প্রাথমিক শিক্ষক বদলি
প্রাথমিক শিক্ষক বদলি এক বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি হওয়ার জন্য গিয়েছিলাম সেখানে ৫০০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল আমি ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাগজপত্র জমা দিয়ে আসছি এ হচ্ছে প্রাথমিক সেক্টর এর অবস্থা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রাথমিক শিক্ষক বদলি এক বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি হওয়ার জন্য গিয়েছিলাম সেখানে ৫০০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল আমি ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাগজপত্র জমা দিয়ে আসছি এ হচ্ছে প্রাথমিক সেক্টর এর অবস্থা।
আমি আমার বাবা-মায়ের জন্ম নিবেদন সংশোধন করতে গিয়েছি। প্রতিটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য সরকারি ফি ১০০ টাকা কিন্তু সে প্রতিটি জন্ম নিবেদন সংশোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা রেখেছে। তাহলে দুটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আমাকে ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে যার মধ্যে ২০০ টাকা হলো সরকারি ফি আর ২০০ টাকা হল বাড়তি আদায়কৃত টাকা। আমার খুব ইমার্জেন্সি ছিল তাই আমাকে ৪০০ টাকা দিয়ে সেটি করিয়ে নিতে হয়েছে।
প্রতিবেশির সাথে জায়গা নিয়ে বিরোধ হলে পুলিশ ১৪০০০ টাকা আমাদের কে ভয় দেখিয়ে খায়। বলে নইলে আদালতে কাগজ যাবে। আপনাদের জেলে থাকতে হবে। সবই মিথ্যা।
ভাতার রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে তাদের কাজ না করে দেয়ার মনোভাব দেখেছি৷ এক রকম বাধ্য করা হয়েছে না হয় ভাতা পাওয়ার সম্ভাবনা ০% ছিল।
মানি এক্সচেঞ্জ অনুমোদন নাই পরবর্তীতে সিকিউরিটি গার্ডে ওই মানি এক্সচেঞ্জ করে দুবাই ১০০ দেরহাম বাংলাদেশের রেট ৩৪.৫কিন্তু সে 32 টাকা করে দিছে।তাহলে অনুমোদন যদি নাই থাকে তাহলে সিকিউরিটি গার্ডে ওই ব্যাংকে কিভাবে একচেঞ্জ করে।
জার্মানী এম্বাসি থেকে নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য আমার কাছে 70 হাজার টাকা দাবি করে পরে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাই। এই টাকাটা এম্বাসির কর্মী বাংলাদেশে তার বউ কে পাঠানো হয় 2021 সালে।
চশমা মাপার সময় ডেট দিয়েছিল চার মাস পরে। এ সময় চক্ষু বিভাগের একজন ডাক্তারের সহকারী মহিলা, একজন মহিলা, বয়স্ক মহিলা এসে আমাকে বলে যে তোমার এটা আমি আজকে চোখের চশমার পাওয়ারটা মাপিয়ে দেবো। বিনিময়ে 100 টাকা দেওয়া লাগবে।
সঞ্চয়পত্র কিনতে গেলে মানুষ পোস্ট অফিসে কথা দিতে হয়, সঞ্চয়পত্র ফরম কিনতে গেলে ১৫০ টাকা দেওয়া লাগে, মেন ফ্রেমের সিগনেচার করাতে গেলে ৩০০ ৪০০ টাকা দেওয়া লাগে না হলে স্বাক্ষর করতে চায় না,
২০০০ টাকা দাবি করেছেন ১ টি খতিয়ানের জন্য ১০০০ টাকা দিয়ে আসছি।
Govt.Hospital e doctor er bodole compounder surjery korse and tk dabi korse
এখানে টাকা ছাড়া মামলা নেয় না । ওসি সাহেব আমার কথা শুনে এবং তদন্ত রিপোর্ট শুনে মামলা নিতে বললেও , এসআই রা টাকা ছাড়া মামলা নেয়া না ।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব বলেছে আমার কাগজপত্র কোনদিনও ঠিক হবে না কারণ একের এক খতিয়ান থেকে আমার জমি আছে। কিন্তু আমি জমি ক্রয় করার দলিল এবং মাঠ পর্চা দেখিয়েছিলাম তারপরও আটকে রেখেছিল ধীরে ধীরে আমি আর ধৈর্য ধরতে না পেরে টাকা দেওয়া শুরু করেছিলাম। প্রথমে পাঁচ হাজার তারপরে সাত হাজার এমন করে সর্বমোট ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে আমার মিউটেশনটি সম্পন্ন হয়।
আমার একটি দলিলের তারিখ মাস ও সাল জানা আছে দাতা গ্রহীতাও জানি শুধু দলিল নাম্বার আমার কাছে নেই। সেই দলিলটি শুধু খুঁজে বের করতে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু আমার কিছু করার ছিল না জিনিসটা আমার প্রয়োজন। অফিস থেকে জানানো হয় আমাদের ইনডেক্স নষ্ট হয়ে গেছে । বাংলাদেশে সবথেকে দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয় হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়। যদিও সব রেজিস্টার অফিস আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সব মিলিয়ে ভূমি সেবা মানেই দুর্নীতি
