ড্রাইভিং লাইসেন্স
আমাকে বলা হয়েছিলো *আপনি শুধু পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করবেন * বাকিটা আমরা দেখবো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাকে বলা হয়েছিলো *আপনি শুধু পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করবেন * বাকিটা আমরা দেখবো।
আমার বাচ্চার জন নিবন্ধন করার জন্য টাকা দিতে হয়েছে, সরকারি সঠিক নিয়ম এ নিবন্ধন করতে হলে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে, কারণ সরকারি অফিসাররা প্রতিটা সাক্ষর এর জন্য একটা নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়।তবে ঘুষ দিলে ২ দিনের ভেতর কাজ হয়ে যায়। প্রতিটা জন্ম নিবন্ধন এর জন্য আলাদা আলাদা পরিমাণের টাকা প্রয়োজন হয়। কর্মকর্তারা সরাসরি ঘুষ নেন না, তাদের পক্ষে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ঘুষ নেন। @
এটা আমদানি ডকুমেন্টস শুল্কায়নের সময় এআরও এবং আরও কে দেওয়া নূন্যতম পরিমান
নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নের, সামাজিক সুরক্ষা ক্ষাতে, প্রতিবন্ধী, বিধবা, বয়স্ক ভাতা সহ সমস্ত ভাতার অন্তর্ভুক্ত হতে হলে, প্রত্যেক ব্যক্তিকেই ৫০০০/৭০০০ টাকা করে দিতে হয়, এটা তাঁরা ভুক্তভোগীকে প্রচন্ড চাপ ও হুমকি ধমকির মাধ্যমে গোপন রাখতে বাধ্য করে থাকে। পাশাপাশি ইউনিয়নিয়নের প্রতিটি সরকারি সেবা ক্ষাতকেই দুর্নিতির চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে, যেমন ইউনিয়ন ভুমি অফিস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তথ্যকেন্দ্র, ঘুস, চাঁদাবাজি সহ নানা ধরনের অন্যায় অত্যাচারে সাধারণ মানুষ আজ অতিষ্ঠ। দেখার কেউ নেই।
একটা শিল্প প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ অধিদপ্তরের সনদের জন্য এসি ল্যান্ড এর মতামতের জন্য উপ পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর চিঠি দেন। প্রথমে চিঠি খুঁজে পাওয়া যায় নাই। পরবর্তীতে অনেক দৌড় ঝাঁপ করে চিঠি পাওয়া গেল। বাহাদুর এসি(মহিলা) র সাথে কথা বললাম।উনি সহকারীর কাছে চিঠি পাঠানোর জন্য বললেন। উনাকে একটা টেক্সট মেসেজ করে রাখতে বললেন। উনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মতামত চেয়ে চিঠি ফরোয়ার্ড করলেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস সার্ভে করে অনুকূলে প্রতিবেদন দিলো। এসি ল্যান্ড রাজস্ব অফিসে একবার এসি, একবার কানূনগুহ একবার সহকারীর কাছে ধর্না দেয়া শুরু হলো। একপর্যায়ে এসি কানুনগো কে আলোচনা করতে বললেন। আলোচনা আর শেষ হয় না, কানুনগো বললেন তিনি সরেজমিনে যাবেন। সিএনজি যোগে আসলেন, রাস্তা দিয়ে হাঁটলেন। এরপর বললেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের রিপো
