সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার উনি শুধু ব্যাকডেটে এসিআর দেবেন।
প্রাথমিক শিক্ষকদের ব্যাকডেটেড এসিআর নিতে চাইলে জনপ্রতি 500 টাকা করে এ টি ই ও কে দিতে হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রাথমিক শিক্ষকদের ব্যাকডেটেড এসিআর নিতে চাইলে জনপ্রতি 500 টাকা করে এ টি ই ও কে দিতে হবে।
আমার একটি জমির পুরনো দলিলের কপি বের করতে বলি প্রথম আমার সঙ্গে কথা বলতে চায়নি যখন বললাম আমি কিছু চা খাওয়ার টাকা দিচ্ছি আপনি বের করে দেন তখন সে বললো সাইডে দাড়ান আমি ডাকলে আসবেন...
5600 টাকা না দিলে তারা আমার নামজারি করবে না
ঠিকাদারের মাধ্যমে উত্তরায় ৬ তলা বাড়ির গ্যাস সংযোগ পেতে ২৫০০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করা হয়।
দীর্ঘদিন যাবত প্রায় ১ বছর আয়কর রিটার্ন এর ফাইলটি কিশোরগঞ্জ কর অঞ্চল থেকে সিলেট কর অঞ্চল এ আনার জন্য অনেক চেষ্টা করেও কোন লাভ হয়নি। আয়কর অফিস কিন্তু আবার কোন টাকা দাবি করে না। উনারা খুব ভাল মানুষ!!! পরে সিলেট আয়কর অফিস এ যোগাযোগ করে ২০০০ টাকা দেয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে কর অঞ্চল পরিবর্তন হয়ে গেছে। দারুন ব্যাপার না!!!
আমার জমি খারিজ করা প্রয়োজন তাই আমি একজন দলিল লেখক এর কাছে যায় আমার দাদার সম্পত্তি খারিজ করার জন্য তিনি বলেন আগে বন্টন নামা দলিল করতে হবে বোনটার নামা দলিল বাবদ খরচের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন ৪০ হাজার টাকা লাগবে. আমি এখন পর্যন্ত আমার জমিটির বন্টননামা দলিল করতে পারেনি খারিজও করতে পারেনি কিছুদিন পরে দেশের আমার এলাকায় বিডিএস জরিপ আসতেছে.
তারা সরকারি কর্মচারিদের বেতন, পে ফিক্সেশন করে। নতন চাকরি হলে পে ফিক্সাশন করতে,বদলী হলে এলপিসি নিতে গেলে তাদেরকে ১০০০,২০০০ টাকা সম্মানি দিতে হয়। এটা সবার ক্ষেত্রে।
ঘটনাটি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারী বা মার্চের দিকে। গেলাম পাসপোর্ট অফিসে বড় বড় ব্যানার পোস্টারে লিখা বিভিন্ন রকম পাসপোর্টের তৈরির সময়সীমা, মেয়াদ ও টাকার পরিমান। এসব দেখে ভালোই লাগলো কিন্তু মন খারাপ হলো যখন দ্বিতীয় তলায় একটা রুমে গেলাম, তার আচরণ খুবই ভালো কিন্তু টাকা লাগবে ৪ হাজারের জায়গায় ৮০০০ হাজার। শুধু নাম ঠিকানা পরিচয় আর ফিংগার প্রিন্ট আর ফটো দিয়ে আসলেই হবে। আমি রীতিমতো অবাক, গেলাম অফিস প্রধানের কাছে ওনি বলে এবিষয়ে তিনি কিছু জানেন না, তাড়াহুড়ো করে নামাজে চলে গেলেন। তারপর আবার আগের জায়গায় এসে দেখি এক ছাত্র লীগের নেতা বলতেছে আমি ছাএলীগ করি আমাকেও গত ১মাস ধরে দিচ্ছেন না, আমি আপনাকে দেখে নিবো। তখন ঐ কর্মকর্তা বলেন আমার ভাই সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তা কিছুই করতে পারবি না, আর আমার বাসা শেরপুর।
এসিল্যান্ড সাহেবের সহকারি — উনি ভুলভাল বুঝিয়ে শুধু কালকের পর করতেছেন টাকা খাওয়ার জন্য।
নামজারির করার জন্য নিয়েছে
As I am from a reputed public university and knew the OC of the thana the officer responsible for the verification backed off from taking the 500 tk.
