কলকারখানা লাইসেন্স নবায়ন
কলকারখানা লাইসেন্স নবায়নের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শকের কার্যালয়, দিনাজপুর অফিসে দশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কলকারখানা লাইসেন্স নবায়নের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শকের কার্যালয়, দিনাজপুর অফিসে দশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
গেলাম এয়ারিশি সনদের জন্যে আবেদন করতে। যেহেতু বর্তমান সময়ে এয়ার্ড মেম্বার নেই সেহেতু আমাকে বল্ল বাড়ি গিয়ে ভেরিফিকেশন করবে কিছু যাতায়াত খরচ দিতে৷ বলে রাখা ভালো পৌরসভা থেকে আমাদের বাড়ি আধা কিলোমিটারও হবে না। আমি ১০০ টাকা দিতে গেলে আমাকে ধমক দিয়ে বল্ল কি দিলেন মিয়া, পরবর্তিতে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে। যেহেতু আমার জরুরী ভিত্তিতে লাগবে সেহেতু দিতে বাধ্য হয়েছি। কাহিনি শেষ না৷ ভেরিফিফাই করে সব ঠিক পেয়েছে৷ এখন ওয়ারিসি সনদ তৈরি করার জন্যে নাকি আরও ৩০০ দিতে হবে। আবেদন খরচ এটাই৷ জরুরী ভিত্তিতে লাগবে বলে আমি দিয়েছি৷
২০২৫ সালে আমি একটা জায়গা খরিদ করি এবং তার রেজিস্ট্রি হয় | এরপর আমি ১১৭০ টাকা অনলাইনে পেমেন্ট করে উক্ত জমি নাম যার জন্য অ্যাপ্লিকেশন করি | একদিন পর আমার মোবাইলে ল্যান্ড ডিপার্টমেন্ট থেকে এসএমএস আসে আপনার নামজারি নাম না মঞ্জুর করা হয়েছে। এরপর যখন আমি ভূমি অফিসে যাই তারা বলল সব পেপার কমপ্লিট নাই | এরপর ভূমি অফিসের কর্মকর্তার মাধ্যমে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে আমার জমিটার নাম জারি করা হয়। এর দুদিন পরে আমার মোবাইলে ল্যান্ড ডিপার্টমেন্ট সাইট থেকে এসএমএস আসে আপনার নামজারি মঞ্জুর করা হয়েছে। এটাই টাকার কেরামতি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ৬ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। বিনিময়ে আমাকে কোনো পরীক্ষা দিতে হবে না, কোনো ঝামেলাও করতে হবে না। টাকা দিলেই সবকিছু অটোমেটিকভাবে পাশ হয়ে যাবে। এমনকি ঢাকার যেকোনো জায়গায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। অর্থাৎ যোগ্যতা বা দক্ষতার চেয়ে টাকা দিলেই যেন লাইসেন্স পাওয়া সহজ। বিষয়টা শুধু আমার একার নয়, পুরো প্রক্রিয়াটাই এমন। নিয়ম মেনে যারা পরীক্ষা দিতে চায়, তাদের জন্য এটা সত্যিই হতাশাজনক।
ঝিনাইদহ যুব উন্নয়নে ৩ মাসের প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি হয়ে ছিলাম, প্রতিক্ষণে প্রতিদিন ১৫০ টাকা বরাদ্দ ছিলো, ৩ মাসে যা হয় ১৩৫০০ টাকা, পুরো টাকাটা আত্মসাৎ করেছে, ঝিনাইদহ যুব উন্নয়নো ডিডি বিলকিস আফরোজ
জমির দলিলের নকল তুলতে গেলে অফিস থেকে ৫০০ টাকা চাওয়া হয়। আমি বললাম টাকা দিব কিন্তু রশিদ লাগবে ।তারা রশিদ দিবে না আবার টাকা ছাড়া নকল দিবে না।আমি বললাম অভিযোগ করবো ।তখন তারা বলে আপনি যার কাছে অভিযোগ করতে যাবেন এই টাকার মধ্যে তার ভাগও রাখা থাকে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পিওএম পূর্ব বিভাগের বিএইচএম এএসআই(সঃ) — আমার কাছে সিগারেট খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা চেয়েছিলেন। আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে অতিরিক্ত ডিউটি এবং মানসিক টর্চার প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছেন। এএসআই(সঃ) — প্রতিটি পুলিশ সদ্যসের কাছে টাকা দাবী করেন। টাকা না দিলে অতিরিক্ত ডিউটি এবং মানসিক টর্চার করেন।
আমার বাবা ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়, আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে ওই বছরই পাওয়ার অফ আর্টনির পেপার পাঠানো হয়। দির্ঘ ৮ বছর পর ক্ষতিপূরন বাবদ যে টাকা আমার পরিবারের কাছে আসে ওই টাকা সম্পর্ন বৈধ উপায়ে কুষ্টিয়া প্রবাসী কল্যান সেন্টার থেকে বৈধ সব ধরনের প্রয়জনীয় কাগজ জমা দেওয়ার পরও আমার পরিবার এবং আমাকে বিভিন্ন উপায়ে হেনস্তা করা হয় এবং ঘুষ ছাড়া কাগজ ছাড়বে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। কুষ্টিয়া প্রবাসী কল্যান সেন্টারের সহকারী পরিচালকঃ — আমার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করে। আমি এই অন্যায়ের সুষ্ট ও নিরপেক্ষ বিচার দাবি করছি যে আর কোন ভিক্টিমের পরিবারের সাথে এই ধরনের অন্যায় না হয়।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য সেখানে আবেদন করেছিলাম পরীক্ষায় পাশ করেছিলাম কিন্তু প্রথমবার আমাকে ফেল করে দেওয়া হয়। পরে দালালের মাধ্যমে কন্টাক করে ১০০০০ টাকা দিয়ে আমাকে সেই ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হয়েছে। এটা খাগড়াছড়ি বিআরটিএ
প্রতি লক্ষ টাকায় ১ হাজার টাকা দিতে হবে। এটা বাধ্যতামুলক। এটাকে বলে others fee. কেউ এটার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস নাই। মনে করেন আপনি জমি কিনছেন ১ কোটি টাকা দিতে আপনাকে প্রতি লাখে ১ হাজার করে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে দিতে হবে।
10 শতাংশ জমি রেজিষ্টেশন করতে সাভার ভুমি অফিসে 300000 টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে... অথচ আমার রেজিষ্টেশন ফি... তার চার ভাগের একভাগ...