Fire লাইসেন্স করার জন্য , দালালদের মাধ্যমে লিয়াজো করে এই লাইসেন্স লাইসেন্স নিতে হয়, বর্তমানে এই সার্ভিস আরও জটিল করা হয়েছে, যার জন্য দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয় এবং তাদের সাথে লেনদেন ছাড়া এটা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গিয়েছিলাম। পাসপোর্ট অফিস মনসুরাবাদ, চট্টগ্রাম এ। পিতার নাম লেখার নিয়ম NID অনুসারে। NID তে পিতার নাম এর আগে মৃত একটি শব্দ ছিলো, এটা ভুল বলে আবেদন নেই নি। বাইরে কিছু ফটোকপির দোকান আছে, সেখানে গেলাম একজন রেন্ডম মানুষের তথ্যে, গিয়ে সব বলতে ওরা ২০০০ টাকা চাই। ২০০০ টাকা দেয়ার পরে, NID এর ফটোকপিতে একটা সিল দিয়ে এটেস্টেড লিখে দেই। এরপর ওই কাগজ নিয়ে একই ব্যক্তির কাছে যাওয়ার পর সে সিল দেখে সরাসরি আম্মা বলে সম্বোধন করে এবং ছবি তোলার রুমে পাঠায়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আমানতগজ্জ ভূমি অফিস খাজনার বইতে নাম উঠানোর জন্য ১০০০ টাকা দাবি করে সেখানের অফিস সহায়ক মহিলা, সে ঐ অফিসের সকল অবৈধ কাজের সহায়ক, সে অফিসারদের হয়েই কাজ করে, সে ঐ অফিসে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে, যে কোন সেবা নিতে আসা লোকদের কে হয়রানি ছাড়া কাজ করে দেন না, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন,আমানতগজ্জ মৌজা, আমানতগজ্জ ভূমি অফিস
নামজারি করতে গেলে ৩০ হাজার টাকা আমাকে দিতে হবে অন্যথায় হবে না। কোন সহযোগিতা তারা করবে না টাকা ছাড়া
সেবা টি ছিল পেনশনের ফাইল আটকে থাকা। ফাইল ছাড়তে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করছে।
ফুফুর কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকার জায়গা ক্রয় করি। রেজিষ্টি করতে গেলে জানানো হয় আমার দাদার নামের বানান ভুল আছে। ফলে রেজিষ্টি হবে না। অফিসের বাইরে আসলে একজন দালাল এসে বলে ৫ লাখ দিলে রেজিষ্ট্রেসন হবে। দায়িত্বশীলদের সাথে কথা বলতে চাই। দালাল জানায় অফিসের কেউ এ বিষয়ে কথা বলবে না। এটা আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে। বানান সংশোধনের পর আবার গেলে, এবার আরেকটি বানান ভুলের কথা জানিয়ে আবারো রেজিষ্ট্রি প্রত্যাখ্যান করে। এভাবে প্রায় ৮/১০ বার নানা অজুহাতে রেজিষ্ট্রি করেনি। সরকারের কাছে সুপারিসের অনুরোধ: জমি রেজিষ্টির জন্য ভূমি অফিসে উঠার পরে যদি সাব রেজিষ্টার তা রেষ্টি না করেন, তবে কি কারণে তিনি রেষ্ট্রি করছেন না তার যেনো একটি লিখিত কারণ সংশ্লিষ্ঠ সেবা গ্রহীতাকে প্রদানের বাধ্যবাধকতা সরকার থেকে আরোপ করা হয়।
সরকার আইআরসি নবায়ন সরকারী ফি প্রদান সাপেক্ষে সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র অনলাইনে প্রদান করার পরও তারা সকলকে দিনাজপুর আমদানী-রপ্তানী অফিসে আসতে বলে এবং তাদের সরকারী ক্ষমতা বল দেখিয়ে কি কি করতে পারে তার ভয়ভীতি দিখেয়ে সার্টিফিকেট প্রদান করার জন্য অর্থ দাবি করে।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের চাকরীর প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কুমিল্লা জোনের কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ৫৪৮০০০ টাকা নেয়। পরে চাকরি ওহয় নাই টাকা ও ফেরত দেয় নাই।
চরফ্যাশন উপজেলার ভূমি অফিস এর সকল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেন হয়। টাকা ছাড়া ভূমি সংক্রান্ত কোনো সেবা পাওয়া যায় না। চর কলমি ইউনিয়ন, চরফ্যাশন, ভোলা, চর কলমি ভূমি অফিসে নামজারি আবাদেন এর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রতিবেদন প্রাপ্তি রিপোট এর জন্য আমাকে ১৫০০ টাকা দেওয়া লাগছে। টাকা দেওয়ার আগে পর্যন্ত অনেকদিন আমার হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সরজমিন প্রমাণ পাবেন।