২০১৯ সালে আমার একটি সরকারি চাকুরী হয়। নিয়ম ছিল পুলিশ ভেরিফিকেশনের পরেই চাকরিতে জয়েন করতে দেবে । সুতরাং সঙ্গত কারণেই আমার বাড়িতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে যায় দুইজন পুলিশ। তাদেরকে নাস্তা দেয়া হয়, তারপরে যাওয়ার সময় টাকা দাবি করলে প্রথমে ৩ হাজার টাকা দেওয়া হয় তাতে তারা খুশি হয় না, তারা আরও ২০০০ টাকা দাবি করে, ভয় দেখায় এই বলে যে পুরা 5000 টাকা না দিলে রিপোর্ট দিবে কিন্তু অনেক দেরি করে। ফলশ্রুতিতে পুরা পাঁচ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়।
ক্রয়কৃত জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়ে ১০২০০ হাজার টাকা বেশি দেয়া লেগেছে সরকারি ফি এর চেয়ে। মহরি বলে এটা নাকি অফিসার কে না দিলে রেজিষ্ট্রি করে না। পরিস্থিতির শিকার হয়ে টাকা বেশি দিতে বাধ্য হয়েছি। এবং শুধু আমি না সবাইকেই দিতে হচ্ছে যেকোনো সেবার জন্যই। আরও একটা আছে সেটা হচ্ছে দলিল এ টিপসই এর জন্য ২০০ টাকা দেয়া লাগে।
স্টুডেন্ট ভিসা জন্য ইন্ডিয়া যাওয়া কালে বেনাপোল বর্ডার ক্রস করার সময় বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশ আমার কাছে জিজ্ঞেস করে তুমি কি নতুন আমি উত্তর দেই হ্যাঁ তখন সে জানায় তুমি কি কিছু বুঝনা তারমানে সে ঘুষ দাবি জানায়, পরে সে জানায় আরেক পুলিশদের সাথে দেখা করে আসতে । তাই এর ভেতরে ১০০০ টাকা দিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেয় পাশে থাকা আরেক পুলিশ। পরে আমি প্রত্যাখ্যান করলে সে জানায় আমি না দিলে ঝামেলায় পড়ে যাব ।রাগে আমার মাথা ফেটে যাচ্ছিল ইচ্ছে করছিল জোরে চিৎকার করে সবাইকে বলি কিন্তু পরক্ষণে ভাবলাম আমার জীবনের নতুন একটি অধ্যায় ঝামেলা করাটা উচিত হবে না তাই বাধ্য হয়েই পাসপোর্ট এর ভেতরে ১০০০ টাকা দিয়ে ইমিগ্রেশন পার হলাম।
রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ - জোন ০১(উত্তরা) এর অফিসের আওতাধীন ১৫ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত দিয়াবাড়ী এলাকায় আমার ভবনের নির্মাণাধীন কাজ সরকারি নিয়ন মেনে সমাপ্ত করার শেষ পর্যায়ে এসে গতবছর ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ - রাজউক কতৃক মোবাইল কোর্ট এসে আমাদের ভবনের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেইন মিটার কেটে নিয়ে যায় এবং অপরাধ দেখায় রাজউকের নকশা দেখাতে না পারা কিন্তু আমরা তাৎক্ষনিক রাজউকের পাস করা নকশার কপি দেই এবং বলি যে নকশার মূলকপি অফিসে আছে, সেটা দেখাতে পারবো বা জমা দিতে পারবো কিন্তু তারপরেও নগদ ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে এবং আমরা তাৎক্ষনিক পরিশোধ করি, কিন্তু তারপরও রাজউকের অসাধু কর্মকর্তা জোন-১ এর ইন্সপেক্টর — ৫ লাখ টাকা গত মার্চ ২০২৬ এ নিয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত সমাধান করেনি।
