নামজারী
২ বছর আগে ৬ ডেসিমেল একটি জায়গা কিনি সিটি কর্পোরেশন এর বাহিরে। এর নামজারী করার জন্য ঐখানের ভূমি অফিসে গেলে, অফিসের কর্মকর্তা ৪০০০০ (চল্লিশ হাজার টাকা) ঘুষ চায় নামজারী করার জন্য। টাকা দেয়নি তাই আজও নামজারী হয় নি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২ বছর আগে ৬ ডেসিমেল একটি জায়গা কিনি সিটি কর্পোরেশন এর বাহিরে। এর নামজারী করার জন্য ঐখানের ভূমি অফিসে গেলে, অফিসের কর্মকর্তা ৪০০০০ (চল্লিশ হাজার টাকা) ঘুষ চায় নামজারী করার জন্য। টাকা দেয়নি তাই আজও নামজারী হয় নি।
কিশোরগঞ্জ ডিসি অফিস এ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় এইসব কাজ সম্পন্ন করা হয় বছরের পর বছর । যখনি সরকার কোনো প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ করে তখনি তা ডিসি অফিসের আওতাধীন সকল কাজ সম্পন্ন করা হয়। আর এই সুযোগে প্রত্যেক জমির মালিকের কাছে থেকে অফিস এর বিভিন্ন অফিসার রা সরকারি ভ্যাট এর বাহিরে অতিরিক্ত ৬/৭% টাকা দাবি করে। এই দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করার পর টাকা তোলার সুযোগ হয় । আমার থেকে প্রায় ২০০০০০ (লক্ষ) টাকা আদায় করে তারপর চেক পাস করিয়েছে । অফিস এর সার্ভেয়ার, ডিসি মহোদয়, এমনকি তাদের সাথে আরো ৫/৬ জনের যোগ রয়েছে। যারা পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে । এমনকি চেক অনলাইনে সত্যায়িত করে যিনি উনাকেও ৭০০০ টাকা দিতে হয়েছে। আর এটা প্রত্যেকের সাথে হচ্ছে। এখনো এইসব কাজ চলমান রয়েছে। কিশোরগঞ্জ ডিসি অফিস।
কলেজে নির্ধারিত প্র্যাকটিক্যাল এর সময় অতিক্রম হওয়ার জন্য আমি আবেদন করেছিলাম পরবর্তীতে প্র্যাকটিক্যাল অংশগ্রহণ করা যায় কিনা সেই সময় কলেজের একজন সহকারী আমাকে ১০০ টাকার বিনিময়ে আমার কাজটা করে দিয়েছিল।
মটর ছাড়ার পর বারবার ফেইস পড়ে যাচ্ছিল, DPDC বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে তারা KV বাড়াতে বলে, এটা বাড়াতে সে বিকাশে টাকা বকশিশ চায়। 1000 টাকা দেয়ার পর তাৎক্ষণিক KV বৃদ্ধি করে দেয়।
After I got selected in govt job, the police clearance was a big trouble. No FIR or case record in my history. এভরিথিং ক্লিয়ার ছিল তারপরও তারা বিভিন্ন বাহানা দেখাচ্ছে আমাকে এবং আমার বোনকে নবীনগর থানায় ডেকে নিয়ে যায়। নিয়ে বিভিন্নভাবে বুঝানোর চেষ্টা করে যে কিছু খরচ দিতে হবে এবং এটা অনেকটা বাধ্যতামূলক। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পাঁচ হাজার টাকা দেয়া হলেও পরে সাব-ইন্সপেক্টর যিনি আমার বাড়িতে গিয়ে তদন্ত করেছিলেন তিনি পরে আবার আপত্তি করেন উনাকে কেন টাকা দেওয়া হলো না। পরে অনেকটা বাধ্য হয়েই আরও ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে। মোট ১০ হাজার টাকা এবং টাকাটা হাতে দেওয়ার পরে তাদের মুখে যে একটা হাসি আসে মনে হয় যে থানায় ফকিন্নি বসে আছে ভিক্ষার থালা নিয়ে।
