ভূমি জরিপ
ভোলা সদর উপজেলা, ১নং রাজাপুর ইউনিয়ন, কন্দকপুর মৌজায় ভূমি জরিপ চলমান, সেখানে একর প্রতি ৫০০০০ টাকা ষুষ লেনদেন হচ্ছে, —, মোবাইল :—
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভোলা সদর উপজেলা, ১নং রাজাপুর ইউনিয়ন, কন্দকপুর মৌজায় ভূমি জরিপ চলমান, সেখানে একর প্রতি ৫০০০০ টাকা ষুষ লেনদেন হচ্ছে, —, মোবাইল :—
বোয়েসেলের মাধ্যমে সিজনাল শ্রমিক হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার জন্য সরকারি এজেন্সি বোয়েসেল নিয়োগ সার্কুলার দেয়। কিন্তু নিয়োগকর্তা তথা যারা ইন্টারভিউ নিয়ে সিলেক্ট করবে তারা ফোন দিয়ে ২৫০০০০ টাকা দাবি করে সিলেক্ট করার জন্য
nijer legal jomi kharij korar jonno era tk chara diccilo na...1st 10k, then 30k tk niye then kore diche.
সরকারি চাকররি বেতন চালু করতে চা নাস্তার খরচ বলে ২০০০ টাকা নিয়েছিলো না হয় কাজের অগ্রগতি করবে না বলেছিলো। প্রতি টিএ বিলে ৫% এবং শ্রান্তি বিনোদন ভাতায় ৫% নেওয়া হয়েছে। না হয় বিল আটকিয়ে রেখেছিলো। এসব কাজ এখনো চলমান
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন সনদ দুই বছর আগে ( —ের জমানায়) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন হতে গ্রহণ করেছিলাম। পাসপোর্ট অফিসে এটি দাখিল করা হলে সেটি প্রত্যাখান করে। কারণ সনদটি পাসপোর্ট অফিসের সারভারের সাথে কানেক্টেড নয়। ফলে অন লাইনে সনদটি দৃশ্যমান নয়। যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট শাখা জানায়, " আরো সময় লাগবে। এ কারণে আমার ছেলের পাসপোর্ট করা সম্ভব হয় নি। মাস খানেক পূর্বে সিটি করপোরেশন একজন মশক নিধন কর্মী জানায় ২০০০ টাকা দিলে সে অন লাইন সনদ এনে দিতে পারবে। বাধ্য হয়ে আমি তাকে ২০০০ টাকা দিই। এক সপ্তাহ পর সে আমাকে অন লাইন সনদ বাসায় পৌঁছে দেয়। র
আমাদের পাঁচ জনের বদলী জনিত কারণে এক স্টেশন হতে অন্য স্টেশনে গমনের প্রাক্কালে ভ্রমণ ভাতা হিসেবে দাবি করা হয় ১,০৩,৩৫৭. ০০ টাকা। নিয়ম মোতাবেক ভ্রমণ বিলটি সঠিক এবং আমরা প্রাপ্য। কিন্তু এই বিলটি পাস করার জন্য এফসি আর্মি পে-২ এর অডিটর আমাদের কাছ থেকে ১৫% হিসেবে ঘুষ দাবি করে। আমরা ঘুষ দেওয়ার পরে কথা প্রকাশ করায় সে আমাদের বিলটি পাশ করছে না। ১৫০০০/- টাকা ঘুষ দিলে বিলটি পাস করবে।
ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আমার বাবার একটা কাজের জন্য এও — স্যারের শরনাপন্ন হই ।তিনি আমার বাবার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে কাজটি সম্পাদন করিয়ে দিতে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ চেয়েছে ।আমি হতবাক তাহার এ প্রস্তাবে ।আমি বলেছি ২০ হাজার টাকা হলে আমার জন্য ভালো এর বেশি দেওয়া সম্ভব না ।পক্ষান্তরে তিনি বললেন এটা কি মাছের বাজার পেয়েছেন যে দর কষাকষি করছেন ।টাকা দিতে পারলে কাজ হবে নতুবা হবে না ।এমতাবস্থায় আমি কি করতে পারি ।
একটি ভ্যাট নিবন্ধন বন্ধ করার জন্য ৬-৭ মাস আগে দরখাস্থ করা হয়েছে । এই ঘুষ না দেয়ার কারনে বন্ধ করা হয় নাই এখন পর্যন্ত । যার কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই নাই এখন, সে ভ্যাট দিবে আর কি ?
