খারিজ
আমার বাবা জমি খারিজ জন্য ১০০০০ টাকা ঘুস নিয়ে কাজ করে ভূমি অফিসের নায়েব। যে কোন কাজ জন্য কেউ গেলে সে ঘুস ছাড়া কোন কাজ করে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবা জমি খারিজ জন্য ১০০০০ টাকা ঘুস নিয়ে কাজ করে ভূমি অফিসের নায়েব। যে কোন কাজ জন্য কেউ গেলে সে ঘুস ছাড়া কোন কাজ করে না।
আমি একজন শিপিং সেক্টরের সাথে সম্পর্কিত বাংলাদেশী নাগরিক। আমি ঐখানকার কোন কর্মকর্তা নই, আমি একজন সেবা গ্রহীতা। এই সেক্টরে সেবা দানের উপর ভিত্তি করে ৫০ টাকা থেকে ৩/৪/৫ এমনকি ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুষের লেনদেন হয়, যা একটা ওপেন সিক্রেট। আমি হয়তো আনুমানিক এই পর্যন্ত ২ লাখের উপরে ঘুষ দিয়ে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে হয়েছে। নইলে হয়তো আমাকে একজন বেকার এবং অনাহারী হিসেবেই থাকতে হতো এই সোনার বাংলায়। সরকার গেল, জুলাই গেল, ইন্টেরিম গেল, নতুন সরকার এল কেউ কিছু করতে পারেনি। এখন ব্যাপারটা এমন হয়ে দাড়িয়েছে যে, লোকজন ইচ্ছে করেই ঘুষ দিচ্ছে যাতে কাজটা হয়ে যায়, কারণ ঘুষ না দিলে যে কাজ হবে না, এই ব্যাপারটা এই সেক্টর সফলভাবে মানুষের মগজে ঢুকিয়ে দিয়েছে।
While doing the BDS survey, they are taking different type of amounts from different beneficiaries according to the issue of the papers. 1 team received the money and departed a year ago. Now another team has come and is doing the same. This is mainly happening in Cox's Bazar Pourashava.
আমি একজন নামকরা সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্সধারী ঠিকাদার। ৪ অর্থ বাজেটে কাজ করছি। এ পর্যন্ত যত কাজ করেছি এতো দিনে আমরা আর্থিক ভাবে অনেক সচ্ছল থাকার কথা এবং ভালোই থাকার কথা কিন্তু না,তাদের ডিমান্ড,আর্গুমেন্ট পূরণ করেই কাজ গুলো শেষ করতে হয় এবং দিন শেষ ১০% জামানতটাই কাজের প্রফিট তাও এক বছর পরে তা নিতে গেলেও ফাইলের বিপরীতে তারা টাকা চায়. লক্ষ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করে শারীরিক পরিশ্রম করে দিন শেষ সব শূন্য। ঋণের বোঝা ভারী থেকে ভারী হচ্ছে। এতো বড়ো নাম করা অর্গানাইজেশন হাতে গোনা ২/৪ জন একেবারেই লেনদেন করেনাতারা বলে এটাই আমার কাজ,সরকার আমাকে বেতন দিচ্ছে এই কাজের জন্য। .আর সবাই,যারাই ফাইল ধরে তারাই টাকা চায়.১০০ জনের মধ্যে হয়তো ৪ জন ঘুষ ছাড়া আর বাকি ৯৬জনের কাছে আপনার হাত বাধা। জাস্ট মুক্তি চ
আমি অপেশাদার ড্রাইবিং লাইসেন্স করতে চাইছি। তারা আমার কাছে মোট ৯০০০ টাকা চাইছে এবং তাই দিতে হবে। আমি কাজ দিছি তবে পুরা টাকা এখনো দেয়া হয় নাই কিন্তু দিতে হবেই।
গত বছর নভেম্বর মাসের 25 তারিখ এর দিকে আমি আমার একটি ছোট্ট জমির(14 shotok) খারিজ করানোর জন্য কলম ভূমি অফিসের একজন কম্পিউটার অপারেটর এর সাথে কথা বলি সে আমার কাছে 5000 টাকা দাবি করে। আমি পরিশোধ করে আমার কাজটি করে নিছিলাম। উল্লেখ্য যে সরকারি ফী মাত্র 1100 টাকা।
সরকারী দপ্তরে যে কোন অর্থ বছর শেষ হলে পরবর্তী নীরিক্ষা বছরে উক্ত নীরিক্ষা সম্পাদিত হয়। এ ক্ষেত্রে উক্ত অডিট ডাইরেক্টরেট থেকে যেমন (সিভিল অডিট, স্বাস্থ্য অডিট, ফাপাড) ইত্যাদি নীরিক্ষার নামে মোটা অংকের অর্থ দাবি করে। যা বেআইনি উক্ত অর্থ পরিশোধ করা না হলে তা অনৈতিক কর্মকান্ড যেমন হুমকি/ধামকি এমনকি পেনশন আটকে দেবার মত হুমকি প্রদান করে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ডিডিও কর্তৃক বাধ্য হয়েই উক্ত ঘুষ প্রদান করে।