টাঙ্গাইল সদর ভূমি অফিসের — পিতা — সে ভুমি অফিসে নাজিরের চাকরি করে তার যে সম্পদ প্রায় এখন কোটি টাকার মত হয়ে গেছে সে আমাকে জমির খারিজ বাবদ ২০ হাজার টাকা চেয়েছে অথচ সরকারি ফি ১১৭০ টাকা
হালিশহর ওয়ার্ড অফিস বা বোর্ড অফিস ফইল্লাতলী তে নবজাতক থেকে শুরু করে অন্যান্য যেসব সরকারি টিকা যা ফ্রী তে দেয়ার কথা প্রত্যেক ভোক্তার কাছ থেকে তারা ১০০ টাকা বাধ্যতামূলক বা একরকম জোর করে নেয়। টাকা না দিলে খারাপ আচরণ করে। তারা যদি একজন এর কাছ থেকে এভাবে ৫০/১০০ টাকা নেয় প্রতিদিন ২০০ মানুষ টিকা নিলে কি পরিমাণ অর্থ তারা মানুষের কাছ থেকে আদায় করছে সত্যিই অবাক করা একটা বিষয়। নবজাতক এর টিকা নিয়েও বাণিজ্য এটা কেবল বাংলাদেশে ই সম্ভব
নাম জারি করতে দিছিলাম
পারিবারিক সনদ, ৬০০ টাকা বাকিটা ওনাদের চায়ের খরচ
প্রত্যেকটা ফাইলের জন্য বাহিরের দালালের মাধ্যমে ঘুষ দিতে হয়। তাদের ১টা সিক্রেট কোড় আছে ওইটা ফাইলের মাঝে দেওয়া হয়। ফাইলের মাঝে কোড় থাকলে ফাইল কোন ঝামেলা ছাড়ায় ফিঙ্গার এর জন্য পাস করা হয়। আর কোড় না থাকলে ফাইলে এই সমস্যা ওই সমস্যা, এই রুমে যাও ওই রুমে যাও, এই ডকুমেন্ট আনো নানা রকম হ্যারেসমেন্ট।
আমি এম্পিও শিক্ষক। কাউনিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বকেয়া আবেদন অগ্রগায়ণ করতে ৩০০০ টাকা চায়। অস্বীকৃতি জানালে চরম দুর্ব্যবহার করে।
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ভূমি অফিস অফিস সহকারী নাম —। সে ঘুষ লেনদেন ছাড়া কোনো কাজই করে না। শুধু সে একা না এখানের সবাই ঘুষ খাই। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই সেখানে হয় না।আমি প্রায় এক বছর ঘুরাঘুরির পরে বিশ হাজার টাকা ঘুষ দিয়া কাজ করিয়েছি
বিদেশ থেকে পাঠানো একটি পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি ডকুমেন্ট বাংলাদেশ দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এনডোর্সমেন্ট শেষে জেলা শহরে সংশ্লিষ্ট অফিস এ জমা দিলে তা দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়। ভ্যালিডিটি ডেট শেষ হয়ে যাবে এই কারণে শেষ পর্যন্ত তা সংশ্লিষ্ট উপজেলা AC ল্যান্ড এর কাছে পাঠালে সময়মত তার সঠিকতা নিশ্চিত করে সাব রেজিস্ট্রার ও AC ল্যান্ড এর ক্লিয়ারেন্স পাঠানো হয় জেলা সদরের সংশ্লিষ্ঠ অফিস এ। এর পর বিষয়টিতে আর কোনো জটিলতা ছিলোনা। কিন্তু, জেলা অফিস এ একজন স্টাফ ২২০০০ টাকা ঘুষ চায়। যেহেতু আসল ধাপ গুলো কোনো তদবির ছাড়াই পার হয়ে এসেছিল তাই ২২০০০ টাকা ঘুষ দেয়া হবেনা বলে স্টাফ কে জানানো হয়। এরপর শুরু হয় হাইকোর্ট দেখানো। এক পর্যায়ে উপরের লেভেল এ ইমেইল, টেলিফোন ইত্যাদি করেও শেষ রক্ষা হয়নি !!
কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার মথরাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আমার খতিয়ানের খাজনার জন্য গেলে তারা এক লক্ষ দশ হাজার টাকা দাবি জানাই যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য ছিল না কারন আমার খতিয়ানের জমির শ্রেণী ধানি কিন্তু পরবর্তীতে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এর সাথে আলাদাভাবে কথা বললে তিনি পঁচিশ হাজার (২৫০০০/-) টাকায় করে দেয়ার কথা বলে তার কথা অনুযায়ী টাকা নিয়ে অফিস যাই এবং খাজনার জন্য ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ করি কিন্তু ছয় হাজার (৬০০০/-) টাকার দাখিলা পাই এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন আপনার খাজনা কমিয়ে তো দিয়েছি এতে সন্তুষ্ট থাকেন। এই বিষয়ে পরবর্তীতে কাউকে কিছু বলিনি ।
আমি আমার ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করতে তেজগাঁও ভূমি রেজিষ্ট্রেশন অফিসে গিয়েছিলাম। আমার বাসার জমির শ্রেণি ভূমি অফিসে ইটখোলা (আবাসিক) হিসেবে লিপিবদ্ধ আছে। উল্লেখ্য আমার বাসাটি মোহাম্মদপুরে এবং দীর্ঘদিন যাবত এখানে আবাসিক প্রকল্প চলমান আছে। কিন্তু ভূমি কর্মকর্তা আমার কাছে বাণিজ্যিক স্থাপনা দেখিয়ে ১ লাখ টাকা দাবি করে এবং পরবর্তীতে দলিল লেখকের মাধ্যমে তাকে ৭৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য ২ লক্ষ টাকা চায়। বলে নতুবা লাইসেন্স নবায়ন হবে না। লিমিটেড কোম্পানি হওয়ায় ট্যাক্স আসবে ৭ লক্ষ আরও ইত্যাদি কথা। ২০ দিনের মত ঘুরে কোন উপায় না পেয়ে ২ লক্ষ টাকাই প্রদান করি। তখন ২০,০০০ টাকার ট্যাক্স রশিদ দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করে দেয় আর বলে বাকীটাকা প্রশাসক,সচিবসহ সবাই পাবে।
amer jomir vumi unnoyo kor baki silo pray 50 bosor ar moto, ai tk porisod korer jonno onek boro akta amount dete hoi, onek purano kagoj hoyay amer kase tara 25000tk dabi kore, ami tk dewer por tara amer vumi unnoyon kor ar jonno dewa tk sorkori koshager a joma day
এমপিও ফাইল উপজিলা থেকে জেলায় পাঠানোর জন্য প্রতি ফাইল এ ২০০০ টাকা করে নেয়।
Bangladesh rome embassy তে অনলাইন এ appointment নেওয়া সিস্টেম চালুর একটা নির্ধারিত টাইম দেওয়া থাকলেও সময় তো খুলে না বা ডেইট গুলা আগে থেকেই রিজার্ভ থাকে পরবর্তীতে জানতে পারি, Embassy নির্ধারিত কিছু দালাল আছে তারা appointment বিক্রি করে তাই ডেইট গুলা আগে থেকেই রিজার্ভ থাকে। দালালরা ঘুষ আদায়ের মাধ্যমে appointment বিক্রি করে। বিষয়টি সত্যতা যাচাই করতে আমিও দালালদের কাছে যাই ঠিক তেমনই আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয় যা পূবে অনলাইন এ ফ্রিতে পাওয়া যেত।
আমি ১১ নং গজনাইপুর ইউ পিতে গিয়েছিলাম ট্রেড লাইসেন্স করতে ওনারা বলতেছেন ২২০০ টাকা দিতে হবে। কেন জনগন সব সময় ই ভোগান্তি পোহাতে হবে।