I live abroad in the UK. I went to BANGLADESH to pay my Khazna. They advise me that I have to pay online which I didn’t know how they said they can organise everything for me but I had to pay them 98,000 taka but when they gave me the receipts for Kazna each receipt showed only few hundred taka when I questioned the receipt they said all your khazna is paid and clear you do not have to worry about anything. The remaining money will go to the officers who facilitated in paying my khazna online. The address of the office which took my payment is in Hheramishi Khazna Office 📃 Sheramishi Tana: Jogonnathpur District: Sunamgonj Bangladesh
কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার একটি ইউনিয়নের ভুমি সহকারী কর্মকর্তার সাথে ঘটনা। আমি একটা বি আর এস রেকর্ড সংশোধন করতে আবেদন করি উপজেলা ভুমি অফিসে।এই আবেদন ইউনিয়ন ভুমি অফিসে আসে।সে রিপোর্ট দিতে চায় না,৭মাস হয়ে গেছে।আবেদনে যা ছিল"আমার একটা জমি সি এস রেকর্ড এ ৩২ শতাংশ এস এ রেকর্ড এ ৩২ শতক কিন্তু বি আর এস রেকর্ড এ ১৬ শতাংশ লিখা।বি আর এস রেকর্ড এর পর আমি ৩য় ক্রেতা।নক্সাতেও আছে ৩২ শতাংশ। এখন আমি ৩২ শতাংশ খারিজ করতে গেলে ১৬ শতাংশের খারিজ দিতে চায়।তাই রেকর্ড সংশোধন এর জন্য ৩২ শতাংশের আবেদন করি।আমি সি এস, এস এ,বি আর এস রেকর্ড জমা দেই।সাথে আমার দলিল, আগের দুইটা ভায়া দলিল এবং কলমি নক্সা জমা দেই।কিন্তু কিছুতেই নায়েব রিপোর্ট দেয় না।শেষে অফিস সহায়ক কে দিয়ে দেড় লাখ টাকা চায়।নাহলে রিপোর্ট দিবে না বলেছে।
দালাল ছাড়া কিছু ই করা যায় না এবং অফিসে কারো সাথে কথা বলা খুবই মুসকিল আমরা নির উপাশ
১৫০ধারা রেকর্ড সংশোধন মামলাটির আমি নিজে বাদি। গত ২৮/৫/২৬ তারিখে মামলাটির রায় হওয়ার পর সরকারী নিয়ম অনুযায়ী বাদীর অনুলিপি পাওয়ার কথা। কিন্তু আমি ডুমুরি ভুমি অফিসের সংশ্লিষ্ট শাখায় একাধিকবার যোগাযোগ উপস্থিত হয়ে কথা বলি, মোবাইলে যোগাযোগ করি। কিন্তু আমাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাতে থাকে। অবশেষ বমাকে নকলের জন্য আবেদন দিতে বলে। সরকারি ফিসহ আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা জানান দাদা অফিসের একটা সিস্টেম আছে। সিস্টেম টা হচ্ছে ২০০০টাকা লাগবে। আমি এতদিন ঘুরে নিরুপায় হয়ে রাজি হই এবং ১৫০০টাকা দিয়ে নকল সংগ্রহ করি। কিম্তু মামলার রায়ের অনুলিপির বাদীর কপি পেতে আবার সংশ্লিষ্ট শাখায় গিয়ে বিভিন্ন অজুহাত। নথি খুজে পেতে সময় লাগবে, লোক নাই ইত্যাদি। নিরুপায় হয়ে চা খাওয়ানোট কথা বলে ১০০০টাকা দিলে মামলার রায়ের বাদীর অনুলিপি আমাকে দেন।
আমি আমার ট্রেড লাইসেন্স এর ইংরেজী ভার্সন এর প্রিন্ট কপির জন্যে অফিসে গেলে তারা বলে আগের মত সম্পূর্ণ ফিস পরিশোধ করতে, বাস্তবে ইংরেজী ভার্সন এর ডুপ্লিকেট ওঠাতে এত টাকা লাগার কথা না. তারপরও তারা আমাকে বলে সম্পূর্ণ টাকা প্রদান করতে আমি না করে দিয়েছি
আমি নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য গেলাম,আবেদন করলাম সিরায়ালে দাড়ালাম ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার জন্য, বললো বাবার ইমেইল দেওয়া নাই, নতুন করে আবেদন করতে ইমেইল সহ,ইমেইল সহ আবার আবেদন ঠিক করে নিয়ে আসলাম,বললো আজকে হবে না, অন্য দিন আসেন। তারপর গেইটের আনসার বললো কাজ হবে টাকা লাগবো ১২০০। একপর্যায়ে আমি দিতে না চাওয়ায়, ওনি বললো আপনার প্রতিদিন ঘুরতে হবে,আর ওনাকে ১২০০ টাকা দিলে এখনই কাজ হয়ে যাবে। পরে বাধ্য হয়ে দিলাম। পরে আমার কাজ ২ ঘন্টার মধ্যে কমপ্লিট করে দিলো,আমাদের এভাবে বাধ্য করে টাকা নেয়।
কোম্পানীগঞ্জে এমপিও ফাইল ছাড়করণে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে আমার এমপিও-সংক্রান্ত ফাইলের কাজের ক্ষেত্রে আমি নিজেই অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক লেনদেনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছি। আমার এমপিও-সংক্রান্ত ফাইল ছাড়করণের কাজের জন্য বর্তমান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আমাকে ১,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার সময় আমাকে আবার বলা হয়, টাকা না দিলেও নাকি কাজটি হয়ে যেত। অর্থাৎ টাকা নেওয়ার পরও এমনভাবে বলা হয়েছে যে, আমি যেন নিজের ইচ্ছায় বা খুশি মনে টাকাটি দিচ্ছি। আমার প্রশ্ন হলো—যদি কাজটি নিয়ম অনুযায়ী এমনিতেই হওয়ার কথা থাকে, তাহলে সেই কাজের জন্য একজন শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার প্রয়োজন কেন?