আমি এবং আমার খালাতো ভাই নতুন পাসপোর্ট করার জন্য আবেদনপত্রের কপি নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আমাদের আবেদনে ভুল রয়েছে। আমি তখন বললাম, “ঠিক আছে, কোথায় ভুল হয়েছে সেটা উল্লেখ করে দিন।” কিন্তু ভুলটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করে আমাদের নিচের একটি দোকানে যেতে বলা হয়। সেখানে যাওয়ার পর দোকানের লোকজন জানায়, ২,০০০ টাকা দিলে তারা সমস্যাটি সমাধান করে দেবে। বিষয়টি আরও আশ্চর্যের ছিল, কারণ পাসপোর্ট অফিসের ওই কর্মকর্তাও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত আলোচনা করে ১,৫০০ টাকায় তারা রাজি হয়। এরপর আমরা আগের সেই একই ডকুমেন্টস নিয়ে আবার গেলে তারা আবেদনটি সম্পূর্ণ করে দেয়। অর্থাৎ, আগে যে ডকুমেন্টস ও আবেদনপত্রে ভুলের কথা বলা হয়েছিল, অতির
পাসর্পোট ভেরিফিকেশন এর সময় আমার এনআইডি কপির সাথে সরাসরি ৫০০ টাকা চাইলো বললো খরচ দিতে হয় এইটাই নাকি নিয়ম। আমার সৌদি আরবে ভিসা হওয়ার কিছু দিন আগে পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে গেলাম তখন ১৫০০ টাকা নিলো। বলে যে একটা লোক আপনার এই কাগজ টা নিয়ে জেলা শহরে আসবে যাবে গাড়ি ভারা আছে না তার নাস্তা পানি দরকার পরে না এই খরচ আবার অফিশিয়াল খরচ মনে করবেন না। এই হইল অবস্থা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দায়রা জজ আদালত ছয় (6) এর বিচারক আসামী পক্ষ থেকে প্রভাবিত হয় ২ লক্ষ টাকা প্রায় ঘুষ গ্রহণ করেন এবং চেক ডিজাইনার মামলা হতে অব্যহতি দেন কোন প্রকার সাক্ষী শুনানি ছাড়াই বাদীপক্ষের এতে বুঝা যায় যে কোর্টে পর্যন্ত আর্থিক লেনদেন হয়... এবং আপনারা দেখবেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাইরাল নিউজ জর্জ কোট হামলা এবং ভাঙচুর... মানুষ বা জনগণ আইনের প্রতি যখন শ্রদ্ধাশীল থাকে না তখন এ সকল প্রতিষ্ঠানে হামলা করে.
জনাব/জনাবা, আমি বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে আমি বিস্ফোরক পরিদপ্তরে একটি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে২০ (বিশ) লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তাদের দাবি অনুযায়ী ঘুষ প্রদান না করলে আমার লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে না বলে জানানো হয়। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের অনুরোধ করছি। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
আমার গাড়ির লাইসেন্স ড্রাইভিং লাইসেন্স কিছুই নেই তারা আমাকে ধরার পর হাজার টাকা চাচ্ছিল আমি তখন বলেছিলাম যে আপনারা মামলা দেন যত টাকা লাগবে আমি দিব তবে আপনাদের হাতে কোন টাকা দিব না। পরে তারা আমাকে তিন হাজার টাকার মামলা দেই আমি সেটা অনলাইনের মাধ্যমে পরিশোধ করি।