সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৮,৯১৪ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳১৬.০ হাজার

পাসপোর্ট নবায়ন

সাম্প্রতি আমার আগের পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে আমি জানি যে বাংলাদেশের যেকোন পাসপোর্ট অফিস থেকে নবায়ন করা যায়। সেই সুবাদে আমি নিকটবর্তী নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই এবং আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার চেষ্টা করি, কোন দালাল ছাড়া! আমি যখন আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে যাই তখন ওনারা আমার আবেদনটি জমা নিলেন না, আমি জিজ্ঞেস করাতে ওনারা বলেন আমার এলাকায় গিয়ে জমা দিতে এখানে হবে না এখানে আমার প্রশ্ন হল কেন হবে না? তখন আমাকে দায়িত্বরত একজন আনসার সদস্য বলে চ্যানেল নিয়ে আসুন‌ আমি বললাম ওটা আবার কি ভাই? তখন ওনি বলেন আরে ভাই বুঝেন না দালাল লাগবে!😡 তখন আমি একজন দালালের কাছে যাই মোট ১৬০০০ টাকা নেয় তাও পাইনি পাসপোর্ট দুই বছরেও পরে আবার নতুন করে আবেদন করে পাসপোর্ট পাই কারন আগুন লেগেছ

নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার দেখা হয়েছে DKKEW8LT
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার

পাসপোর্ট তৈরি

আমার মায়ের পাসপোর্ট তৈরি করার আমি অনলাইনে ফরম পূরণ করি এবং অনলাইন পেমেন্ট করি। কিন্তু তারা আমার বাবার নামের বানান কিন্তু ২০০০ টাকা দিলে পাসপোট জমা নেয়।

CHANDPUR, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে CTTJH72T
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳১.৩ হাজার

Passport Renew

অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন করার পরে জমা করতে গেলাম। রিনিউ ছিল। কোন চাকরি বা ব্যবসাতে না থাকায় 'পেশার' ঘরে 'other' select করে দিয়েছিলাম। জমাকারী এটা দেখে সাথে সাথে পেপার আমাকে দিয়ে বললেন এখানে other দেওয়া কেন। অথচ সিস্টেমে ছিল বলেই তো দেওয়া হইছে। এরপরে information desk এ যোগাযোগ করতে বলল। সেখানে গেলে বলল application cancel করতে। কিন্তু বিপত্তি বাধে আমি অনলাইনে ফি পরিশোধ করেছিলাম। এখন যদি cancel করি তাহলে টাকা পুরোটাই মাইর যাবে। তখন এক আনসার বলল ১৫০০ টাকা দেন করে দিচ্ছি। আমি পরে সেটা ১৩০০ তে রাজি করেছিলাম একেবারেই না পেরে, নাহলে ৫৭৫০ টাকা হারাতাম। সুন্দর একটু পরে ফরমে সাইন সহ নিয়ে আসলেন। পাসপোর্ট যথাসময়েই পেয়ে গেলাম। বাড্ডা পাসপোর্ট অফিস।

ঢাকা, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে DK43AH7U
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৪০.০ হাজার

বগুড়া টু সিরাজগঞ্জ রেল লাইনে ভুমি অধিগ্রহনের টাকা উত্তলন

আমি একজন সরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা, আমার জমি রেললাইনের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। আমি শত চেষ্টা করেও ঘুষ ছাড়া টাকা উত্তোলনের চেক পাই নাই। জানতে পারলাম ৩% ঘুষ না দিলে চেক হবে না। ডিসি অফিস LA শাখা, সিরাজগঞ্জ। পরে ৪০০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে ১৩ লক্ষ টাকার চেক পাইছি। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের সংশোধিত প্রাক্কলিত ব্যয় বা বাজেট দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তাহলে ৩% হিসাবে ৩৭৫কোটি টাকার ঘুষ বানিজ্য হয়েছে। এটাই আমাদের সোনার বাংলাদেশ। যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তাদের ৯৫% কৃষক, তারা ঘুষের হিসাবটা অনলাইনে দিতে পারে না। তাই প্রকৃত তথ্য প্রকাশ পায় না।

সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে RJ6TKQNW
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে ভূমি অফিস ৳২০.০ হাজার

BDS JORIP

নারায়ণগঞ্জ ১৬ নং ওয়ার্ডে কিছুদিন আগে BDS জরিপ এর জন‍্য জায়গা মেপে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমাদের ডেকে সকল দলিলাদির কপি সংগ্রহ করেন এবং পরবর্তীতে BDS খতিয়ান দেওয়ার নামে প্রতিটি খতিয়ানের বিপরীতে ২০,০০০/- টাকা দাবি করেন। যখন জানতে চাওয়া হয় কিসের জন্য টাকা দেওয়া লাগবে তখন তারা উত্তর দেন তারা মিষ্টি খাবেন।

