SB Verification
ভূলে বিবাহিত এর জায়গায় অবিবাহিত ছিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভূলে বিবাহিত এর জায়গায় অবিবাহিত ছিলো।
গর্ভবতী ভাতা করে দিবে এর জন্য ৫৫০০ টাকা দাবি করে। কোন এক জন প্রতিনিধি (মহিলা মেম্বার)। গর্ভবতী ভাতা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জনগন সুবিধা পাবে।
বলা হয়েছিল মিসকেস রায় হতে অনেক দিন সময় লাগবে। টাকা দিলে অল্প সময়ে রায় করিয়ে দিবে৷ আর কোনো ঝামেলা হবে না।
অন্য সব ক্ষেত্রে তো টাকা নেয়ই, অপারেশন এর দিন স্ট্রেচারে উঠালেও টাকা, স্ট্রেচার থেকে বিছানায় শোয়ালেও টাকা । এবং প্রত্যেক ধাপের জন্য এই টাকা দিতে হয় ।
বহায় নামা উঠানোর জন্য
Ami khajna na dia cole asci....
Amr car fitness er jonno newa hoi, but jara fitness test korcilen tara ta ok koren nai, pore ak dalal 2500 taka nia seta k ok kore den,
পার্সপোট অফিসে সরাসরি টাকা নেয় না।অফিসের লোক শুধু আবেদন পত্রে ভুল ধরার ফাদ পেতে থাকে।ভুল ধরতে পারলেই টাকা।অবাক করার বিষয় হলো পার্সপোট অফিসের সরাসরি ঘুষ খায় না।মাধ্যম হয়ে খায়।সারা বাংলাদেশের যতো কম্পিউটারের দোকান আছে যারা পার্সপোট এর আবেদন করে দেয় তাদের সাথে যোগসাজশে কাজ গুলো সংগঠিত হয়ে থাকে।২০২১ সালে যখন আমি প্রথম পার্সপোট করতে যাই দালাল ছাড়া করতে গেয়েছিলাম অহেতুক হয়রানি হয়ে কম্পিউটারে দোকানে বাড়তি ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আবেদন জমা দিয়েছিলাম। এবার ২০২৬ সালে আগে থেকেই ঘুষের টাকা রেডি করে রাখছিলাম যাতে ভোগান্তি পোহাতে না হয়।যে কথা সেই কাজ কোন ঝামেলা হয় নাই।আগেই কম্পিউটার এর দোকানে ২০০০ টাকা দিয়া আসছিলাম।আমি শুধু অফিসে যেয়ে বাকি কাজ গুলো করে এসেছি।আমার আশা সরকার যদি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
নামজারী প্রস্তাব দেওয়া
গুলশানে বন্টকনামা না থাকায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ছিলো। নামজারি করতে ৫ কোটি টাকা চেয়েছিলো।
সরকারি নথিতে বরাদকৃত জমির পরিমান ভুল আসে, যা সংশোধনের জন্য একটি চিঠি প্রয়োজন। এক পাতার একটি চিঠির জন্য ১০০০০ টাকা দাবী করে।
আমার একটা জমি রেজিস্ট্রেশন করার ছিল। আমি সরাসরি সাব-রেজিস্ট্রারের সাথে কথা বলি। তিনি আমাকে বলেন, আপনার ডকুমেন্টসহ জমা দিন। আমি দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু দলিল লেখককে ১% টাকা দিতে বলে। এছাড়া সে দলিল সম্পাদন করবে না। দলিলটা আমার ইমারজেন্সি হওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকাটা দেই।
এ বছর কুরবানীর ঈদের সাপ্তাহ খানেক পর বাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরছিলাম বাইকে করে। পথিমধ্যে বরিশাল সহ অন্যান্য জায়গার পুলিশের চেকপোস্ট ছিলো সেগুলো পার হয়ে আসছি কোনো সমস্যা হয় নি। যখন পদ্মা সেতুতে ঢুকবো তার কিছুক্ষণ আগে একটা মোরে মাদারীপুর থানাধীন শিবচর থানা পুলিশ একটা পিকআপ, সম্ভবত ৪জন পুলিশ সদস্য এবং একটা স্পিডগান নিয়ে বসে আছে। আমাকে সিগন্যাল দিলো, আমি দাঁড়ালাম তারপর আমার কাগজপত্র চেক করলো, সব ওকে। এখন আমার নাকি ওভার স্পিড পেয়েছে, আদৌও পেয়েছে কিনা আমি জানিনা আমাকে দেখায়ওনি। এখন মামলা দিবে, আমি বলেছি দেন। তারপর মামলার ফজিলত বুঝাচ্ছে আমাকে বলে বিকাশে টাকা আনেন নয়তো আপনার আবার শিবচর থানায় কাগজপত্রের জন্য আসতে হবে। একটা পর্যায়ে আমার কাছ থেকে ১৫০০ এবং আমার আগেরজন দিছে নাকি ১০০০, যার কাছে যা।
Nid কার্ডের আমার বাবার নাম — ছিলো আর আমার বাবার Nid কার্ডে — শুধু মাত্র ইংরেজি একটি অক্ষর Z আর J. এর জন্য টাকা দিয়ে করাতে হয়েছিল
