ড্রাইভিং লাইসেন্স
দালাল চাড়া এখানে কোনো কাজ হয় না। দালাল চাড়া ড্রাইভিং ১০০তে১০০ ও শিখে যাই তাহলেও ফেল দালালকে যখন টাকাটা দিলাম তখন বললো শুধু খাতাটায় নাম রোল লিখে জমা দিয়ে চলে যান ২দিন পরে অনলাইনে আপডেট পাবেন ঠিক তাই হলো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দালাল চাড়া এখানে কোনো কাজ হয় না। দালাল চাড়া ড্রাইভিং ১০০তে১০০ ও শিখে যাই তাহলেও ফেল দালালকে যখন টাকাটা দিলাম তখন বললো শুধু খাতাটায় নাম রোল লিখে জমা দিয়ে চলে যান ২দিন পরে অনলাইনে আপডেট পাবেন ঠিক তাই হলো
একটি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত এবং মৃত প্রিন্সিপাল এর বিরুদ্ধে অন্যায্য একটি অডিট আপত্তির যৌক্তিক জবাব দেখে, শীর্ষ অফিসার বললেন, অভিযোগ গুরুতর। ফাইল আটকে রাখা হলো।ডেস্ক অফিসার তার রুমে নিয়ে বললেন, আর কিছু ডকুমেন্ট দিতে পারলে, আমি ফাইল নিষ্পত্তি করাতে পারবো। অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এর পেনশন না হওয়ায় তার রিলেটিভগণ ঐ কলেজের একজন স্টাফকে মোট দুই লক্ষ টাকা সহ পাঠিয়ে ফাইল ছাড়িয়ে নিয়ে আসলেন।
ঢাকা ওয়াসা থেকে আবাসিক পানির সংযোগ নেওয়ার জন্য রাস্তা কাটার অনুমতি পেতে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ সরকারি ফিসহ প্রায় ২,০০,০০০ টাকা দাবি করে। অনুমতি পাওয়ার জন্য আমাকে উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছে; অন্যথায় রাস্তা কাটার অনুমতি প্রদান করা হতো না।
Sob documents thik chilo,fitness thik chilo,,but car er fitness certificate neyar jonno document submit korar somoy 500 tk na dile sign korbe na..
নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গেলে আপনাকে ফাইল জমা বাবদ অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিতে হবে এটা সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে জমা নেয় না। পাসপোর্ট অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা বিভিন্ন চ্যানেল খুলেছে তার আন্ডারে কয়েকজন থাকে যারা পাশের কম্পিউটার এর দোকানের দালালদের সেই চ্যানেলে সংযুক্ত করে। কেউ এসব দোকানে পাসপোর্টের আবেদন করতে আসলে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিতে হয়, যার ১২০০ টাকা প্রতি ফর্ম বাবদ প্রতি সপ্তাহে একবার পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের দিতে হয় ১২০০ টাকার বাহিরে যা থাকে তা দোকানদার এর লাভ। মানে সিংহভাগ টাকাই পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা খায় কিন্তু নাম হয় দালালদের। এছাড়া কারও আগে পাসপোর্ট থাকলে এবং বর্তমান এন আই ডি এর সাথে নাম বা বয়স সংক্রান্ত গড়মিল থাকলে বিশাল ঘুষ এর টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হয়।
টাকা না দেয়ার কারনে রমজানের বন্ধে আমাদের প্রাপ্য টাকা আটকে দেন বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত টিইও —। পরবর্তীতে আমরা ৭৮ জন শিক্ষক ২০০ করে টাকা দিয়ে তার কাছ থেকে এই শ্রান্তি ভাতা ছাড় করিয়ে আনিতে হয়েছিল। এই কাজে দালালি করেছে —,যে একজন সহকারী শিক্ষক। আর এর সাথে জড়িত আছে শিক্ষা অফিস এ মাস্টার রোলে চাকরি করা —।
