খাজনা
টাকা কর্মচারীর কাছে হাতে দিতে বলেছেন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা কর্মচারীর কাছে হাতে দিতে বলেছেন
আমার জমানো জিপিএফ এর টাকা থেকে অগ্রীম উত্তোলন পাশ করতে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিল। পরে শেষপর্যন্ত ৪০০০ টাকা দিতে হয়েছে অফিসের বড় বাবুকে
নিজে থেকে অনলাইনে আবেদন করে সকল কাজ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করার পরে থানা থেকে আবেদন বাতিল করে দেয়। আবার তাদেরকে ১০০০ টাকা দিলে সব কিছু ঠিক হয়ে যায়।
ঠিকাদারি কাজের বিল উত্তোলনের সময় অফিস খরচ বাবদ ১.৫% এজি খরচ বাবদ ০.৫%। ইন্জিনিয়ারদের ১.৫/২% এসব খরচ না দিলে বিল আটকিয়ে দেয়া।সময় মতো বিলে সাক্ষর না করা।বিল ফাইল টেবিলে পড়ে থাকা সহ সব রকম হয়রানি করা হয়।
২০২৪ সালে আমি আমার বাবার কেনা ফ্লাটটি ওয়ারিশ দের নামে নামজারি করতে রাজউক হেড অফিস এ গেলে তারা ১লাখ টাকা দাবি করে। আমি কাজ না করিয়ে চলে আসি।
হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফেরত পাওয়ার জন্য থানায় জিডি করা হয়েছিলো। পুলিশ অনুসন্ধান করে ফোনের লোকেশন বের করে আমাকে ফোন দিয়েছিলো। থানার সামনে দেখা করতে বললো। তারপর দাবি করলো টাকা। ঘুস দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বললো, ওই এলাকায় আছে ফোন, যেয়ে নিয়ে আসেন।
মন্ত্রনালয় বরাবর সরকারি আবেদন ফি পরিশোধ করে আবেদন করার পর, সেটা জেলা পুলিশ সুপার অফিসে আসে সেখানে পুলিশ চায়ের দোকানে ডেকে নিয়ে অতিরিক্ত ১০০০০ টাকা দাবি করে। শেষে ১৫০০ টাকা দেয়ার পর রিপোর্ট মন্ত্রনালয়ে জমা দেয় ঐ পুলিশ কর্মকর্তা।
ইউনিয়ন পরিষদের কেউ নতুন জন্ম নিবন্ধন সনদ পেতে গেলে গড়ে ৫০০টাকা দিতে হয় বিশেষ করে নতুন জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গেলে
পাসপোর্ট করার জন্য সাধারণত চেয়ারম্যানের নাগরিকত্ব সনদ/প্রত্যয়নপত্র
স্থায়ী ঠিকানার পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এসবির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আমার কাছে ঘুষ দাবি করেছিলো সব কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও খরচ দিতে হবে তাকে।
গাড়ির সব ফাইল জমা দেওয়ার পর ঘুষ দিলে নাম্বার ৭ দিনে পাওয়া যায় আর ঘুষ না দিলে ২/৩ মাস সময় লাগে।
শোরুম যখন গাড়ির ডাটা করে তারপর সব ফাইল বিআরটিএ-তে জমা দিতে হয় তারপর নাম্বার জেনারেট হয়৷ এই নাস্বার জেনারেট টাকা দিলে ৭ দিনে না দিলে ২/৩ মাস লাগে। তখন ই ১৫০০ টাকা ঘুষ দিলে কাজ দ্রুত হয়।
প্রোভিশনাল সার্টিফিকেট এর অর্থ আগেই ফর্ম পূরণের সময় নেওয়া হয়। এখন সার্টিফিকেট নিতে গেলে ঢাকা কলেজ এর অফিসে কারো থেকে ২০০ টাকা আবার কারো থেকে ১০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।
বদলি হবার কারণে, বেতন বন্ধ ছিল, বেতন চালু করার জন্য এজি অফিসে, ৩০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমি টিএ ডিএ বিল অনলাইনে সাবমিট করেছি আমার অফিস থেকে হিসাবরক্ষন অফিসে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তারা হার্ড কপি লাগবে বলে। সরকারী আদেশে হার্ড/প্রিন্ট কপি এখন জমা দেওয়ার নির্দেশনা বাতিল করেছে। এরপর আমার ২০০০০ টাকার বিলে ১৫% হারে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে বিল EFT করতে হয়েছে।
