প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ১২ লক্ষ টাকার মাধ্যমে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ১২ লক্ষ টাকার মাধ্যমে হয়েছে।
কোর্টে মামলা করেছি। থানায় তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা ১৫ হাজার টাকা দাবি করছে। টাকা দেইনি হলে ছয় মাস যাবত প্রতিবেদন আটকে রাখছে।
বি ,এস, টি, আই লাইসেন্স নবায়নে আর প্রতি বছর ঈদের আগে এসে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে । এদের বাচ্চা প্রতিবন্ধী হোক ।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ নোয়াখালী হাউজিং স্টেটের জমির মালিকানা হস্তান্তরের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস্টেট কে অর্থ ঘুস প্রদান করতে হয়।
প্রতি বৎসর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। এবার ও ৩০০০০/= টাকা ঘুষ দিয়ে নবায়ন করতে বাধ্য হয়েছি। এবার গত বারের চেয়ে ঘুষের পরিমান বৃদ্ধি হয়েছে।
জমি নামজারি করার জন্য আবেদন করিচি, আমার কাচে ৭০০০ হাজার টাকা চাইচে নামজারির জন্য, তাই আমি নাম জারি করি নি।
শেরে বাংলা নগর চক্ষু বিজ্ঞান হসপিটাল রোগীদের প্রচুর হয়রানি করা হয় মিনিমাম ডাক্তার দেখানোর জন্য ব্যবস্থাপত্র রেফার করার জন্য দিনকে দিন ঘুরাঘুরি করতে হয় বিশেষ করে এখানে কর্তব্যরত ডিউটি ওয়ার্ড বয় ANSAER খুবই খারাপ এবং আনসার দিন অবস্থার সম্ভাবনা সিস্টেমের কোন দরকার নেই যা ইচ্ছা তাই করা হয় দেশের সিনিয়র সিটিজেনের কেদিনের পর দিন হয়রানি করা হয়. আমি প্রায় আমার মায়ের চোখের ছানি অপারেশন অপারেশন যেন অপারেশনের ডেট নেই তারপরও বারবার ডেট পিছিয়ে দেওয়া হয় এবং অপারেশন শেষে আনসার & ওয়ার্ড বয় 100+ 100 টাকা দাবি করে. PORE AMI DITE BADDO HOI
বিভিন্ন অজুহাত, ছবি মিলছে না, এনআইডি বানান পাসপোর্টের বানান ক্যাপিটাল আলাদ, মোহাম্মদ মো: লিখলে সার্বারে নেবে না ইত্যাদি, অপিসাররে বললে বললো দেখছি আর দেখে না।
কলকারখানার লাইসেন্স বাৎসরিক নবায়ন। গত বৎসর ঘুষ লাগছে ৫০০০।= টাকা। এবার দিতে হয়েছে ২০০০০।= টাকা। বিভিন্ন অজুহাতে মাসের পর মাস ঘুরাতে থাকে। পরে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি । নবায়ন কপি ও পেয়ে গেছি। গত বৎসর থেকে ৪ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে ঘুষের পরিমান। ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে আরও অনেক বেশী টাকা দেয়া হয়েছে। সাথে ৬ মাস ঘুরিয়েছে। এই হলো বর্তমান অবস্থা।
আমার দুলাভাইয়ের নামজারির জন্য ভাঙ্গুরা পৌর ভূমি অফিস থেকে ফোন দেয়। তারা বলল আমাদের কাছে নাম জারির আবেদন এসেছে আপনারা কালকে আসেন তো আমি পরের দিন গেলাম। নায়েব আমার থেকে দলিল এবং অন্যান্য কাগজের ফটোকপি গুলা চাইল, আমি তাকে দিলাম তারপরে সে বলতেছে আপনার এই নামজারি কাজ করতে হবে সেটার খরচ দরকার সেই খরচ পাতি গুলো দেন, আমি করে দিচ্ছি। আমি বললাম সরকারি কাজে আবার খরচ পাতি কেন? পরে সে বলল তাহলে আবেদন বাতিল করে দিব। আমি তাকে এক হাজার টাকা দিলাম সে বলল ২ হাজার টাকা দিতে হবে তারপর আমি তাকে ১৫০০ টাকা দিলাম।
ঘুস না দিলে সরকারী পিপি হাযিরা নেয় না। আমি বাদি পক্ষ।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানায় জিডি করতে সবার থেকে থানার ভিতরেই ওপেনলি ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়। আমার এসএসসি সার্টিফিকেট হরিয়ে যাওয়াতে জিডি করতে গেসিলাম কয়েকদিন আগে, আমার সামনে থেকে ৫ জনের থেকে টাকা নিচে, আমার থেকেও চেয়ে বসছে। আমি টাকা দি নাই, কিন্তু অফিসের ইনচার্জ কে ও বলার সাহস হয় নাই কারণ হয়তো এই টাকার ভাগ সবার পকেটেই যায় যার কারণে অপেনলি নেওয়া হয়।
জমি রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত
নোয়াখালী হাউসিং এস্টেট (দ্বিতীয় পর্যায়ে) জমির কেনার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এস্টেট), চট্টগ্রাম হাউসিং স্টেট, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তরের অনুমতি, নামজারীর অনাপত্তি প্রদানের জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। পরবর্তীতে বিল্ডিংয়ের প্লেন পাশের জন্যও ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে।
২০২৫ সালে সহকারী অধ্যাপক পদোন্নতির পর পোস্টিং এর অপেক্ষায় থাকার পর একসময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে আন অফিসিয়ালি জানানো হয়, আপাতত কোন স্বাভাবিক পদায়ন হবে না। পরে এক সিন্ডিকেটের সন্ধান পাওয়া যায় যেটা থেকে প্রায় ১৫-২০ লক্ষ টাকা দাবি করে, কার্য সম্পাদনের দ্রুততার উপর বেইস করে। মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা। ইনটেরিমের সময় পদায়নের জন্য অটোমেশন সিস্টেম চালু করা হয়েছিলো যা বর্তমানে অকার্যকর।এটি পূনরায় চালু করার দাবি জানাই।
আমি একটি NID সংশোধন কাজে গেছিলাম যেটা আমার জন্য খুব জরুরি,তারা যখন বুঝতে পারলো যে বিষয়টা জরুরি তখন ৪৫০ টাকার কাজ ৪০০০ টাকা চাচ্ছে 😡। এতো দুর্নীতি হলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?
আমার মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন ছিলো না ট্রাফিক সাজেন্ট না*মু* গাড়ি টা ধরছে। ধরে বলে লাইসেন্স নাই কেনো। তার পর বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে মামল্ হবে তোর ৫ বছর জেল হবে। হয় ১৫০০০ হাজার টাকা দিবি না জেলে যাবি। সেই ভয়ে কুত্তার বাচ্চাকে পনেরো হাজার টাকা দিয়েছিলাম
পুরানো মামলার সইমোহর তুলতে
ঢাকা মিরপুর বিআরটিএ তে আমার একটি কাভার্ড ভ্যান পিকআপ গাড়ির সরকারের কাছে জমা নথিগুলো পাওয়া যাচ্ছিল না। এজন্য আমার গাড়ির মালিকানা বদলি হচ্ছিল না। পরবর্তীতে ঘুষের বিনিময়ে গাড়ি মালিকানা বদলি করতে সক্ষম হই । এতে আমি ঘুষ দিতে বাধ্য ছিলাম বিগত ছয় বছর যাবত আমার মালিকানা বদলি হচ্ছিল না। সিলেট এবং ঢাকা দৌরিতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছিলাম পরবর্তীতে আমি ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হই
কিটনাশক আমদানীতে প্রতি ফাইলে ৪০০০+৪০০০ টাকা দিতে হয় RO+Aro এবং প্রতিটা ফাইলে একটা টাকা দেওয়া বাদ্ধতামুলক