Passport করতে
Nid কার্ডের আমার বাবার নাম — ছিলো আর আমার বাবার Nid কার্ডে — শুধু মাত্র ইংরেজি একটি অক্ষর Z আর J. এর জন্য টাকা দিয়ে করাতে হয়েছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Nid কার্ডের আমার বাবার নাম — ছিলো আর আমার বাবার Nid কার্ডে — শুধু মাত্র ইংরেজি একটি অক্ষর Z আর J. এর জন্য টাকা দিয়ে করাতে হয়েছিল
ইনকাম ট্যাক্স ইন্সপেক্টর বাসায় আসে তদন্ত করতে ,করদাতা বাসা কেমন,বাসা ভাড়া, বাড়ির আয়তন উনি ভাড়াটিয়া দের বাসা ভাড়া জিজ্ঞাসা করেন,ইন্সপেকশন করার পর , পাল্টা রিপোর্ট দেন,এবং উল্টা পাল্টা রিপোর্ট যেমন বাড়ি ভাড়া বেশি দেখানো,নরমাল বাড়ি কে উন্নত বাড়ি দেখন্নু, বাড়ি বানাতে খরচ সাভাবিক চেয়ে বেশি দেখানো,বাড়ির একাধিক মালিক থাকার পর ও,১জন কে মালিক দেখান, পরে যখন আমি যোগাযোগ করি ,তখন ৫ লাখ টাকা দাবি করে রিপোর্ট ঠিক করে দিবে বলে।
আমাদের পরিবারের কয়েকটি জমি মিউটেশন করার জন্য গত বছর ২০২৫ সালে আমরা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যাই। মিউটেশনের সময় ভূমি অফিসের একজন পিয়ন আমাদের জানান যে, আমাদের এলাকার প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ২০ শতাংশ জমির জন্য ১৫,০০০ টাকা করে দিতে হয়। অথচ সরকারি নির্ধারিত মিউটেশন ফি প্রায় ১,১৫০ টাকা। আমাদের মোট পাঁচটি জমি মিউটেশন করতে হয়েছে। জমিগুলোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা দাবি করা হয়। কোনো জমির জন্য ৭০,০০০ টাকা, কোনো জমির জন্য ৫০,০০০ টাকা, কোনো জমির জন্য ৩০,০০০ টাকা এবং কোনো জমির জন্য ৮০,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। এভাবে সরকারি নির্ধারিত ফি’র বাইরে মিউটেশন সম্পন্ন করার জন্য আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্তভাবে ২,৫০,০০০ টাকারও বেশি টাকা নেওয়া হয ।
সরকারি ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড বিভাগীয় অফিস থেকে আবেদন করলে শিক্ষা সহায়তা ও চিকিৎসা সহায়তা ভাতা পেয়ে থাকেন। আমাদের কাহারোল উপজেলা, দিনাজপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, একজন প্রধান শিক্ষক, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড এর বাস হেলপার এবং একজন অফিস সহকারী মিলে ঘুষ এর বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন।
AMAR THEKE BESHI NTK NEYA HOISE MAKE BOLSE ETA GOVT THKE NIDRDHARON KORA HOISE BUT ONLINE E TAKA DEKHACCHILO 800 TAKAR MOOTO AMAKE BOLA HOISE ETA UPDATE KORE DIBE UNION PORISHOD ER WEB SITE E ETA HOLO KAYETPARA UNION PORISHOD, RUPGANJ, NARAYANGANJ