টাকা না দিলে এমপিও আবেদন ফরওয়ার্ড করবে না, এমন পরিস্থিতিতে টাকাটা দিতে হয়েছিল উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে।
উর্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশনা ছিল স্কুল ভিত্তিক প্রশ্ন পত্র তৈরির কিন্তু সেই নির্দেশনা না মেনে দূর্ণীতির উদ্দেশ্যে পুরো উপজেলার ২২৩টি স্কুলের প্রশ্নপত্র উপজেলা শিক্ষা অফিস তথা টিইও একাই প্রশ্নপত্র ছাপানোর কাজ করে। প্রতিসেট প্রশ্ন তৈরিতে যেখানে নুন্যতম খরচ ৩ থেকে সাড়ে ৩ টাকা সেখানে প্রতিসেট প্রশ্নে আদায় করা হয়েছে ১০ টাকা। উপজেলায় শিক্ষার্থী সংখা ত্রিশ হাজার প্রায়। সে হিসেবে প্রশ্নসেটও ত্রিশ হাজার। অর্থ্যাৎ ত্রিশ হাজার গুণন সাড়ে ৬ টাকা = প্রায় ২ লক্ষ টাকার দুর্ণীতি। ১ম এবং ২য় দুই প্রান্তিক পরিক্ষা মিলে ৪ লক্ষ টাকার দূর্ণীতি।
জেটি কাস্টমস চট্টগ্রাম এর সহকারী কমিশনার — পণ্য পরীক্ষণ করতে বিভিন্ন পেপারে বিভিন্ন পরিমাণ ঘুষ দাবি করেন। নইলে পেপার আটকে রাখেন। নানাভাবে হয়রানি করেন। পরিত্রাণ ও সুষ্ঠু তদন্ত চাই।
পাসপোর্ট ফরম ভেরিফিকেশনের সময় এসবি পুলিশ কল করে আমাকে কাগজপত্র এবং টাকা চেয়েছিল টাকা ছাড়া ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করেনি
সার্ভার নাকি খুব slow। টাকা দিলে ব্যবস্থা হইয়া যাবে। সার্ভার দৌড়াইতেও পারে।
সার্ভার hang হইয়া আছে। টাকা হইলে সার্ভার চালু হবে মনে হয়।
1st Adhoc Industrial IRC প্রাপ্তির জন্য CCIE (Office of the Chief Controller of Imports and Exports) এ ২০২৩ সালের জুন মাসে ৬০০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়।
আমার মা, বাবার জন্মনিবিন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদন এপ্রুভাল দেয়ার জন্য এই টাকা ডিসি অফিসের ১৪১ নং রুমের কর্মকর্তা এই টাকা দাবি করে।
আমার বাবা হজের জন্য পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় কাগজের আওতায় ইউনিয়ন পরিষদ নাগরিক সনদের জন্য গেলে সচিব বলে ৫০০ টাকা দিতে হবে।হজের নিবন্ধনের তারিখ ঘনিয়ে আসছে দেখে অত্যন্ত জরুরি ছিল। তাই বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে সনদ নিয়ে পরের দিন আজকে বাবা নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে রওয়ানা দেন।
আমার একটি জায়গার খাজনা দিতে গেলে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। অথচ খাজনার পরিমান হল ১৮০০ বা ১৯০০ টাকা হিবে। পরে আমি তহসিলদার এর সাথে রাগ করে চলে আসছি। এখানে একটা ঝাড়ুদার আছে। সে টাকা ছাড়া চলে না। সে সবচেয়ে বড় দুরনিতিবাজ৷
সরকারি কাজে পার্সেন্টেজ, বাসা নেওয়াতে টাকা চায় ।
Jomi namjari hoyni khas hoyecilo mamla cholce 2007 theke 18+ years, keo akjn court er blcilo 3 lac tk dile solve mane ray manage kore dibe.but denied.
অনেক অনুনয় এবং মিনতি করে সেবাটি পেয়েছি, কল সেন্টার এ বার বার অভিযোগ দাখিল করেও সেবা পাওয়া যায়না, বলে শিডিউল নাই, কোন সেবা কে দিলো , কেনো দেরি হলো? এর কোনো মনিটরিং কিংবা। জবাবদিহিতা নাই l
নামজারি করতে গিয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও এসিলেন অফিসের সার্ভেয়ার কে এই টাকা দিতে হয়েছে।