নামজারি
নামজারি করার জন্য ৩,০০,০০ টাকা চেয়েছিল। ১,৫০,০০০ দিয়ে নামজারি করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করার জন্য ৩,০০,০০ টাকা চেয়েছিল। ১,৫০,০০০ দিয়ে নামজারি করি।
every year Bond listed company's like us need to complete audit but this year we have not done audit yet because of money. without money not possible to do Audit anymore. we are bound to pay it but this year till now hold the audit due to money issues.
We have birth certificates for three family members. Two of the certificates were in English only and needed to be converted to smart birth certificates (English and Bengali). We paid a bribe of 3,000 BDT for these two documents. Another document required a name correction, for which we paid a bribe of 2,000 BDT. In total, we paid 5,000 BDT in bribes for all three documents.
কোর্টের রায়ের পর খাস জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করি, সেখানে এডিসির সাক্ষর নিয়ে শুধু আঞ্চলিক ভূমি অফিসে পাঠাবে এজন্য সহায়ক ১০ হাজার টাকা ঘুষ খুজে। বলেছে আবার প্রতিবেদনের পর আরও লাগতে পারে।
মূসক বা ভ্যাট রিটার্ন (মুশাক ৯.১) জমা দেওয়ার জন্য ভ্যাট সার্কেল অফিসে (VAT Circle Office) যেতে হয়, যা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিভাগের অধীনে পরিচালিত। NBR-এর ভ্যাট অনলাইন পোর্টালের (vat.gov.bd) মাধ্যমে ঘরে বসেই অনলাইন দাখিলপত্র (e-Return) জমা দেওয়া যায় আমিও সেভাবেই দেই, তবুও Manual form print করে সিল ও সই নিতে হয় তখন প্রতি মাসে তাদের ২৫০০ টাকা করে দিতে হয়।
Ami kharij korar jonno office a jai kintu keu kotha bole na mone hoy jor kore tader sathe kotha bolteci. Ai bole or kace jan o bole or kace jan finally kotha bollam bole ata lagbe seta lagbe ai kagoj nai sei kagoj nai, niye asen tarpor kore dibo tarpor deklam agula ber korte korte ami jei cuti niya dese geci oi cuti ses hoye jabe tarpor akjoner sathe 12000 taka contact korlam tatpor 10-12 diner modde hoye gece
গাড়ির নাম ট্রান্সফারের সময় অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা দাবি করে পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা দিয়ে তারপর নামটা ট্রান্সফার করা হয় প্রথমে কাগজ সই করেনি পরবর্তীতে ৫০০০ টাকা দেওয়ার পর কাগজই সই করে
আমি আমার কষ্ট বাড়ির জমি টি মিটিশন করার জন্য যায় আমার কাগজপত্র দেখে তারা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরল অনেক সমস্যা রয়েছে যখনি বলল এ সমস্যা সমাধান করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে আপনি যদি ৮ হাজার টাকা দেন তাহলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে কিন্তু আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সেটা প্রত্যাখ্যান করি নাম জারি করা থেকে বিরত থাকি।
এই অফিসে যেকোনো ধরনের সেবার জন্যে কাজ ভেদে ঘুষ দিতে হয়।প্রথমে সাভাবিক নিয়মে কাজ করার চেষ্টা করলে তারাই বলে এভাবে কাজ হবে না। X দোকানে গিয়ে আবেদন করুন ।সেখানে তাদের কিছু লোকের সাথে টাকা ধরিয়ে দিলেই কাজ হয় নয়তো না।
পেশকার — বলে এক জন মহিলা হিজাব পরে থাকেন। প্রতি শুনানিতে ১০০০ বা তার উর্ধে টাকা নেন। খুব বাজে ব্যবহার। টাকা না দিতে চাইলে বলে ফাইল কি হেটে হেটে আসবে। ফাইল আটকিয়ে রাখে। জজ কোর্ট সদরঘাট। ৭ ম তলা তে পেশকার রুমে বসে
