পাসপোর্ট করতে
আমার নাগরিকত্ব তে চেয়ারম্যানের সাইন ডেট তিন মাস পার হয়েছিল । আমার ওয়াইফের আইডি কার্ডের নাম আর কাবিন নামায় নাম আলাদা ছিল । কাবিনে খাতুন আর ভোটার আইডি কার্ডে — এর জন্য ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার নাগরিকত্ব তে চেয়ারম্যানের সাইন ডেট তিন মাস পার হয়েছিল । আমার ওয়াইফের আইডি কার্ডের নাম আর কাবিন নামায় নাম আলাদা ছিল । কাবিনে খাতুন আর ভোটার আইডি কার্ডে — এর জন্য ।
Seba ti cilo amr puppu amr abbur jaga jayelayti koyra sob dolil koyra nese gi etar Jonno amra somadan caccilm kintu Tara guss dabi kore tayle tik kore debe bole janay
paid for LPC in every transfer
সেবা টির নাম ,জমি নামজারি করা। ২২ শতাংশ জমি নাম জারি করতে আমার কাছে খরচ চাইছে বিশ হাজার টাকা। অথচ সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা আমি সেটা প্রত্যাখান করে চলে আসছি। আমি কোন ঘুষ দিয়ে জমি নামজারি করাবো না আমি চাচ্ছি সরকার নির্ধারিত ১১৭০ টাকা দিয়ে নামজারি করতে।
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় ভোটার লিস্টে নাম তোলার জন্য আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে টাকা দাবি করে। যেহেতু আঞ্চলিক অফিসে যাওয়া কাষ্টসাধ্য কাজ এজন্য দাবীকৃত অর্থ পরিশোধ করে ভোটার লিস্টে নাম দেখানো হয়েছে।
গার্মেন্ট ফেক্টরির ফায়ার লাইসেন্স করতে হবে। না করলে ব্যবসা করতে দিবে না । লাইসেন্স করতে গেলে বার হাজার ২৫০ টাকার জায়গায় ত্রিশ হাজার টাকা দিতে হবে।
আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ দাবি করা হয় এবং আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করি
নাগরিক সার্টিফিকেট আনাত গেলে আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। কিন্তু আমি তা না দিয়ে তর্কাতর্কি করে চলে আসি।
ফায়ার লাইসেন্স অনলাইনে আবেদন করার পর যখন পরিদর্শন এর সময় হয়েছে তখন তাকে প্রদান করতে বাধ্য হয়েছি
আমার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে এবং আমাকে ৫ মাস ঘুরায়৷
আমি প্রথমে পাসপোর্ট করতে ফাইল রেডি করে অফিসে যাই । প্রথমে তারা আমার ফাইল দেখে বিভিন্ন অজুহাতে আবেদনে ভুল আছে, কাগজ সব নেই এইরকম অনেকগুলো অজুহাতে আমার ফাইল রিজেক্ট করে দেয় । আমি তাদেরকে কি কি সমস্যা আছে সেগুলো লিখে দিতে বললে তারা আমার সাথে ধমক দিয়ে বের করে দেন। পরে অফিসের বাইরে একজন আমাকে পার্শ্ববর্তী কম্পিউটার দোকান থেকে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে আবার আবেদন করতে বললে আমি আবার আবেদন করে নিয়ে গেলেই তারা পাসপোর্ট করার সুযোগ করে দেন। আগের আবেদন আর নতুন আবেদনের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে তাদের বানানো একটি ইমেইল আইডি বসাতে হয় যা দ্বারা অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সন্ধ্যার পর টাকা পেয়ে থাকেন।
ওখানে ঘুস ছাড়া পাসপোর্ট করা যায় না খালি ঘুরাবে .
আবেদন করেছি ১ বছর আগে। এখনো সংযোগ দেয়নি। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে হয়রানি করতেছে।
যে কোন কাজের জন্য ১০০০০০ টাকা জন্য তাদের কে ২০০০০টাকা ঘুস দিতে হয়। এবং টাকা পেমেন্ট না করলে চেক দেওয়া হয় না।
ssc exam er practical exam e number na dewar voi dekhie othoba nasta khawar nam kore student der kach theke tk chawa hoi. abong tk er poriman kom howar karone beshirbhag student dieo dei jeta khubi lojjajonok. bisoy ta khotie dekha houk.
জমির সাবেক দাগ নম্বর সংশোধনের জন্য।
দুইটা মিটিশন এর জন্য ১৬হাজার চুক্তি , ১টা হওয়ার পর , বলে তোমার কাগজে সমস্যা আছে বাড়তি টাকা লাগবে, পরে টাকা দিলে ঠিক হয়
একটি এগ্রো ফার্মের জন্য ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে এটি দাবি করা হয়। দুইদিন ঘোরাঘুরি করে অবশেষে পরিশোধ করলে আবেদন নেয়া হয়।
After giving all document,they harasse me nearly one month.after that with no improvement,i paid the bribe.
Madhupur Shahid Smrity Higher,The principal taken extra amount from us for doing the transfer my doughter.