ছাড়পত্র
কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।
ফেইস ভেরিফাই সক্রিয় করতে গিয়ে টাকা দাবি করেছিলো।। পরে অন্য পরিচিত আরেকজন কে লাগিয়ে ১০০০/টাকা দিয়ে কোন ভাবে বুঝিয়ে দিয়ে আসলাম, অথচ এটা সরকারি ভাবে সম্পূর্ণ ফ্রি।।
বর্তমান জেলা কমান্ড্যান্ট স্যার যে কোন ব্যাংক, গুরুত্বপূর্ণ কেপিআই গার্ডে বদলীর জন্য ১৫০০০ থেকে ২৫০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করছেন। যা আগের কোন কমান্ড্যান্ট স্যার করেন নাই। এভাবে তিনি প্রতিদিন প্রায় ১০/১৫ টি বদলী করছেন টাকার বিনিময়ে।
আমি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে চাকরি করেছি বিগত ৩০ বছর, ২০০০ সাল থেকে নিয়মিত প্রতিমাসে DSP fund এ টাকা জমা রাখি। গত এপ্রিলে আমার চাকরি শেষ হয় এবং LPR শুরু হয়। একই সাথে DSP ফান্ড এর মেয়াদও শেষ হয়ে যায়। আমার মোট ৩০ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী এপ্রিলে মাসেই আমার DSP এর পুরো টাকা পাওয়ার কথা। আমার টাকা চাইতে গেলে দেওয়ার কথা থাকলেও পেনশন অফিসের এক লোক (উনি মূলত বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের লোক) আমাকে বলে হিসাব করতে সময় লাগবে। একপর্যায়ে ৩০ লক্ষ টাকার বিপরীতে ৩০ হাজার টাকা দিলে এক সপ্তাহের মধ্যে টাকার ব্যাবস্থা করে দিবে বলে।
আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ফি 530 টাকা। নবায়ন ফি ও 530 টাকা লেখা কাগজে কিন্তু সে আমার কাছ থেকে 600 টাকা নিয়েছে বলে রেট নাকি বাড়ছে এটা এখন যথাযথভাবে যুক্তি কতটুকু জানি না।
আমি যখন নিজে নিজে এ্যাপ্লিকেশন করে পাসপোর্টের ফাইল জমা দিতে যায়, আমার সকল ডকুমেন্টস চেক করার পর কোন কিছু ভুল ধরতে পারেনি, তারপর খুজে বের করলো তুমি তো স্টুডেন্ট পাসপোর্ট বানাচ্ছো তোমার স্টুডেন্ট আইডি কোথায়, আমি বললাম আপনাদের তো ওয়েসাইটে অথবা কোথায় লেখা নাই যে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড লাগে, ও বলে সোজা বলে দেয় স্টুডেন্ট আইর্ডি কার্ড ছাড়া হবে না,তার রুম থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে দরজার সামনে থাকা আনসার সদস্য রাকিব আমার ফাইল হাতে নিয়ে বলে তুমি যদি চাও আমি করিয়ে দিতে পারবো ২৫০০ টাকা লাগবে, তারপর আমাকে ২৫০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
নাম খারিজ. খাজনাদিতে যেয়ে বলে নেওয়া হবে না , আগে নাম খারিজ করতে হবে , etc.., বড় কতগুলো কাগজ দেখিয়ে দিয়ে উদাহরণ দেখান, ৫/৬ জনের signs লাগবে এবং সবাই কে টাকা দিতে হবে, জমি ঠিক রাখতে হলে আমাদের বাঁধ্য হয়ে দিতে হবে...তাই দিলাম , "উপায় নেই গোলাম হোসেন "
আমি একজন রোড এক্সিডেন্ট করা ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ঢাকা পঙ্গু হসপিটাল ( নিটোর ) এ ভর্তি ছিলাম, কিছু আইনে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমার একটি মেডিকেল সার্টিফিকেটের দরকার ছিল কিন্তু আমি যখন সেখানে আমার কাগজপত্র জমা দেই তারা আমার কাছে আনুমানিক ১৫০০ টাকা দাবি করে এবং তা নাহলে আমার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফেরত দিতে অসিকৃতি জানাই । আমি আমার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কে জানালে সে বলে সেখানে টাকা না দিলে কোন কিছুই পাওয়া যায় না। শুধু তাই নয় ঢাকা পঙ্গু হসপিটালে এইটা পদক্ষেপে ই টাকা দিতে হয় তা না হলে সেবা মেলে না যেমন স্ট্রেসার নিতে গেলে টাকা দিতে হয় অপারেশন পরবর্তী ড্রেসিং করতে হলে টাকা দিতে হয় ইমারজেন্সিতে কেবিন এবং বেড নিতে গেলে মোটা অংকের টাকা দিতে হয়।
আমি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি হিসেবে দেশের একটি স্বনামধন্য ব্র্যান্ডের ছোট একটি পণ্য রেগুলার সাপ্লাই করি। আমার সাপ্লাইকৃত পণ্যের ভ্যাট চালান ক্রেতা নিজেই বিলের সাথে সরবরাহ করে । এই চালান কপি আমি ম্যানুয়ালি গিয়ে জমা দিই মোহাম্মদপুর ভ্যাট অফিসে (লেভেল ৬)। প্রতিবারই ভ্যাট জমাকালে ভ্যাট অফিসার চা-নাস্তা বাবদ সম্মানী চায়। এছাড়া বাইরের পিয়নের কাছ থেকে সীল নিতে গেলে বাধ্যতামূলক ৫০০ টাকা দিতে হয়, নাহলে নাকি ভেতর থেকে সীল না দিতে বলা আছে এবং আমি ৩ বছর যাবত বাধ্যতামূলক দিয়ে আসছি। এছাড়া আমার অনলাইন ভ্যাট প্রোফাইল পুনরুদ্ধারের জন্য দীর্ঘ্য ৬ মাস যাবত তাদের রিকোয়েস্ট করলেও তাদের সময় নেই বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তিতে অফিস সহকারী ডেকে বলেছেন ২০০০ টাকা দিলে উনি ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড রিসেট করে দিতে পারবেন।
আমার যেহেতু টাকাটা লাগবেই, বাধ্য হয়ে ৩০ হাজার টাকা দিলাম এবং ৫ দিনের মাথায় আমার একাউন্টে টাকা চলে আসল। এই হল আমাদের দেশের অবস্থা, আমাকে আগেই আমার কলিগ যারা রিটায়ার করেছে তারা বলেছিল, ঘুষ দিলে সাথে সাথেই দিয়ে দেয় এবং না দিলে ১ বছরেরও বেশি লাগে ন্যায্য টাকা পেতে। আমি তারপরও মনে করেছিলাম, আমার প্রতিটা টাকা ঘামে ঝরানো সৎ উপার্জনের টাকা। কোন ঝামেলাই হওয়ার কথা না। কিন্তু আমিও ধরা খেলাম। শুনেছি Bangladesh Army এর সদস্যদের নাকি আরও বেশি টাকা ঘুষ দেয়া লাগে। সামনের বছরের এপ্রিলে আবার পেনশনের এককালীন টাকা পাওয়ার কথা। এইবার যে কত টাকা ঘুষ দেয়া লাগে আল্লাই মালুম। দেশে কি এই ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ হবে না?
