Applied for driving license
They have made a total ecosystem for taking ghush. There are package system stating From 12000tk. Which is asked by dalal and distributed ove the network.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
They have made a total ecosystem for taking ghush. There are package system stating From 12000tk. Which is asked by dalal and distributed ove the network.
কক্সবাজার থেকে ঢাকা, পযন্ত গাড়ি চলাচল করলে যে কেন পরিবহন কোম্পানি থেকে পুলিশ কে ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ দিয়ে অবৈধ গাড়ে বৈধ করে। বৈধ গাড়িতে করে দিতে হয়। প্রতিমাসে পুলিশ যোগাযোগ করে টাকা নে।
জমি রেজিস্ট্রার করার জন্য সারাদিন চলে গেলো। দিন শেষে তখন বাজে বিকেল ৩:০০/৪:০০ এর মতন। সাভার সাব রেজিস্ট্রার স্যার চলে যাবেন বলে তাড়াহুড়ো শুরু হলো। সাব রেজিস্ট্রার এর সামনে দাড়ানোর পর জানা গেলো যে ভুমি কর পরিশোধিত না। (যাক এইটা বেখেয়ালে হয়ে গিয়েছিলো হয়তো) তো যিনি মহরি ছিলেন তিনি সঙ্গে সঙ্গে সুযোগ বুঝে মাত্র ৫২ টাকা এর করের জন্য ৩০০০০৳ দাবি করে বসলো। সেই মুহরি বার বার বলতে লাগলো আগামীকাল পর্যন্ত গেলে পারবেন না। আর আমরাও অনেক দূর (মিরপুর) থেকে গিয়েছিলাম। তো তার ভাষ্যনুযায়ী কোন ভাবেই কাজ এগুনো যাচ্ছিলো না। পরে বাধ্য হয়ে তার সাথে বার্গেনিং করে ৩০ কে ২০ এ নামানো হলো এবং কোন এক দোকান থেকে একটা নাম্বারে ঐ ২০০০০৳ পাঠিয়ে দেয়া হলো। এই হলো জোর-যার মুল্লুক তার - এর ব্যবহার।
সেবাটি ছিল, জমির নামজারি। নামজারির জন্য আবেদনে জমির পরিমাণ ৯.২৫ শতাংশ। কিন্তু ওই দাগের যে পরিমাণ জমি আছে সকল জমির খাজনা দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু আমি বলি আমার এই পরিমাণ জমির খাজনা দিব। উনারা বলে হবে না। এ অবস্থায় ২৫ হাজার টাকা দাবি করে। এই টাকা তিনি ঘুষ হিসেবে চেয়েছে সরকারি কর হিসেবে নয়।
জমির নকল তুলতে খরচ হবে 16০০ টাকা পরে টাকা চায় ২২০০ টাকা ২০১৫ সালে নকল
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে পরীক্ষা নেন সাজেশন করেন কোন লোকই টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়ে না।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও ফাইল উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ঢাকাতে পাঠাতে হয়। এই উপজেলা থেকেই ফাইলটা ঢাকা পাঠাতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রত্যেক শিক্ষককে প্রায় 5000+ টাকা করে দিতে হয়েছে। শুধুমাত্র ফাইলটা উপজেলা থেকে ঢাকাতে সাবমিট করবে। এই টাকা তারা সরাসরি নেন না, প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে নিয়ে থাকেন। আমি নিজেই এটার ভুক্তভোগী। মনে করেছিলাম ঘুষ ছাড়া চাকরি করব, কিন্তু এখানে টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়েছে। শুধু এমপিও ফাইল নয়, আরো যত ফাইল আছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে টাকা দিতে হয়।
জমি নামজারি, অনেক দিন ঘুরায়ে করে দেননি
তিতাস গ্যাসের গুলশান অফিসে টাকা ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না। আমার গ্যাস সংযোগের মালিকানা পরিবর্তন করতে গিয়ে সেখানে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হতে উপমহাব্যবস্থাপক পর্যন্ত সবাইকে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে দশ হাজার টাকা ঘুস দিতে হয়েছে।