ডেভেলপার কোম্পানি হতে ফ্ল্যাট কেনায় বিদ্যুৎ মিটারের নাম ডেভেলপার কোম্পানির নামে থাকায় তা নিজের নামে পরিবর্তন করা অত্যাবশকীয়। কেননা ব্যাংক, ভিসা সহ অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রিসিটি বা পানির বিলের কপি সাবমিট করার প্রয়োজন পড়ে। পূর্বে গ্যাস মিটারের নাম পরিবর্তন করতে যেয়ে তারা আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন, যা আমি পরিশোধ করিনি। কিন্তু অত্যন্ত জরুরী হওয়ায় আমি আমার সকল কাগজপত্র জমা দেই এবং একইভাবে অন্যান্য অধিদপ্তরের অফিসের মতো এরাও আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। আমি তাৎক্ষণিক ৩ হাজার টাকা পরিশোধ করি এবং বাকি টাকা কাজ সম্পন্ন হবার পর পরিশোধ করবো বলে জানাই। পরবর্তী ১৫ দিন ধরে বার বার ধর্ণা দেওয়া সত্বেও কাজটি সম্পন্ন না হওয়ায় আমি ৪ হাজার টাকা পরিশোধ করে তাদের নিকট মাফ চেয়ে নিই।
ডেভেলপার কোম্পানি হতে ফ্ল্যাট কেনায় গ্যাস একাউন্টের নাম ডেভেলপার কোম্পানির নামে থাকায় তা পরিবর্তন করে নিজ নামে করার জন্য যাবতীয় সকল কাগজপত্র জমা দেওয়া হলে উক্ত অফিসে চাকুরীরত পিয়ন আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন এবং আমি তা দিতে প্রত্যাখ্যান করি। আজও আমি আমার গ্যাস মিটারের নাম পরিবর্তন করিনি এবং ব্যাংক, ভিসা, হোল্ডিং ট্যাক্সের কাজের জন্য ডিপিডিসি অফিসেও ঘুষ প্রদান করে মিটারের নাম নিজের নামে করে নিতে হয়েছে, যা আমি পরবর্তীতে প্রকাশ করছি।
আমি — অফিসের নামজারি করতে যাই। ভূমি অফিস থেকে বলে —ের সাথে দেখা করবে কাছে টাকা দিতে বলে বাজারে দোকান দিয়ে বসে থাকা একজন দালালের কাছে ভূমি অফিসের নায়েব পাঠিয়ে দেয়। একটি নামজারি করতে ১২ হাজার টাকা দাবি করে এখন আমি বারো হাজার টাকা পরিশোধ করি। সাতক্ষীরায় জামাতের এমপি তারপরও দুর্নীতি কম নেই
গাড়ির কাগজ জমা দেওয়ার জন্য তিন দিন ধরেছি কর্মরত কর্মকর্তা বলছে এই কাগজ নাই ওই কাগজ নাই কাগজ নিয়ে আসেন কাগজ নিয়ে আসেন কাগজ সঠিকভাবেই নিয়ে যাচ্ছে তারপরে বলতেছি কাগজ তিন দিন ঘুরার পরে যখন এক কর্মকর্তার সাথে কথা বললাম তখন উনি বলল আমাকে এক হাজার টাকা দাও আমি তোমাকে কিনে দিয়ে দিচ্ছি ১০০০ টাকা দিলাম আর কোন কাগজে লাগল না যেই কাগজ ছিল ওই কাগজেই দিলাম মনে আছে উনি কাগজ গুলা জমা করছে পরবর্তীতে কাজ হয়ে গেছে ইয়ার কি অবস্থা র
আমার সাথে প্রতিবেশির কথা কাটা কাটি হয়েছিলো। আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় প্রতিবেশি। তোহ আমি থানায় জানালে তারা সাধারণ ডায়েরি করে রাখে এবং ১০০০ টাকা চায়। আমি বললাম যে জিডি করলে কি ফি লাগে? পুলিশ বলতেছে এটা তাদের চা পানির খরচা।
চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শিপিং অফিসের প্রতিটি টেবিল যেন এক একটা ঘুষের খনি। সাইন অন, সাইন অফ থেকে শুরু করে প্রতিটি টেবিল টাকা ছাড়া কথা বলে না। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে কাগজ পত্র এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায় না। যে কাজের সময় লাগে ২০/৩০ মিনিট সেখানে ১/২দিন ও লাগতে পারে।