আমি গত 20-08-2026 তারিখ পান্থাপথের রাস্তা দিয়ে বাইক নিয়ে যাচ্ছিলাম। পাশে সংযোগ সড়ক ছিলো আমি সোজা রাস্তায় যাচ্ছিলাম ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে। আমি আমার লাইন পরিবর্তন করিনি। তাছাড়া আমি যেদিক দিয়ে যাচ্ছিলাম অনেকগুলো গাড়ি সেদিক দিয়েই যাচ্ছিলো। আমাকে হঠাৎ ট্রাফিক সার্জেন ডাক দেয় । এবং গাড়ির সকল প্রয়োজনীয় কাগজ দেখাতে বলে। আমি সব দেখাই । সবকিছু ঠিক ছিলো। তিনি হঠাৎ বলে আপনি ট্রাফিক রুলস ভঙ্গ করেছেন আপনার 1200 টাকার মামলা হবে। আমি সংকিত হয়ে যাই কোন ভুল না থাকাতেও হঠাৎ ডাক দিয়ে এ কেমন কথা। সাথে সাথে পেছন থেকে এক কন্সটেবল এসে বলে আপনি স্যারকে 600 টাকা দেন নয়তো 1200 টাকার মামলা নিয়ে যান। আমি 500 টাকা দিতে চাইলেও তারা আমার কাছে একরকম জোরপূর্বক 600 টাকাই নেয়।
আমি যখন নিজে নিজে এ্যাপ্লিকেশন করে পাসপোর্টের ফাইল জমা দিতে যায়, আমার সকল ডকুমেন্টস চেক করার পর কোন কিছু ভুল ধরতে পারেনি, তারপর খুজে বের করলো তুমি তো স্টুডেন্ট পাসপোর্ট বানাচ্ছো তোমার স্টুডেন্ট আইডি কোথায়, আমি বললাম আপনাদের তো ওয়েসাইটে অথবা কোথায় লেখা নাই যে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড লাগে, ও বলে সোজা বলে দেয় স্টুডেন্ট আইর্ডি কার্ড ছাড়া হবে না,তার রুম থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে দরজার সামনে থাকা আনসার সদস্য রাকিব আমার ফাইল হাতে নিয়ে বলে তুমি যদি চাও আমি করিয়ে দিতে পারবো ২৫০০ টাকা লাগবে,তারপর আমাকে ২৫০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
আমার এনআইডি কার্ডে নামের আগে (মো:) আর সার্টিফিকেটে (মোহাম্মদ)। এইটা নাকি বড় মোহাম্মদ ছোট মোহাম্মদ !!? তাই পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে আসা ফেনী দাগনভূঁইয়া থানার এস আই ২০০০টাকা দাবি করেন। বললাম আমার কাছে ১০০০ আছে, আর নাই। তখন উনি বললো আপনে টাকা আনার ব্যবস্থা করেন। আমি নামাজটা পড়ে আসি।
For Correction birth date as per education certificates they demand this amount otherwise the mark it pending from their server.
ট্রান্সক্রিপ্ট তুলতে গিয়েছিলাম ১৪ দিন না দিয়ে ফেরত দিয়েছে। এরপর টাকা নিয়ে দিয়েছে। যদিও আমার সব কাগজ ঠিক ছিল।
They asked the money
আমার বাবার এনআইডি কার্ডের সংশোধন করতে টাকা চাওয়া হয়েছে, আমরা দিতে পারিনি। আমার বাবা একজন মাদ্রাসার শিক্ষক।
আমি ইমারজেন্সি রোগী নিয়ে মেডিকেল এ এডমিশন নেওয়া মুহূর্তে। আয়া,লিফট ম্যান,দালাল
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য এপ্লিকেশন করেছিলাম। পেমেন্ট রিকনসিলিয়েশন হওয়ার পরের স্টেপগুলো হচ্ছিল না। পরে লাকসাম থানায় যাওপর অফিসারকে ৫০০ টাকা দিতে হয়, টাকা দেয়ার পরদিনই ওসির সাইন সম্পন্ন হয়ে গেল!
কানুন গো রিমোট ও জায়গার শুনানি খরচ