে ভাড়া নেওয়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর কর্মকর্তা বেতন থেকে টাকা কেটে নিজের কাছে রেখে দেয় এবং পরে নিতে বলে, পরে চাইলে আর ফেরত দেয়নি । এমনকি পরবর্তীতে মিটিং এর ট্রেনিং এ অংশগ্রহনের সম্মানীর কয়েক হাজার প্রাপ্য সম্মানীর টাকা চাইলে উল্টা হুমকি স্বরূপ ১৫০,০০০/- দাবি করে ।
আমার বাবা মারা গেছেন ২০১৫ সালে। সে পর্যন্ত ভূমির কর দেয়া ছিলো, এরপর কর দেয়া হয়নি। এখন অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে জানতে পারি খতিয়ানের নামজারি করতে হবে আমরা যারা ওয়ারিশ আছি। অনলাইনে আবেদন করেছি, করার পরে বাউনিয়া ভূমি অফিস সংলগ্ন যেসব কম্পিউটার দোকান আছে সেখানেই মুলতঃ আবেদন করতে হয়, আর মেইন অফিসে গেলে কেউ কোন সদুত্তর দেয় না। তারা কম্পিউটার দোকান দেখিয়ে দেয়, যার কারণে ওদেরকে জিজ্ঞেস করি ওরা বলে এই কাজ আপনি এমনিতে করাতে পারবেন না, ঘুষ না দিলে কাজ ভুল করবে প্রতিবেদন ভুল করবে। এর জন্য ৫০০০০ টাকা দিতে হবে। আমি এখনো বুঝতে পারছি না কি করা উচিত। তারাও এইভাবেই কাজ করে।
একটি স্কুল থেকে অন্য স্কুলে নিয়োগ পেয়ে এমপিও ভুক্ত করার জন্য অনলাইনে কাগজপত্র জমা দেয়ার পর চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিস আটকে রেখেছিল।১০ হাজার টাকা দেয়ার পর ফাইল ঢাকা পাঠায়।
ঘুস চায় নামজারি করতে
আমি সহ পাঁচজন গিয়েছিলাম জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে। সকল কাগজপতি ঠিক থাকার পরেও বারবার ঘোরানোর কারণে বিরক্ত হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার পর। সময় শেষ হওয়ার পরেও পাঁচ মিনিটের ভিতরে কাজ শেষ করতে পারি। এমনিতেই পাসপোর্ট অফিসে চারটার পরে কাগজ জামা নেই না। কিন্তু টাকা দেওয়ার কারণে ছয় টার পরও কাজ করতে পেরেছিলাম। শুধু ঘুষ দেওয়ার কারণেই। আমার মত হাজারো মানুষ ভোগান্তির শিকার।