আমাকে বলছিলো সাবেক মেম্বার চার হাজার টাকা দিবা,ভাতার ব্যবস্থা করে দিমু। উপজেলায় দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করলাম না। কর্মকর্তা মেম্বারকে দিয়ে চুক্তি করে। ৫০০ টাকা মেম্বার পায়,বাকি ৩৫০০ টাকা নেয় কর্মকর্তা। আমি সরেজমিনে গেলাম কর্মকর্তার কাছে। উনি বললেন সময় গতকাল শেষ হয়ে গেছে। পরের মাসে বরাদ্দ আসলে যোগাযোগ করবেন। ঠিক দুই দিন পর মেম্বার সাহেব তিনজনকে ভাতার ব্যবস্থা করে দিলেন টাকার মাধ্যমে। আমার কাছে এমন তথ্য আছে গর্ভবতী নয় এমন নারীও ভাতা পাচ্ছে।
আমি সরকারি সকল ফি পরিশোধ করে পরীক্ষা দেই কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় ফেল করানো হয়েছে পরপর দুইবার। এরপর আমি যখন ১৫ হাজার টাকা (তাদের দাবীকৃত) পরিশোধ করি তখন প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা ছাড়াই আমাকে পাস করানো হয়েছে এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করেছে।
আমাদের বাড়িটা ভেঙে একটা নতুন বাড়ি করবো। কিন্তু তার জন্য কিছু কাগজপত্র নিয়ে সিটি কর্পোরেশন থেকে সই করে আনতে হয়। সই করার জন্য আজকে প্রায় দেড় বছর কাগজ পড়ে আছে সিটি কর্পোরেশনের কাছে। এবং তিন লক্ষ টাকা দেয়া হয়েছে। তারপরও তারা আরো দাবি করছে।
একটি এক্সরে রিপোর্ট করেছিলাম। এক্সরে রিপোর্টে তাড়াতাড়ি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সে আমার কাছে ৫০ টাকা দাবি করে কিন্তু আমি তার দাদির সাথে একমত হইনি
আমি অত্র জেলায় নতুন যোগদান করার পরে আমার বেতন চালু করার জন্য কয়েকবার হিসাবরক্ষন অফিসে গেলে তারা নানান টালবাহানা করে বলে এলপিসি আসে নাই, হ্যান ত্যান। কিন্তু আমার পূর্বের কর্মস্থল থেকে জানায় তারা এলপিসি পাঠিয়েছে। এই অবস্থায় আমি প্রায় ৩ মাস বেতন পাই নাই। পরে তাদের দাবিকৃত ১০০০ টাকা পরিশোধ করার পরে আমার বেতন চালু হয়েছেন
আইডি কার্ড সংশোধন করতে নাকি ৭০ হাজার টাকা লাগবে
ফরম পূরণ করে জমা দিতে গেলে সেই ফরমে ভূল ধরে সেইগুলার। সেগুলো ঠিক করে নিয়ে গেলে নতুন কিছু ভূলবের করে। পরে দালাল ধরে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিলে সবভূল নিমেষেই ঠিক হয়ে যায়। এবং অল্প কিছু দিনের ভেতর হাতেও পেয়ে যায়। আবার পুলিশ ভেরি ফিকশন করতে ১০০০ টাকা লেগেছে।
আমাদের মোটর রিকশা যখন পুলিশ টু করে দেয় এবং সেগুলো ছাড়ানোর সময় হয়। তখন সেখানে নির্ধারিত টাকা ব্যাতিত নাস্তার টাকা বলে ১০০+২০০ টাকা নেওয়া হয়। যা প্রতিটি মানুষ থেকে নেওয়া হয়। টাকা না দিলে বলে ২-৩ দিন পরে আসো। কাগজ জমা নেই না।
কয়েকবার আবেদন করে জমা দিতে পারিনি। তারপর টাকা দিয়ে জমা দিতে হয়েছে ফাইল।
আমি আমায় ফার্মাসিস্ট সার্টিফিকেট নিতে গিয়েছিলাম বাংলা মোটর, ফার্মাসি কিউন্সিলে তারা.. আমার কাছে কিছে কাগজ পত্র চায় যার সব গুলাই আমি দিয়েছি. যেমন ড্রাগ লাইসেন,ট্রেড ল্যাসান্স, এসএসসি সার্টিফিকেট আরো অন্যান কাগজ.. সব গুলা অরজিনাল কপি দিলাম তবে আমার সাথে এসএসএসসি সার্টিফিকেট অরজিনাল কপি সিল না, ফটোকপি দিলাম, মানে না অনলাইন কপি দিলাম তাও রাতে মানে.. সচিব এর থেকে দেখা করতে চাইলাম দেখা করতে দেয় না... আমি সকাল ১১টা থেকে ৩টা পযন্ত দাঁড়িয়ে রইলাম.. পরে অনেকটা জোর করে সচিব এর সাথে দেখা করলাম.. বললাম আমার সব কাগজ পত্র ঠিক আছে কিনা বলে ঠিক আছে.. তাহলে আমায় আমার সার্টিফিকেট আমি তুলতে সমস্যা কোথায়.. বলে অরজিনাল টা দেখাতে হবে, বললাম আছে বাড়িতে। সে বলে তাহলে হবে না। পরে এক কাম্পিউটার দোকানদার বললো ভাই২০০০