কোনো কাজ করতে গেলেই
টাকা পয়সা ছাড়া কাজ করে নাা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা পয়সা ছাড়া কাজ করে নাা
আদালতে সাক্ষ্য প্রদানের পর যখন কাগজে স্বাক্ষর দিতে হয়, তখন টাকা না দিলে তারা স্বাক্ষর দিতে দেয় না।। বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।।
৬২ শতাংশ জমির জন্য আমাকে বলেছে 20,000.00tk খাজনা দিতে হবে। টাকা দেওয়ার পর তারা আমাকে ২৫০.০০ টাকার খাজনা পরিশোধের রিসিট ধরিয়ে দিয়েছে ।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে ১৮৫০ টাকা সরকারি ফি।আমাকে ৫০০০০ টাকা দিতে হয়।
আন অফিসিয়ালি এক লাখ টাকা রেট হয়ে গেছে এর কমে ছাড়া হয় না, টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়া হয়না বিভিন্ন প্রবলেম দেখানো হয় কাগজপত্রের মধ্যে
আমার কাছে নামজারীর জন্য ৫০০০০টাকা চে্যে ছিলো আমি দর কসা কসির পর ২৫০০০টাকায চুক্তি করি।
নামের বানানে একটি অক্ষর ভুল ছিলো সেটা সংশোধন করতে চাওয়াতে আমার পাসপোর্ট তৈরির আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। এবং পুনরায় আমি আমার ভুল বানান নিয়ে পাসপোর্ট করতে চাইলে তারা 15 হাজার টাকা দাবি করে শেষে 7 হাজারে রাজি হয়
আমার গাড়িটির কাগজ সাথে ছিল না, আমি একটু সময় চেয়েছি কাগজ আনার জন্য, কিন্তু তারা বলল আমাদের কাছে সময় নেই, আপনার গাড়ি জব্দ করা হবে। আমি বললাম আমার তো কাগজ আছে আমি বাসা থেকে লোক দিয়ে নিয়ে আসি, তারা বলল সময় নেই। আর আমাকে যেতেও দিবে না। তারপর টাকা পরিশোধ করলে, গাড়িটি ছেড়ে দেয়।
My elder brother went to Dhaka DC office to take a sign off in my land documents for power of attorney which I sent from Canada. Note that Canada Toronto Consulate attested the documents but DC office asked bribery after doing their part. As it was a time bound documents, we could not but pay off for that. Thanks for this initiative!
গাড়িতে কোন সমস্যা ছিলো না। কিন্তু তারপরও একটু রং উঠার কারণে 1500 টাকা ঘুষ চায় পুর্বাচল বিআরটিএর কর্মকর্তা। কোন উপায় না পেয়ে 1500 টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি
সিভিল সার্জন থেকে মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হলে ৬০০০ টাকা উৎকোচ দাবি করা হয় । পরিচিত কয়েকজন এভাবেই করিয়েছে। লিগাল ওয়েতে রিপোর্ট দিলেও হয়রানি ও কালক্ষেপণ এর স্বীকার হতে হয়। একজন কর্মচারী আছেন যার আচরণ খুবই বাজে। সে বাজে আচরনের মাধ্যমেই চেষ্টা করেন যেনো সেবা গ্রহীতা টাকাপয়সার মাধ্যমে সমাধান করেন।
আমার মোটরসাইকেলের সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল কিন্তু আমি যার কাছ থেকে কিনেছি তার সাথে ডিট করা আছে এবং নাম ট্রান্সফারের আবেদন করা আছে যে গাড়ির প্রকৃত মালিক সে ঢাকায় থাকায় নাম ট্রান্সফার কিছুদিন বিলম্ব হয় একদিন ট্রাফিক পুলিশ আমাকে ধরে সকল কিছু দেখে তারপরও মামলার ভয় দেখিয়ে এবং গাড়ি আটকের ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা দাবি করে না দিলে গাড়ি আটক করবে পরবর্তীতে তার কনস্টেবল দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেয়