Narayanganj, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার দেখা হয়েছে DKQ8PHM4
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১.০ হাজার

দলিলের নাম স্থানান্তর।

ফুলপুর উপজেলার যে সাবরেজিস্ট্রি অফিস আছে, এই সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে একজন ব্যক্তি বসে থাকে যিনি দলিলগুলো সাবরেজিস্ট্রার স্বাক্ষর করার পর তার কাছে নিয়ে আসে এবং তিনি প্রত্যেকটি একশ টাকা, অনেকের কাছে এক হাজার টাকাও দাবি করে থাকে।

Phulpur, ময়মনসিংহ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে MY4BGXZM
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৭.৫ হাজার

আইডি কার্ড

আমি আমার জাতীয় পরিচয় পত্র বানানোর জন্য যাই, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বলে যে, আপনার পরিচয় পত্র বানাতে হলে 10000 টাকা লাগবে কারন হিসেবে বলে আপনি বিদেশে ছিলেন এই জন্য আপনার পরিচয় পত্র রেজিস্ট্রেশন করা হয় নাই তাই এখন রেজিস্ট্রেশন করতে হলে 10 হাজার টাকা দিতে হবে। আমার আবার বিদেশে যাওয়ার সময় হয়ে আসছে তাই 7500 টাকা দিয়ে আমার জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে হয় ২০২২ সালে। এই টাকাটা নেয় দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের অফিসার আর দুর্গাপুর ইউনিয়ন এর এক মেম্বার।

দুর্গাপুর, কাপাসিয়া, গাজীপুর, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DKVHJMTU
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৭৫.০ হাজার

পরিবেশ অধিদপ্তর এর ছাড়পত্র জন্য

আমার ফ্যাক্টরির জন্য অবস্থানগত সার্টিফিকেট না নিয়ে পরিবেশগত সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছিলাম। আমাকে যতনগত সার্টিফিকেট এ বিষয়ে আমার কোন ধারণা ছিল না। আমি ফ্যাক্টরি নির্মাণ অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন করি, তারা আমাকে এই ভুলটা উল্লেখ করে ও শৃঙ্খলা হবে এই হুমকি দিয়ে অবস্থানগত সার্টিফিকেটের জন্য ৫০হাজার টাকা দাবি করে তারপর পরিবেশ গত সার্টিফিকেট জন্য আবেদন করতে বলে এবং সেটার সরকারি খরচ ২৫ হাজার টাকা। এবং তার জন্য তার আরো ২৫ হাজার টাকা দাবি করে যেন আমি পরিবেশগত সার্টিফিকেট দ্রুত পাই। সর্বমোট তার ২৫ হাজার এর ৭৫ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখে। অর্থাৎ আমার এক লাখ টাকা তার খরচ হবে। যেখানে আমার সরকারি খরচ এ সর্ব ২৫ হাজার টাকা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।

Bogura, রাজশাহী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে RJKN8FAF
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৪০০

নাগরিক সনদ প্রত্যায়ন পত্র ও এনআইডি স্হানান্তর সনদ।

নাগরিক সনদ সরকারীভাবে প্রত্যেকটি নাগরিককে ফ্রী দেয়া হয়,কিন্তু আমাদের ২০২০ থেকে ২০২৭ অর্থ বছরের সকল চৌকিদারি ট্যাক্স দেয়া হয়ে গেছে ইউপি পরিষদে। এমতাবস্থায়ও ফ্রী নাগরিক সনদের পরিবর্তে ৪০০ টাকার বিনিময়ে আমাদেরকে নাগরিক সনদ দেয়,টাকা/ঘুষ না দিলে এই নাগরিক সনদ মিলেনা। এটার থেকে আমরা সুরাহা চাই। অতীতেও জন্ম নিবন্ধন কার্ড করতেও প্রায় ১৫ টাকা লেগেছে,যেখানে সরকারিভাবে ফি হলো ২৫ টাকা বা তার বেশী,শিশুদের জন্য ৪৫ দিনের পূর্বে সম্পূর্ণ ফ্রী কিন্তু এই ইউয়নিয়ন পরিষদে একেকটি জন্ম সনদের জন্য ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০০/২০০০ টাকাও ঘুষ নেয়া হয়। টাকা দিলে সবকিছু মিলে টাকা না দিলে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়।

