ব্যাংক একাউন্ট খোলা
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য পিয়ন ১০০ টাকা চেয়েছিল। সোনালি ব্যাংক, শম্ভুগঞ্জ শাখা, ময়মনসিংহ
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য পিয়ন ১০০ টাকা চেয়েছিল। সোনালি ব্যাংক, শম্ভুগঞ্জ শাখা, ময়মনসিংহ
আমার গাড়ির দশ বছর মেয়াদি রেজিষ্ট্রেশন করা ছিল সেটা শেষ হলে ব্যাঙ্কে টাকা জমা দিয়ে ট্যাক্স টোকেন সংগ্রহ করার জন্য বিআরটিএ চাপাই নবাব গঞ্জ যায় তারা গাড়ি পরিদর্শন করবে না অন্যদিন আসতে বলে তারপর ৩০০ টাকা সহ কাগজ জমা দিতে বলে।
ডামুড্যা শিক্ষা অফিসের কেরানি, বিলে অর্ধেক টাকা দাবি করে। বলে টাকা না দিলে বিল পাশ হবে না। বিল পাশ করাইতে চাইলে তার টাকা দিতে হবেই। শিক্ষা অফিসার নিরব ভূমিকায় ছিলো। আমার বিলের জন্য যেই পরিমাণ হয়রানি করা হয়েছে তা কল্পনা করা যায় না। এক বছর সময় লাগছে, বিল পাশ করাতে। তাও হইতো না, যদি না আমি জেলা শিক্ষা অফিসারের দ্বারস্থ না হইতাম। আমি জীবন টাকে তেজপাতায় পরিনত করেছিলো এক ঘুষখোর।
পুরাতন দলিল আর জমির পরিমাণ বেশি ছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। ওয়ারিশ মূলে নামজারি। এতেই চরম মূল্য বাকলিয়া সার্কেল ভুমি অফিস ও আগ্রাবাদ সার্কেল ভূমি অফিস, মহানগর, চট্টগ্রাম।
সন্তানের জন্ম নিবন্ধনে ইংরেজী নাম আছে বাংলানাম সংযুক্ত করতে গিয়ে ২০০০/- উপরি দিতে হয়েছে। অন্যথায় সন্তানের ভর্তী রেজিস্ট্রেশন করা যাচ্ছে না।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নিয়োগ প্রকৃয়া রর্তমানে চলমান, পদের নাম ডাটাএন্ট্রি অপারেটর, লিখিত পরিক্ষায় ডিভাইসের ব্যবহার, যারা কন্টাক্ট করেছে তাদের কাছে পাশ সাপ্লাই, করেছে একটি সিন্ডিকেট, যার অভিযোগ দেওয়ার পরও কোন পদক্ষেপ নেয়নি, অভিযোগগুলো যাচাই বাছাই ও করেনি
আমার ৬ চাকার একটি ট্রাক আছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কেনা। ঝিনাইদহ থেকে সিলেট যাবার পথে রানিং রাস্তায় হঠাৎ গাড়ির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। অনেক কষ্টে গাড়ি রাস্তার সাইডে পার্কিং করলেও ভিআইপি কোন একজন উক্ত রাস্তা দিয়ে আসার কথা বলে গোয়াইনঘাট থানার CSI — নামের একজন অফিসার ড্রাইভারকে অনেক বকাবকি করে এবং দ্রুত গাড়ি নিয়ে চলে যেতে বলে,ড্রাইভার তাকে কোনভাবেই বোঝাতে পারেনা,ইঞ্জিন বিকল হলে ধাক্কা দিয়ে লোড গাড়ি সড়ানো অসম্ভব। এরপর পুলিশ অফিসার কোনরুপ সাহায্য না করে থানা থেকে একটা গাড়ি নিয়ে এসে গাড়ির সাথে দড়ি বেধে থানার পাশে একটা স্থানে নিয়ে যান,এরপর ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। অনেক রিকোয়েস্ট করেছিলাম,১০০ টাকাও কম রাখেন নাই। রেকার বিল দেখিয়ে ১০ হাজার টাকায় নেন,কোন রশিদ দিতেও রাজি না হলে ৭হাজারের একটা কাগজ দেন
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য দুই নাম নাই নির্বাচন কমিশনের অপিস ইউনিয়ন পরিষদ অপিস।
হেবা দলিল, সরকারি চালান করার পরে আর কোনো টাকা লাগে না। দলিল লেখক বলল লাখপতি ৪০০ টাকা করে পরিশোধ করতে হবে। পরে আমি অফিসে কথা বললে বলে হ্যাঁ দিতে হবে। আমার দলিল মূল্য অনুসারে ৭০০০ টাকা আসলে পরো উনার সাথে তিন হাজার টাকায় রফাদফা করি।
চিরিরবন্দর থানার SB-এর — নামের একজন ব্যক্তির কাছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা প্রদান করেছি। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও তিনি এখন পর্যন্ত আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করেননি।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য যোগাযোগ করছিলাম, বলছে সরকারি ফি এর থেকে ৩৫০০ বেসি লাগবে
প্রথমদিন সব কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছিলাম যা যা BRTA থেকে চাওয়া হয়েছিলো এরপরেও উচ্চমান সহকারী — এটা ঠিক নেই ওটা ঠিক নেই বলে বার বার কাগজ জমা নিতে আপত্তী যানায় পরবর্তী দিন — নামের আরেক অফিস সহকারীর মাধ্যমে ২০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় ।
ট্রেড লাইসেন্স এর ঠিকানা নবায়ন করতে গেলে তারা আবেদন ও সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা দাবি করে।
উপজেলা কৃষি অফিসারগণ বিভিন্ন কৃষকদের নামে সাদা কাগজে কাঁচা ভাউচার দেখিয়ে কৃষকদের স্বাক্ষর নকল বা ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে ফেলে। বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা হতে এভাবে টাকা আত্মসাৎ করছে।
আমাকে বলল অফিসার যাদের থেকে সিগনেচার নিবো সবাইকে টাকা দিতে হয়, না দিলে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভেরিপাই করে আরো বেশি টাকা দাবী করবে।
নাম খারিজ। নাম খারিজ/রেকর্ড সংশোধন মামলায় রায় পাওয়ার পরও সব কাগজ ঠিক থাকলেও জমির পরিমাণ অনুযায়ী ঘুষ চাওয়া হয়। ঘুষ না দিলে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে নাম খারিজ বাতিল/দেরি করানো হয়। মাসের মাস ঘুরেও কাজ হয় না।
Firstly, officials send my file back, then a nearest computer shop keeper said he can manage it by 1500tk , after giving money to him, he called to one of the officials. Then it's all ok
পাসপোর্ট করার সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনে চা নাস্তা খাওয়া টাকা চেয়েছে ৫০০ টাকা দিলাম। এস আই রীতিমতো অফিস খুলে বসেছিলো ফোন করে অফিসে ডাকত প্রত্যেক এর কাছ থেকে ৫০০-১০০০-২০০০ যেভাবে যা পারত নিত
সিভিল সার্জন অফিসে মেয়ের শিক্ষা সনদপত্রের বয়স কারেকশনের জন্য বয়স সংক্রান্ত সাটিফিকেট নিতে গিয়ে ঐ অফিসের মাধ্যমে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে চুক্তি মোতাবেক ১০০০০/- দশ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।
লাইসেন্স পেতে হলে বিআরটিএ তে কমপক্ষে ১৪ হাজার টাকা দেওয়া লাগে। আমাদের সাথে যারা পরীক্ষা দিয়েছে সবাইকেই ১৫ হাজার বা তার অধিক টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। নয়ত ফেইল