আমাদের একটা মামলার রায় হইছে। কিন্তু মামলার রায়ের কপি আনতে গেলে উকিল আমাদের থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবী করে কিন্তু লিগাল ভাবে নিতে গেলে এর জন্য ম্যাক্সিমাম খরচ হবে ২ হাজার টাকা।
আমি গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এর অধীনে একটা যায়গা joint venture development এর জন্য আবেদন করি। এতে সরকারী কোন ফি নেই। কিন্তু আমার (ডেভেলপার) এর কাছ থেকে ১০০,০০০ টাকা নিয়েছে এবং জমির মালিক থেকে নিয়েছে ৫০,০০০. তারপর ও দুই মাস ঘুরিয়েছে। এখনও শেষ হয়নি । এটা মিরপুর গণপূর্ত অফিস।
ইনকাম টেক্স রিটার্ন সাবমিটের সময় তথ্যভূল ছিলো। ভুল ধরা পড়ায় সংশোধনের জন্যে টাকা চেয়েছে। ভবিষ্যতে হয়রানি এড়াতে ভয়ে টাকা দিয়ে দিয়েছি।
রাজউকের উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে একটি জি+৯ ভবনের জন্য এলইউসি চাওয়া হয়েছিলো বিগত মে ২০২৬ তারিখে। আমার ব্যক্তিগত মতে, সার্ভিসটি চাইলে রাজউক সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের ভেতর দিতে পারে বা পারতো। (বর্তমানে অফিসিয়ালি আবেদন করতে ১০০০টাকা + ভ্যাট লাগে ও সময় এক মাস দেখানো আছে)! কিন্তু আজকে প্রায় ৪ মাস অপেক্ষা করেও এল ইউ সি পাইনি, গত সপ্তাহে তারা জানায় যে, আমরা যে আবেদন করেছিলাম সেটা তারা খুঁজে পাচ্ছে না!! (ফাইলে কপি নেই, কিন্তু আমার হাতে তাদের রিসিভ করা কপি আছে) যাহোক, দুটি এল ইউ সি ৭০,০০০ টাকায় চুক্তি করি (ঘূষ) এবং ৫০,০০০ ইতিমধ্যে পরিশোধ করেছি (একটি হাতে পাবার পর)। ২০,০০০ টাকা অন্যটি পেলে দিতে হবে।
নামজারী করার শেষ ধাপ এসিল্যান্ড এর মঞ্জুর এর জন্য ফেনী সদর অফিসের নাজির আমাকে ৫-৬ দিন ঘুরায়। পরে ২ হাজার টাকা দাবি করে।এবং ২ হাজার টাকা প্রদান করার পর দিনই কাজ হয়ে যায়।
দালাল এর মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হয়েছিল। মূল টাকা ৫৫০০ হলেও দালাল ১০৫০০ টাকা নিয়েছে। দালাল ছাড়া আমার বন্ধু এক্সাম দিয়েও ফিরে আসছে কিন্তু আমরা ফেইল হয়েও লাইসেন্স পেয়ে গেছি।
উপজেলা পর্যায়ে দিতে হয়েছে 25000 এবং জেলা পর্যায়ে দিতে হয়েছে ৩০ হাজার
ঢাকা মহানগরীর ৬৬নং ওয়ার্ডস্থ গ্রীনসিটি আবাসিক এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের জন্যে ডিপিডিসি (DPDC)-এর এনওসিএস মাতুয়াইল অফিসে যোগাযোগ করলে নানা রকম কাগজপত্রের বাহানায় প্রায় ৬ মাস ঘুরায়। পরবর্তীতে এক দালালের সাথে চুক্তিকরে প্যাকেজ ৬০,০০০টাকা দিয়ে তাদের মর্জি মতো ২ ফেইজের নরমালতার ও প্রিপেইড মিটার সংযোগ নিতে হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডে কাজ করতে লাইসেন্স লাগে লাইসেন্স করে দিবে এইজন্য।