নতুন পাসপোর্ট এর আবেদন জমা দিতে গেলে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে তারা। সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটার কম্পোজ এর দোকানে গেলে, তারা বলে কোনো সমস্যা নাই। টাকার জন্য জমা নিচ্ছে না। আমি বললাম টাকা তো চাইলো না। সে বললো আপনার কাছে টাকা চাইবে না আমাদের মাধ্যমে (কম্পিউটার কম্পোজ এর দোকানদার) দিতে হবে। সে বললো আমাকে ১৩০০ টাকা দিয়ে আপনি ২ তলায় একটা রুমে যাবেন, আমি তাকে ফোনে জানিয়ে দিবো। উনি স্বাক্ষর করে দিলে জমা নিবে।
প্রিলিমারী এবং অন্যান্য পরীক্ষা পাশ করিয়ে দিবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার ভূমি অফিসে একদিন আমরা নাম জারি করতে গিয়েছিলাম তারপর সেখানকার বড় অফিসার বলল আপনারা কাউকে টাকা দিয়েছেন আমরা বললাম না তারপরে তিনি সিকিউরিটি দিকে টাকা চাওয়ালেন এছাড়া বন্দর জরিপ করতে আসছে হরিপুর বঙ্গ শাসন এলাকায় মোটা অংকের টাকা দাবি করে এছাড়া জমির পরিমাণ কম লিখে নিয়েছি এবং ঠিক করার জন্য অনেক টাকা দাবি করছে আমাদের কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করেছে
এসএফসি আর্মি ঢাকা সেনানিবাস অফিসে অধিকাল বিল পাশনকরানো শতকরা হিসেবে ১০% টাকা এবং টিএডিএ বিল থেকে শতকরা ২৫% দাবি করে। কয়েকজনের অধিকাল বিল একসাথে যদি এক লক্ষ টাকা হয় তাহলে অডিটরকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে পাশ করে দেয়না এমনকি বাজে ব্যবহার করে। এমনকি মোট হিসেব করে ঘুষের টাকা থেকে দু চার শো টাকা কম দিলে তাদের নাকি লস হয়ে যায়..এ বাবে জিম্মি করে যখন টাকা আদায় করে তখন তাদের গালাগলি কিংবা মারতে ইচ্ছে করে কিন্তুু সরকারী বিধিমালা অনুযায়ী সরকারী কর্মচারির গায়ে হাত তোলা অপরাধ তাই কিছু করতে পারিনা। এই এসএফসি অফিসটায় ঘুষের রমরমা বিজনেস চলে ঠিকাদার থেকেও জিম্মি করে টাকা নেয়..একটা বিল ডেসপাচ করতে ২০০-৫০০ টাকা পযন্ত নেয়।বিল পাশ হলে চেক নিতেও এসএফসি আর্ম অফিসে যাহা সেনানিবাসের লগ এরিয়া অফিসের ভিতরে অবস্থিত
প্রথমে নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম । কিন্তু সবকিছু ঠিক থাকার পরও প্রথমবার ফেল করিয়ে দেয়। অন্যদিকে যারা দালাল ধরছিল তাদের মাঠে এক্সামও দেওয়া লাগে নাই শুধু নাম লিখে চলে আসছে, তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়ে গেছে । পরে বাধ্য হয়ে আমাকেও দালাল ধরে ড্রাইভিং লাইসেন্স করা লাগছে। BRTA তে সব বাইনচোদ একসাথে জড়িত।
একটি মোবাইল চুরির জিডি করেছিলাম অনলাইনে, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেটি প্রক্রিয়াধীন রেখে দেই এবং থানায় গিয়ে সেবা নিতে বলে মেসেজে। ২৫ আগষ্ট সকাল ১১ টাই থানায় গেলে জিডি কপি তদন্তাধীন করে দেই এরপর এটির জন্য ৫০০ টাকা দাবি করে চট্টগ্রাম বন্দর থানার তৃতীয় তলায় বসে থাকা একজন বয়স্ক বেতার অপারেটর।