পাসপোর্ট এর আবেদনের পর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য একদিন কল আসে দেখা করার জন্য, দেখা করার পর বলে জানতে চায় কেন পাসপোর্ট করছি ইত্যাদি। সবকিছু বলার পর চা পানির খরচ চায়, ৫০০ দিলে বলে হবে নাহ্। পরে বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিতে হয়। এর কমে হবে না বলে।
আমি ইংল্যান্ড এ একটি ছোট পার্সেল দিচ্ছিলাম, তখন সব কিছু ঠিক থাকার পরেও পোস্ট অফিস এর একজন কর্মচারী — (গাজিপুর-১৭০০) যে কিনা পার্সেল প্যাকিং করে সে জাস্ট আমর পার্সেল এ তাদের ডকুমেন্ট গ্লু করেছে এই কাজের জন্য সে জোর করে আমার থেকে ৪০০tk নিয়ে গিয়েছে, এইটা নাকি তাদের প্রাপ্য তা বলে নিয়েছে, ওইটাই আমরা লাইফ এ প্রথম পোস্ট অফিস এ ডেলিভারি
কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদ বর্তমান সচিব প্রটি প্রত্যয়ন পত্র এর ১৫০ টাকা দাবি করেন অথচ এগুলো বিনামূল্যে পাওয়ার কথা। আমার কাছ থেকে ৪ টি প্রত্যয়ন পত্র এর জন্য মোট ৬০০ টাকা নিয়েছেন। শুধু আমার কাছ থেকে নয়, সকল সেবা গ্রহীতার কাছ থেকেই তিনি প্রতিটি প্রত্যয়ন পত্র এর জন্য ১৫০ টাকা করে না। টাকা না দিলে প্রতয়ন পত্র দেন না। তাছাড়া তিনি প্রতিটি জন্মনিবন্ধন এর জন্য ২০০ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে জন্মনিবন্ধন করে দেন না।
নতুন পাসপোর্ট করতে বিগত ১৪ মে, ২০২৬ আমি সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই, সেখানকার কর্তব্যরত আনসার আমার থেকে ৫০০/- টাকা দাবি করে। তার ভাষ্যমতে, ৫০০/- না দিলে ফাইল ঠিক টাইমে প্রসেসিং হবে না। যথাযথ সময়ের থেকে দেরী হবে। পরবর্তীতে আমি আমার পরিচিত এক ভাই যিনি পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত তার থেকে নিশ্চিত হই যে, ঐ আনসার সদস্য ঘুষ দাবি করেছে এবং টাকার সাথে ফাইল প্রসেসিং এর কোনো সম্পর্ক নেই।
আমার দাদা মৃত্যু শয্যায় ছিলো। ঢাকা মেডিকেলে আইসিইউ বেড এর জন্য ৩৫ হাজার টাকা দাবী করে। না দিলে রোগী নিয়ে যেতে বলে। বাধ্য হয়ে রোগী বাঁচাতে টাকা পরিশোধ করি। পরে আইসিইউতে যেয়ে দেখি ৫ টি বেড খালি, অথচ বাহিরে বলছে বেড নাই। এমনকি নরমাল ওয়ার্ডে বেড পাইতে ৪০০ টাকা দেয়া লাগছে ওয়ার্ড বয় কে।
আমি যখন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সরজমিন তদন্তের ব্যাপারে কথা বলতে যাই তখন তারা আমাকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ প্রদানের জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ইঙ্গিত করেন। অফিসটি হচ্ছে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস। আমি টাকা প্রদান না করাই আমার সেই তদন্ত প্রতিবেদন এখনো পর্যন্ত উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠানো হয় নাই এবং আমার লিজ নবায়ন হয়নি।
জি,যথাযথ কাগজ নিয়ে গেলেও বলে আপনার কাগজে ঝামেলা আছে পরে আসুন,, কিছুক্ষণ পর দালালকে ১৫০০টাকা দিলে,, আর ঝামেলা না দেখিয়ে ফাইল রিসিব করে,, এবং কাজ সম্পাদন হয়,,, মোবাইল —
না দিলে করে দিবে না দেখে দিতে হয়ছে। যদিও ফরম submission এর সময়ও অনেক ঝামেলা করছিলো টাকা খাওয়ার জন্য ।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন