পুলিশ সার্ভিস
বিয়ে বাড়িতে রাতে গান বাজানোয় স্পিকার এর এম মেশিন নিয়া গেছে থানায়। পড়ে ৫০০০ টাকা দাবি করছে এক এস আই। ছোটলোক অফিসার টাকে ২৫০০ টাকা দিয়ে পড়ে ছাড়ায়া এনেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিয়ে বাড়িতে রাতে গান বাজানোয় স্পিকার এর এম মেশিন নিয়া গেছে থানায়। পড়ে ৫০০০ টাকা দাবি করছে এক এস আই। ছোটলোক অফিসার টাকে ২৫০০ টাকা দিয়ে পড়ে ছাড়ায়া এনেছি।
আমি জেএসসি সার্টিফিকেট নাম সংশোধনের পর তা উত্তোলনের জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি বুথে যাই। নিয়ম হচ্চে পুরোনো বা ভুল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে নতুন টা নিতে হবে। যেহেতু আমাদের জেএসসি অটোপাস ছিল তাই স্কুল থেকে আমাদের সার্টিফিকেট দেয়নি। দায়িত্ব প্রপ্ত কর্মকর্তা প্রথমে আমাকে পাশে দাঁড়াতে বলেন, অনেক্ষণ চলে যাওয়ার পর আমাকে সেখানে যান তার সাইন নেন স্কুলে গিয়ে কথা বলেন এসব বলেন। আমার বাবা 500 টাকার একটা নোট বের করার পর তার সকল সমস্যা আর নিয়ম শেষ হয়।
আমি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি তে পাসপোর্ট এর জন্য নিজে নিজে আবেদন করি , তখনও পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন চালু ছিলো। আমাকে নবীনগর থানা থেকে কল করা হয় , আমিও সেখানে যাই। যাওয়ার সব আমার সব তথ্য উনারা মৌখিক ভাবে কাগজের সাথে মিলিয়ে যাচাই করেন এবং এর পরেই ১০০০ টাকা দাবি করে বসেন খরচ বাবদ । তখন আমি না বুঝার ভান করে কিছু প্রশ্ন করি কিন্তু সেই কর্মরত এস আই বলেন যে এইগুলা দিতে হয় , সরকার থেকে নাকি এই খাতা কলম এর খরচ দেওয়া হয় না , উনারা এইটা নিজ পকেট থেকে করেন । যেহেতু আমার পাসপোর্ট জরুরি ছিলো তাই আমি আর কথা না বাড়িয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে আসি ।
সাধারণ ভ্রমণ বা বদলিজনিত ভ্রমণ ও আনুষঙ্গিকসহ সকল প্রকার বৈধ বিলে এজি অফিসকে ০৫ শতাংশ অর্থ ঘুষ দেয়া লাগে। এখনো পর্যন্ত এই প্রহসনের বিষয়ে কেউ কোন ব্যবস্থা নিতে পারে নাই। দেশের সবচেয়ে দূর্নীতিগ্রস্থ ডিপার্টমেন্ট হল হিসাবরক্ষণ অফিস কিন্তু এটি সবসময় ধরা-ছোঁয়ার বাহিরে থাকে।
নবজাতক শিশুর জন্ম নিবন্ধন রেজিষ্ট্রেশন বাদ্যতামুলক করেছে সরকার - এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করতে আবেদন সম্পন্ন করি যার জন্য কোন চার্জ নেই - ইউনিয়ন পরিষদে উত্যোলন করতে গেলে নগদ ১০০ টাকা চার্জ হিসেবে দাবী করে - টাকা ছাড়া ফর্ম দিতে অসম্মতি জানায়। এবং সিন্ডিকেট সিস্টেমে সাইনের জন্য ২/৩ দিন না গেলে কাজ সম্পন্ন হয়না, একজন থাকলে আরেকজন থাকেনা! আমার মতে - সরকারি সকল সেবা গুলোর চার্জ - নগদ অর্থ গ্রহনের সিস্টেম পরিবর্তন জরুরী।
বি আর টি এ তে সিস্টেম করে রাখছে, নরমাল ভাবে পাশ করাইনা। পরিক্ষা দিয়ে অফিসে গিয়ে ঘুষ দিলে পাশ করাই দেয়।