ইস্টার্ন হাউজিং পল্লবিতে তিন দশক পর রাস্তা করা হয়েছে যা রাজউকের প্লানের থেকে অনেক নিচু। এর একমাত্র কারন এখানে বসবাসরত উচ্চ পদস্থ রাজনৈতিক নেতার বাসাটা নিচু । এ কারনে এখানের ৭০-৮০ ভাগ বাড়ির মালিককে রাস্তা হয়ে যাবার পর গ্যারেজ পুনরায় নির্মাণ করতে হয়েছে। এবং অনেকে অনেক চেষ্টার পরও রাস্তার লেভেলে আনতে পারেননি। শুধু এটাই নয় উনি ন্যাক্কারজনক ভাবে হাউজিংএর প্রতিটা কাজে হস্তক্ষেপ করেন, এমনকি মালিক সমিতি নির্বাচনও আটকে রেখেছেন এবং নিজ পছন্দের লোক দিয়ে একটি কমিটি করে রেখেছেন। উনার অনুগামিদের চাদাবাজিতে মিরপুর সাড়ে এগার থেকে হাউজিং এর সমস্ত রোড এবং ফুটপাথ পরিনত হয়েছে গ্যারেজ, ভাঙ্গারির দোকান , কাচাবাজারে। ৬ লেনের রাস্তা ২ লেনে পরিনত হওয়ায় সরবক্ষিক জ্যাম লেগে থাকে।
আমি সমস্ত কাগজপত্র সঠিক নিয়েছিলাম। কিন্তু অফিসার বলে এটা ভুল সেটা ভুল এভাবে বলে আমাকে কয়েকবার ফিরিয়ে দিয়েছে। আমি যখন প্রতিবাদ করলাম বললাম যে আমার সব কাগজপত্র তো ঠিক আছে তখন আমাকে ধমক দিয়ে বলল এই যে পুলিশ দেখেছেন আপনাকে এরেস্ট করাই দিব। তারপর আমি একজনের সাথে যোগাযোগ করলাম এবং সে বলল যে এখানে ঘুষ ছাড়া পাসপোর্ট করা সম্ভব না। আমার জরুরী প্রয়োজন ছিল বিধায় আমাকে ঘুষ দিতে হয়েছিল এবং আমাকে বাধ্য করা হয়েছিল। উত্তরা পাসপোর্ট অফিস।
আমার একটা জমি খাজনা খারিজ করানোর জন্য গিয়েছিলাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। মোট ৩ একর ৫২ শতক। জমির দলিল, ভায়া দলিল এবং প্রয়োজনীয় কাগজ সবই ছিলো। কিন্তু জমিটা যে খতিয়ান থেকে আমার বাবা কিনেছিলেন সেই দাগে মোট জমির পরিমান প্রায় ৪০ বিঘা।। সেখান থেকে আমার ৩ একর। উনারা বললেন সম্পূর্ণ জমির খাজনা যেহেতু বাকি তাই আমাকে পুরো ৪০ বিঘার খাজনা দিয়ে তারপর খারিজ করতে হবে। কিন্তু সেটা তো সম্ভব না। খাজনা আসে তখন প্রায় ৬ লাখ। আর আমার নিজের ৩ একরের খাজনা মাত্র ৪৯ হাজার।৷ তাই উনাদের সাথে চুক্তি করে অনেক প্যারা অনেক দৌড় ঝাপ করে প্রায় ৬ মাস পর খারিজ করাতে পারছি।।
এমপিওভুক্তকরণের জন্য দাবি ছিল। পরিশোধ করেছি। অনেকের কাছেই দাবি করেছিল। ফাইল আটকে রাখা হয়েছিল৷ পরিশোধের পর সমাধান হয়েছে।
আসামী পক্ষে আদালতে হাজিরা, দরখাস্ত ও বেলবন্ড জমা দিতে জি আর ও শাখার পুলিশ, পেশকার,পিওন,সেরেস্তাদারের টাকা দাবী করে।কাজের গুরুত্ব বুঝে টাকা চায়,শুরু হয় ১০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা বা অধিক পর্যন্ত। প্রতিদিন ৫০০০ মামলা থাকলে প্রত্যেক মামলা থেকে তারা ঘুষ খায়।ঘুষ না দিলে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত করে।
চর কুলাঘাট হাই স্কুলের শিক্ষক, কুলাঘাট,লালমনিরহাট নিয়গ,পদায়ন,বদলীর জন্য ঘুষ নেয়।প্রতারণা করে টাকা আত্মসাত করে।
আমার কাছে সরাসরি ঘুস দাবি না করে, নবায়ন খরচ হিসেবে নানান উৎস এর কথা বলে অগ্রিম পনেরো হাজার টাকা নিয়ে যায়। এবং দুইদিন পর ট্রেডলাইসেন্স দিয়ে যাবে বলে প্রতিশুতি দেয়। পরবর্তীতে আমার ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হলে দেখতে পাই সেখানে তারা ৬০০০ টাকার সরকারি খরচ প্রদান করেছে। আমি প্রতিবাদ করতে গেলে নানান ধরনের হুমকি দেয় এবং বি এন পির লোক দিয়ে ও আমার দোকান থেকে কিছু জিনিস লুট করে নিয়ে যায়। আবার হুমকি দিয়েছে দোকানে রাতে আগুন দিয়ে দিবে।
আমাদের জমির কাগজ নিয়ে একটু সম্যসা হয়েছিলো যে আমরা জমি খারিজ করার জন্য কম্পিউটারে দোকানে ৩ বার খারিজ ফরম পূরণ করি প্রতিবার বলে এটাতে সম্যসা ওটাতে সম্যসা মানে এই রকম বলতেই থাকে।😅 পরে বাহির হওয়ার সময় একজন agt(দা***) কাগজ নেয় এবং একটু দেখে বলে,,,,,,, 13-14হাজার টাকালাগবে কাজ হয়ে যাবে তা আমরা ওখান কার সরকারি কর্ম কতা এবং অন্য লোকদের দেখে তাদের কথা শুনে বুঝতে পারলাম বিষয় টা তারপরে একজন বন্ধুর সাথে দেখা সেও ওই কথাই বলে ১২হাজার। চিন্তা করলাম অপরিচিত কাউকে না দিয়ে একে দিয়েই করে নেই। সরকারি ফি 1070+70 আশেপাশে। এটাই বাসত্ব।