ইনকাম ট্যাক্স ইন্সপেক্টর বাসায় আসে তদন্ত করতে ,করদাতা বাসা কেমন,বাসা ভাড়া, বাড়ির আয়তন উনি ভাড়াটিয়া দের বাসা ভাড়া জিজ্ঞাসা করেন,ইন্সপেকশন করার পর , পাল্টা রিপোর্ট দেন,এবং উল্টা পাল্টা রিপোর্ট যেমন বাড়ি ভাড়া বেশি দেখানো,নরমাল বাড়ি কে উন্নত বাড়ি দেখন্নু, বাড়ি বানাতে খরচ সাভাবিক চেয়ে বেশি দেখানো,বাড়ির একাধিক মালিক থাকার পর ও,১জন কে মালিক দেখান, পরে যখন আমি যোগাযোগ করি ,তখন ৫ লাখ টাকা দাবি করে রিপোর্ট ঠিক করে দিবে বলে।
আমাদের পরিবারের কয়েকটি জমি মিউটেশন করার জন্য গত বছর ২০২৫ সালে আমরা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যাই। মিউটেশনের সময় ভূমি অফিসের একজন পিয়ন আমাদের জানান যে, আমাদের এলাকার প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ২০ শতাংশ জমির জন্য ১৫,০০০ টাকা করে দিতে হয়। অথচ সরকারি নির্ধারিত মিউটেশন ফি প্রায় ১,১৫০ টাকা। আমাদের মোট পাঁচটি জমি মিউটেশন করতে হয়েছে। জমিগুলোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা দাবি করা হয়। কোনো জমির জন্য ৭০,০০০ টাকা, কোনো জমির জন্য ৫০,০০০ টাকা, কোনো জমির জন্য ৩০,০০০ টাকা এবং কোনো জমির জন্য ৮০,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। এভাবে সরকারি নির্ধারিত ফি’র বাইরে মিউটেশন সম্পন্ন করার জন্য আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্তভাবে ২,৫০,০০০ টাকারও বেশি টাকা নেওয়া হয ।
সরকারি ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড বিভাগীয় অফিস থেকে আবেদন করলে শিক্ষা সহায়তা ও চিকিৎসা সহায়তা ভাতা পেয়ে থাকেন। আমাদের কাহারোল উপজেলা, দিনাজপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, একজন প্রধান শিক্ষক, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড এর বাস হেলপার এবং একজন অফিস সহকারী মিলে ঘুষ এর বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন।
AMAR THEKE BESHI NTK NEYA HOISE MAKE BOLSE ETA GOVT THKE NIDRDHARON KORA HOISE BUT ONLINE E TAKA DEKHACCHILO 800 TAKAR MOOTO AMAKE BOLA HOISE ETA UPDATE KORE DIBE UNION PORISHOD ER WEB SITE E ETA HOLO KAYETPARA UNION PORISHOD, RUPGANJ, NARAYANGANJ
ডেভেলপার কোম্পানি হতে ফ্ল্যাট কেনায় বিদ্যুৎ মিটারের নাম ডেভেলপার কোম্পানির নামে থাকায় তা নিজের নামে পরিবর্তন করা অত্যাবশকীয়। কেননা ব্যাংক, ভিসা সহ অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রিসিটি বা পানির বিলের কপি সাবমিট করার প্রয়োজন পড়ে। পূর্বে গ্যাস মিটারের নাম পরিবর্তন করতে যেয়ে তারা আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন, যা আমি পরিশোধ করিনি। কিন্তু অত্যন্ত জরুরী হওয়ায় আমি আমার সকল কাগজপত্র জমা দেই এবং একইভাবে অন্যান্য অধিদপ্তরের অফিসের মতো এরাও আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। আমি তাৎক্ষণিক ৩ হাজার টাকা পরিশোধ করি এবং বাকি টাকা কাজ সম্পন্ন হবার পর পরিশোধ করবো বলে জানাই। পরবর্তী ১৫ দিন ধরে বার বার ধর্ণা দেওয়া সত্বেও কাজটি সম্পন্ন না হওয়ায় আমি ৪ হাজার টাকা পরিশোধ করে তাদের নিকট মাফ চেয়ে নিই।
ডেভেলপার কোম্পানি হতে ফ্ল্যাট কেনায় গ্যাস একাউন্টের নাম ডেভেলপার কোম্পানির নামে থাকায় তা পরিবর্তন করে নিজ নামে করার জন্য যাবতীয় সকল কাগজপত্র জমা দেওয়া হলে উক্ত অফিসে চাকুরীরত পিয়ন আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন এবং আমি তা দিতে প্রত্যাখ্যান করি। আজও আমি আমার গ্যাস মিটারের নাম পরিবর্তন করিনি এবং ব্যাংক, ভিসা, হোল্ডিং ট্যাক্সের কাজের জন্য ডিপিডিসি অফিসেও ঘুষ প্রদান করে মিটারের নাম নিজের নামে করে নিতে হয়েছে, যা আমি পরবর্তীতে প্রকাশ করছি।