জরীপের সময় ইচ্ছামুলক ভাবে জসি কম দেখানো হয়। এটা পরে ঠিক করে দিবে বলে টাকা চায়। টাকার ভাগ কানুনগো,সার্ভেয়ার,সেটেলমেন্ট অফিসার,ইউনো সবার নিকট যাবে,তাই বেশি।
একটা কাগজ তুলতে গেলে তারা বেশি দাবী করে
ডিজি শিপিং এর ঘুষখোর পিয়নকে ৩০০-৫০০ টাকা না দিলে সে সহযে ফাইল খুঁজে পায়না। টাকা না দিলে সহজে ফাইল সে বের করেনা, ফলে একদিনের কাজের জন্য ৩/৪ দিন ঘোরা লাগে।
পৌরসভা ড্রয়িং পাস. করতে Engr ৬০০০ টাকা চেয়েছিলো।
আসসালামু আলাইকুম।আমি তখন যাএাবাড়ি মোর পাড় হচ্ছিলাম। আমার বাইকের কাগজের মেয়াদ ৭ দিন বেশি হয়ে গিয়েছিলো। সার্জেন্ট মামলা না দিয়ে আমাকে বলেছে বাসের চিপায় গিয়ে ১০০০ টাকা নিয়ে আসেন ১০০০ টাকা বের করে তার হাতে দেই সে পকেটে ভরে ফেলে।এবং আমাকে ছেড়ে দেয়। সে কিন্তু টাকাটা রাষ্ট্র খাতে জমা দিতে পারতো কিন্তু সে দিল না
ঘুষ ছাড়া কাজ করতে গেলে এপ্লিকেশন জমা দেয়া যায়না। সিনিয়র কারো রেফারেন্স এ জমা দিতে গেলে পেচ লাগার সম্ভাবনা থাকে। সবার সামনেই ঘুষ নেয়া হয়। এইটা ওখানকার রেওয়াজ হয়ে গেছে
Delivered time 200 tk chaise
সব কিছু ঠিকঠাক ছিলো, বাইকের ডকুমেন্টস নিয়ে বের হতে ভুলে গেছিলাম। ফোনে ছবি দেখালাম তাতেও নাকি হবে না। গাড়ি টু হবে বলে ২৫০০ টাকা হাতিয়ে নিলো
আমি আমার জমি নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম। সাব-রেজিস্ট্রার অকারণে ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। আমার কাছে সমস্ত কাগজপত্র হালনাগাদ আছে। কিছু প্রভাবশালী মন্ত্রীর সাথে তার যোগাযোগ আছে। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত তার ২১টি অ্যাপার্টমেন্ট এবং অজ্ঞাত পরিমাণ জমি রয়েছে। অনুগ্রহ করে তদন্তের জন্য ডিইউডিইউকে-কে অনুরোধ করুন।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ রিক্রুটিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য গেলে ঘুষ দাবি করা হয় এবং মন্ত্রণালয় উভয়েই ঘুষ দাবি করে, কোন প্রকার ফাইল ছাড়তে চায় না, রকারি ফি আমি পরিশোধ করেছি তার পরেও পিয়ন হতে শুরু করে সচিব পর্যন্ত সবাই ঘুষ ছাড়া কেউ ফাইল ছাড়েনা। অথচ লাইসেন্স নবায়নটা আমার ন্যায্য অধিকার।
Meter reading besi tai besi kore deya lagbe.
BAJUS - বাজুস)-এর সদস্যপদ নেওয়া বাধ্যতামূলক আমার করা নাই তাই ২০০০ দিতে হয়েছে তা না হলে লাইসেন্স দিবে না, তাই টাকা দিতে হয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিজে নিজে আবেদন করায় সব কিছু সঠিকভাবে পারার পরও আমাকে ফেইল বা অকৃতকার্য করিয়ে দেয়া হয়। পরে দালালের সহায়তায় পাশ করি প্রায় ৬৫০০ টাকা বাড়তি দিয়ে
আমি ১১ নং গজনাইপুর ইউ পিতে গিয়েছিলাম ট্রেড লাইসেন্স করতে ওনারা বলতেছেন ২২০০ টাকা দিতে হবে। কেন জনগন সব সময় ই ভোগান্তি পোহাতে হবে।