আমরা আমাদের পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য সিএম লাইসেন্স করতে চেয়েছিলাম। তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার কথা থাকলেও আমাদের এই সেবাগুলো বিলম্ব করা হতো এবং একেকজন একেকজনের নাম্বার দেন। পরবর্তীতে নাম্বার পাওয়া গেছে এমন একজনের সাথে যোগাযোগ করে দেখা গেলো। প্রতিটি প্রডাক্টের জন্য তার দাবী ৯০০০০ টাকা, আমাদের ১০টি প্রডাক্টের জন্য ৯ লাখ টাকা দিতে হবে। পরে আমরা আমাদের প্রডাক্ট লিস্ট থেকে ঐ আইটেমগুলো বাদ দিয়েছি। বাংলাদেশে ব্যবসা করা একটা অভিশাপের মতো, এখানে ব্যবসায়ীদের বলা হয় অনৈতিক কিন্তু পিছনে যতো টাকা ঘুষ দিতে হয়, এগুলো রিকভার করতে গেলে ব্যবসায়ী অসৎ হলে শুধু ব্যবসায়ীর দোষ। রাষ্ট্র এই ফকিরগুলো সরকারি চাকুরি কেন দিয়েছে এটাই আমার বোধগম্য হয়না, এরা ভিক্ষা করে খেতে পারতো আজীবন।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের বিভিন্ন শুল্কায়ন শাখার দায়িত্বে নিয়োজিত ডেপুটি কমিশনার — প্লান্টের পণ্য ছাড়ের বিষয়ে ৫০০০০০ লক্ষ টাকা চান। পরে একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার মাধ্যমে ৪০০০০০ লক্ষ টাকা নেন। প্রতিনিয়ত তিনি এমন দাবি করে অর্থ নিয়ে পণ্য ছাড়েন। অহেতুক হয়রানির শিকার হতে হয়।
উত্তরখান থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়। নারী শিশু নির্যাতনের জন্য। কিন্তু তারা ৫০০০০ টাকার বিনিময়ে মামদানিতে অস্বীকার জানায়। তাছাড়া আরও টাকা খায় যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছিল তার কাছ থেকে। কিন্তু আমাদের উল্টো হয়রানি করা হয় উদ্যোগ দেওয়ার কারণে। এটা ২০২২ সালের কথা। এখানে আরো একটি অপশন যুক্ত করা দরকার ট্রাফিক পুলিশের পরে পুলিশ স্টেশন
টাকা না দেয়ায় কাগজপত্র ভুল আছে মর্মে ঠিক করতে বলে বারবার।
ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা 1000 টাকা বিনিময়ে রিপোর্ট প্রদান করে।
Uttara BRTA Taka na Dile fitness e fail
অহেতুক হয়রানি, 70000 থেকে কমে 50000 টাকা , প্যাসিফিক সাগরে বিতরণ
লাইসেন্স রিনিউ করতে ১০০০ টাকা ঘুস দিয়া লাগছে
২০২৫ সালে আগস্ট মাসে প্রথম সপ্তাহে আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আবেদন করি। আবেদনের মূল ফি ৫৭৫০ সহ সর্বমোট ৭৩০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। যেহেতু আমার পাসপোর্ট জরুরি প্রয়োজন ছিল, তাই বাধ্য হয়ে ১৫৫০ টাকা বেশি পরিশোধ করে বানানো লেগেছে।
স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছিলাম। সাথে প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট জমা দিয়েছি। কোন কিছু ঘাটতি নাই। আয়কর অফিসে ওনারা বলেন যেহেতু আডিটে পরছে এটার সমাধান করতে হলে টাকা দিতে হবে।
শিক্ষক দের সবার এক মাসের বেতন দাবি করা হয়েছিলো
জমি রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে কান্দা শ্রেনীর জমি প্লটিং সিস্টেম দেখে মোট মূল্যের উপর ৬% ট্যাক্স দিতে হবে বলে জানায়। ৬% ট্যাক্স দিতে হলে ৩ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। পরবর্তীতে দর কষাকষির পর ৭৫০০০টাকা ঘুষ দিলে ৩ লক্ষ টাকা ট্যাক্স লাগবে না বলে জানায়।
রাত ১১টার দিকে রাস্তায় হাঁটার সময় হঠাৎ রেইড শুরু হয় এবং পুলিশ তাকে আটক করে। পুলিশ দাবি করে, তার কাছে নাকি মাদক পাওয়া গেছে। কিন্তু বাস্তবে তার কাছে কোনো মাদক ছিল না এবং এ ঘটনার কোনো প্রমাণ বা ভিডিওও ছিল না। এরপর পুলিশ জোর করে তার জবানবন্দি নেয়। তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে এক রাত আটকে রাখা হয়। পরিবারের সদস্যদেরও প্রায় ৪–৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়। রাত ২টা–৩টার দিকে থানার কাছাকাছি একটি টং দোকান থেকে প্রস্তাব আসে—৫০,০০০ টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। একজন সাধারণ মানুষের জন্য এটি ছিল অনেক বড় অঙ্কের টাকা। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন এবং টাকা নিয়ে দর-কষাকষি শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ৩০,০০০ টাকায় বিষয়টি মীমাংসা হয়। একজন ইনফর্মার টাকা গ্রহণ করার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।