সরকারি চাকরিতে সচিবালয়ে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা/প্রশাসনিক কর্মকর্তা নামে সিন্ডিকেট আছে,, এদের কাছে সরকারি সব অধিদপ্তরে যোগাযোগ আছে আছে।। যেকোনো সরকারি চাকরিতে ভাইবার জন্য এদের কাছে গেলে তদবিরের জন্য গেলে পদ অনুযায়ী টাকা নেয়, ১৬ গ্রেডের জবে আমি ১০ লাখ দিয়েছি, তদবির করেছে চাকরি হয়েছে।। আইন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা — এই সিন্ডিকেটের প্রধান।। এসব করে কোটি টাকার সম্পদ করেছে।।
নামজারির আবেদন, এর আগে ২ বার করেছিলাম। সর্বশেষ দাতার খতিয়ান ও েএনআইডিতে নামের বানান এর সামান্য যেমন — ও — এর জন্য নামঞ্জুর করা হয়েছে। কিন্তু এর জন্য ৫০০০ টাকা দিলে তা সম্পন্ন করা হতো।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গাজীপুর পাসপোর্ট অফিসে যাই। সব কাগজপত্র ঠিক করে, কিন্তু আমাকে বলা হয়েছে কাগজপত্র ভুল আছে। কিন্তু আমি অনলাইনে সব কাগজপত্র ঠিক করে নিয়ে যাই। আমাকে বারবার বলে ঠিক করে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তারপর আমি আবারো বারবার যাচাই করে নিয়ে যাই, কিন্তু বলে ভুল। তারপর আমাকে বলে পাসপোর্ট অফিসের সাথে ফটোকপির দোকান আছে ওই জায়গায় যাওয়ার জন্য, তারপর আমি বাধ্য হয়ে ওই জায়গায় যাই। ফটোকপির দোকানদার আমার কাছে 20 হাজার টাকা দাবি করে তারপর আমি পাসপোর্ট অফিসে জানাই, তারা বলে ১৭ হাজার টাকা দাও আমি করে দেব। পরে ওই দোকানদারকে ফোন করে বলে দেয় ১৭ হাজার টাকা নেয়ার জন্য। তারপর আমার কাছ থেকে দোকানদার ১৭ হাজার টাকা নেয়।আর আমাকে পাসপোর্ট করে দেয়।আমি নিরুপায় হয়ে ১৭ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর আওতায় "নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প" (IUGIP)- প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আগষ্ট, ২০২৫ থেকে দায়িত্ব পালন করছে । প্রতিটি বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে বিল এমাউন্টের ২% এবং প্রকল্প অনুমোদন, রিকাস্ট, ক্ষেত্রে ১-৫% টাকা নিয়মিত আদায় করে থাকেন । যার কারণে ঠিকাদার সাইটে অনিয়ম করার সার্টিফিকেট পায় । প্রকল্প পরিচালক নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার সহযোগী পজিশনে তার আত্মীয়স্বজন এবং পূর্ব পরিচিতদের নিয়ে প্রকল্প কার্যক্রম পরিচালনা করছেন । মাঠ পর্যায়ে ইঞ্জিনিয়ার, কম্পিউটার অপারেটর, কার্যসহকারীদের গালিগালাজ করেন, দুর্ব্যবহার করেন, এবং চাকরি খাওয়ার হুমকি দেন । ইতিমধ্যে তার সুবিধামতো লোক নিয়োগের জন্য অনেককে ছাটাই করেছে ও ৫-৭ লাখ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেয়।
১২ হাজার টাকা দাবি করেছিল আমি অনুরোধ করে ১ হাজার টাকা কম দিয়ে ছিলা। কারন আমি জেনেছিলাম ঘুষ নাদিলে পরিক্ষায় পাশ করার পরও লাইসেন্স আটকে থাকে।