ইটিন সার্টিফিকেট খুলতে পারছিলাম না । অনেক অভিজ্ঞ মানুষের দিয়েও চেষ্টা করেছি খুলতে পারি নাই এদিকে আমার রিটার্ন দাখিল করতে হবে এই জন্য কর অফিসে যাই এবং সেখানে এটা সংশোধন চাইলে তারা ৮০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ৫০০ টাকা দিয়ে সম্পন্ন করি ।
লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসের পাশে একটি দোকানের সাথে অফিসের লোকদের চুক্তি ছিল, যে সমস্ত লোক ওই দোকান বাদে অন্য কোথা থেকে অথবা নিজে নিজে পাসপোর্ট এর এপ্লাই করে কাগজপত্র নিয়ে আসতো তাদেরকে বিভিন্ন অজুহাতে ফেরত পাঠিয়ে দিত, আমাকে একবার ফেরত পাঠানো হয়েছে পরবর্তীতে আমি আবার একা একাই এপ্লাই করেছি, তখনো বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়েছে বলেছে আপনার এটা ভুল ওইটা ভুল, অথচ কিছু ভুল হলে উনারা সহজেই ঠিক করে দিতে পারেন, তারপর একজন আমাকে একটি রুমে ডেকে নিয়ে যায় এবং বলে হুজুর চা খাওয়ার জন্য কিছু দেয়া লাগবে তাহলে আমরা করে দিতে পারব, তখন তিনি ১ হাজার টাকা দাবি করে আমি 500 টাকা দিয়ে কাজটা করিয়েছিলাম।
নতুন সিটিতে হোল্ডিং ট্যাক্স এর ট্যাক্স পরিশোধ বাবদ ৮০০০ টাকা নিয়েছে
আমাদের প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালে কারখানা লাইসেন্সের জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর বিরাবর আবেদন করে। কিন্তু বিভিন্নসময় বিভিন্ন অজুহাতে লাইসেন্স প্রদান করা হয়না, যদিও সব কাগজপত্র সঠিক ছিলো। অবশেষে ২০২৫ সালে লাইসেন্স দেয়ার জন্য অফিস খরচ হিসেবে / গিফট হিসেবে ২০,০০০ টাকা চায়। যার মধ্যে আমি ১৫০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই এবং পরিপ্রেক্ষিতে কোনো রকম যাচাই বাছাই ছাড়ায় আমার উক্ত প্রতিষ্ঠান বরাবর কারখানা লাইসেন্স প্রদান করা হয়। এখন আবার নবায়নের সময়ও সেইম ঝামেলা করতেছে....
মূলত দায়িত্বরত ব্যক্তি কিছু বলেন না, এমনকি টাকার এমাউন্টও ফিক্সড না। পিয়ন শুধু বলে 'কিছু দেন'। তখন ২০০/ ৪০০ টাকা দিলে সেটা দায়িত্বরত ব্যাক্তির ড্রয়ারে পিয়ন রেখে দেয়।
১১ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে লাইসেন্স করতে সক্ষম হয়েছি
আমি 2008 সালে মোটরসাইকেল drivingলাইসেন্স গ্রহণ করি। 2018 সালে মেয়াদ শেষ হয়। বনবিভাগে চাকরির সুবাদে দূরে দূরে থাকায় আর নবায়ন করতে পারিনি। পরে 2024 সালে নবায়নের উদ্দ্যোগ নিয়ে আমাকে জানায় নতুন লাইসেন্স নিতে হবে। আমি আবেদন করে লিখিত এবং ভাইভায় একবারেই পাস করি। সমস্যা বাজে ফিল্ড টেস্ট নিয়ে। ছয় মাসে ৩ বারফিল্ড টেস্ট দিয়েও পাস করতে পারিনি। আসলে আমার Pulsar মোটরসাইকেল। পরে অফিসে যোগাযোগ করা হলে 4000/- টাকা দাবী করে। টাকা দেবার পর আমার আর পরীক্ষাও দিতে হয়নি। শুধু সকালে গিয়ে বায়োমেট্রিকদিয়ে এসেছি। রাতে দেখি আমি পাস। ৫ দিন পরে আমি সরকারি ফি জমা দিয়ে লাইসেন্সের অনলাইন কপি গ্রহণ করি। হায়রে আমার বাংলাদেশ ! ৫৫ বছরে এসেও ঘুষ দিতে হলো।আমি 1991 সাল থেকে মোটরসাইকেল চালাই।।
পাসপোর্ট রিনিউ করার সময়। কারণ ২০২২ সালের নভেম্বরে আমার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর কেটে যায় ৪ বছর এ মাসে রিনিউ করতে গেলে আমার আগের পাসপোর্ট এর কোনো তথ্য সরকারের সার্ভারে শো করছে না। তারপর আমার কাছে বাড়তি টাকা নেওয়া ৩য় পক্ষের মাধ্যমে।
১০ % হারে বকেয়া বেতন সহ যাবতীয় টাকা উওোলনের সময় কত্ননকরে রাখা হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিস
আমার আম্মুর জন্ম সাল ভুল ছিল।যেটা আমার বড় বোনের থেকেও কম। আম্মুর পাসপোর্ট করতে গিয়ে এটা সংশোধন করা অনেক জরুরি হয়ে গিয়েছিল। আমার বোন আমাকে বাইরে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। এক বছর অনেক চেষ্টা করেও আমি পারিনি। পরের 85 হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করিয়েছি।
ফ্ল্যাট মিউটেশন করতে ১১৭০টাকা সরকারি অফিসে জমা দিতে হয়। আমার কাছে 45000 চাইছিল।
It was the honorium for taking class at Nursing institution (Rangamati Govt Nursing Institute) of Rangamati. The AG office always took 10% of the honorium.