দারগার হাট,শুভপুর,ছাগলনাইয়া,ফেনী, চট্টগ্রাম ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে CT29NBM2
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৮০.০ হাজার

জমি রেজিস্ট্রি

আমি জমি কিনে রেজিস্ট্রি করার জন্য গেলে সরকারি হিসাবে ফ্রী আসে ৫৪২৬০ আমার থেকে উকিলে নিছে ৮০০০০ টাকা

মোড়েলগঞ্জ বাগেরহাট, খুলনা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে KH4LGKNE
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৩.০ হাজার

রেজিস্ট্রেশন মোটরসাইকেল

মোটরসাইকেলরে কাগজের পিতার নাম ঠিক নাই, বস এটি সিগনেচার করবে না, এটিতে ৪ হাজার লাগবে ৩৫০০ লাগবে পরের তিন হাজার দিয়ে করা হয়েছে এরপরও দুইদিন ঘুরে ঘুরে হয়রানি হয়েছি নিজে করতে চেয়েছিলাম দালালের হাত দিয়ে করতে হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও, রংপুর ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে RNGH5LJH
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৬০০

নাগরিকত্ব সগদ, চারিত্রিক সনদ, একাধিক নমের সনদ

চারিত্রিক সনদ ১০০, নাগরিকত্ব সনদ ১০০, একাধিক নামের সনদ ১০০, ফিস, না দিলে সেবা নাই। সব মিলিয়ে দিতে হয়েছে। কিন্তু আগে লাগতো না সেবা ফ্রিতে পাওয়া যেত। কারন চকিদারী ট্যাক্স দিতাম সেবা নিতাম। এখন ট্যাক্স ও দেই সেবার ধরন অনুযায়ী টাকাও দেই।

গ্রাম, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DKMVAP2W
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১৬.৫ হাজার

দলিল অনুসন্ধান ও উত্তলোন

দলিল অনুসন্ধানের জন্য বছর প্রতি ২০০ ও দলিলের নকল উত্তোলনের জন্য ১৬০০ থেকে ২৫০০ টাকা ফিস দিতে হয়। সব মিলিয়ে মনে আছে প্রায় ১৬৫০০টাকা দিয়েছি।

গ্রাম, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DKCTYRUN
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳৫০.০ হাজার

নামজারি

আমার বাবার নামে আর এস রেকর্ডকৃত জমি নামজারি আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব করা হয় কিন্তু এসিলেন্ট সাহেব তার সহকারীর মাধ্যমে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ যাবে দাবি করে। আমি উক্ত টাকা না দিলে আমার বাবার নামের নাম জারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেই।

রায়পুরা,নরসিংদী, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার দেখা হয়েছে DKNMFABF
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে ভূমি অফিস ৳১.০০ লাখ

নামজারি

নামজারি করতে গিয়েছিলাম, মামলায় জিতে মামলার রায়ের কপি নিয়ে জায়গা বড় দেখে নামজারি করতে টাকা চেয়েছে এক লাখ, নইলে আর একটি রায় লাগবে অথবা এক লাখ টাকা লাগবে, এক মামলায় জিতে আসতে আমার ১৪ বছর লেগেছে এখন আমি আর একটি রায় কোথায় পাবো, একখন আমার এক লাখ টাকা ঘুষ দিলে আমার কাজ হইবে আর ঘুষ দিতে না পারলে আমার কাজ হইবে না।

নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার দেখা হয়েছে DKZWX6MA
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ট্রাফিক পুলিশ ৳১.৫ হাজার

আশুলিয়া অঞ্চলের বেরিবাদ এর ট্রাফিক পুলিশ খুব খারাপ

আমার গাড়ির সব পেপারস কম্পলিট ছিল, শুধু নাম্বার প্লেট টা হাতে পাইনি,, নতুন গারি, নাম্বার প্লেটের পরিবর্তে পেপার ছিল,, এটা নিয়ে অনেক ঝগড়াঝাঁটি,, আমার কাছ থেকে ১৫ ০০টাকা জরিমানা নেয়,আমি অনেক রিকুয়েস্ট করে বলেছি আমার একজন রোগী অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি আছে, কিন্তু উনি কোনভাবেই আমাকে ছেড়ে দেয় নাই,আমার কাছে শেষ সম্বল পনেরশো টাকাই ছিল, পুরো টাকাটাই ওনাকে দিয়ে দিতে হয়েছিল

আশুলিয়া বেরিবাদ, ঢাকা ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে DKE3P92B
মন্তব্য