ডিলিং লাইসেন্স করার জন্য দাবি করেন।
ভূমি অফিস এ নামজারি করতে 15000 টাকা নিয়েছে না হলে অনোমোদন দেয় না তারা বলে তাদের নাকি উপরমহল পর্যন্ত দিতে হয়
পূর্বাচলে জমির নাম হস্তান্তরে রুপগঞ্জ ভূমি অফিসে ধাপে ধাপে ৫০ হাজার টাকার ও বেশি ঘুষ প্রদান।
টাকা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নেয়া হয়।
সেবা ছিল আমার বউ এর এবং আমার ছোট ভাই এর জন্য নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র জন্য নবায়ন করা । টাকা দিলে ওনারা কাজটি তারাতাড়ি করবে না হলে অনেক দেরি হবে। কিন্তু আমার দরকার ছিলো ইমার্জেন্সি ছোট ভাই এর পাসপোর্ট তৈরির জন্য ।
আমি একটা পুরাতন বাইক কিনি সেটার মালিকানা পরিবর্তনের জন্য চুয়াডাঙ্গা বি আর টি এ তে যায় সেখানে আমার কাছে সব কাগজপত্র ছিল বিক্রেতাও আমার সাথে ছিল তো বিক্রেতার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়া ছিল না, উনারা বললেন পুরাতন বিক্রেতার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে তারপর কাজ করা যাবে আমি বিক্রেতাকে সাথে নিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়ার জন্য গেলাম সেখানকার কর্মরত অফিসার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিবে না, সব কাগজপত্র সঠিক নেই উনি বললেন আমি সবকিছু থাকে ভালোভাবে যাচাই করতে বললাম সবকিছুতেই কর্মকর্তার স্বাক্ষর ছিল আমি বললাম সঠিক নেই তাহলে স্বাক্ষর করলেন কিভাবে? উনি উনি কোন কথাই শুনলেন না পরে উনি 500 টাকা নিয়ে ফিঙ্গার দেয়ার সুযোগ দিলেন। আমি তাকে ৫০০ টাকা দিয়েছি, তখন সব কাগজপত্র সঠিক হয়ে গিয়েছে আর কোন ভুল ছিল না সবকিছু পানির মতন পরিষ্কা
ঢাকা সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নরসিংদী সদর বাঘ হাটা মৌজা আমার জমি অধিগ্রহণ হয় ২০২১-২০২২ এ আজো আমি ক্ষতিপূরণ বিল পাইনি শুধু ঘুষর টাকা দিতে না পারায়। বিলের মোট ১৫% ঘুষ চায়
জাহাজে ভিসিট এ গিয়ে সব ঠিক থাকলেও টুকি টাকি এর জন্যই মামলা র ভয় দেখিয়ে ঘুষ চাইসে
রাজউক হতে প্ল্যান পাশ করানোর জন্য তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মোট ২ লক্ষ টাকা দেয়া হয়। আর বাড়ি নির্মাণে কিছু ডেভিয়েশন হওয়ায় ২.৫ লক্ষ টা দেয়া হয়। পূর্বাচলে প্লটের ফাইল প্রসেস করতে ১.৫ লক্ষ টাকা রাজউক অফিসে ঘুষ।
আমি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম, আমার ক্রয় কৃত জমি খারিজ করার জন্য, একটা দলিলের ফটোকপি দেখালাম এবং বললাম আমার কাছে একই দাগের আরও একটা দলিল আছে দুইটা দলিল আমি একসাথে খারিজ করব, অফিসের একজন কর্মকর্তা বলল হবে 12000 টাকা দিতে হবে কম হবে না, যখন আমি চলে আসব তখন আমার বলল ৫০০ টাকা কম দিয়েন, নিয়ে আসেন করে দিব নে, এই খারিজের সরকারি ফ্রি ২০+৫০+১১০০=১১৭০ টাকা। তারপর আমি তৃতীয় পক্ষের কাছে খারিজের জন্য দিলাম মূল্য একই ১২ হাজার টাকা
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য এক জনের হাতে টাকাটা দিতে হয়েছিল, সে ভয় পেয়েছিল আমি কি অন্য কোন রিপোর্টার বা Auditor কিনা। তারপর আড়ালে নিয়ে গিয়ে নিয়েছিল। এখানে উনার ভাগ কতটুকু বলা মুস্কিল।