জমি খারিজ করতে
মূল দলিল দিয়ে জমি খারিজ করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মূল দলিল দিয়ে জমি খারিজ করা হয়।
এই টাকা প্রতি মাসেই চায় না দিলে বিভিন্ন রকমের দাফতরিক ভয়ভীতি দেখায়।
চাকরী হতে অব্যাহতি নিয়ে অন্য চাকরীতে যোগদান করার সময় ৩০০০টাকা দাবী করে বসে হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর মহোদয় চা মিস্টি খাওয়ার জন্য। না হলে কাজ দেরী হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। টাকা দিয়ে অব্যাহতি বাবদ অফিসের সকল লেনদেন সমাপ্ত করি।
ANC কার্ড জমা দেওয়ার জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
বদলির তদবির করতে গেলে বলা হয় দুই লাখ টাকা লাগবে বদলির উদ্দেশ্যে।
আমি আমার অফিস হতে ৩০ দিন ছুটি নিয়েছিলাম। আমার অফিসিয়ালি ৩০ দিনের ছুটি পাশ করাছিল।অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও ছিল সেটা। ওই ছুটির NOC একটা শব্দে সমস্যা ছিল। ওখানকার ইমিগ্রেশন পুলিশ অফিসার(নাম: — )আমার কাছে ৫০০০/- টাকা দাবি করে(জুলাই মাসের ৩য় সপ্তাহে,২০২৬)। আমার স্ত্রী তখন তার imergency অপরেশন এর জন্য চেন্নাইতে আমার জন্য অপেক্ষা করছিল। তার সাথে আমার শাশুড়ী চেন্নাই আপোলে হসপিটালে ক্যান্সারের সাথে লড়ছিল। এমতাবস্থায় আমার টাকাদিয়ে immigration cross করা ছাড়া কোন উপায় নেই।
jomi r namjari korte partesi na barbar shudu reject kore ei kagoj sei kagoj er nam kore. Kanungo computer operator soho puro team jorito kono action neya hoy na .Ghure fire tarai . Eder aktu action neya hok kono kaj to korei na saradin khali ghuser jonno boisa thake. pore ses mes dalaler maddhome 50000 taka dabi korse . Matlab dhakkin upojela vumi office . kissu hobe na ei ghus khor der tara sara jibon beche thak .
25000/-টাকা দিলে কাজে সাহায্য করবে। তা না হলে ভূমি অফিস তপশিলির অফিস এবং সকল কাগজ পত্র দেওয়া এবং দৌড়ানো নানা হয়রানি শিকার হতে হয়
বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজ ওনার্স সার্টিফিকেট উঠাতে গেলে ১০০০ টাকা দাবি করে, যা আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসি। কিন্তু, আমার সার্টিফিকেট খুব প্রয়োজন। হয়ত বাধ্য হয়ে টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট টা আমাকে নিতে হবে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেপার দরকার ছিলো ,থানায় যাবার পরে বল্ল পাসপোর্ট এর এড্রেস চেঞ্জ করতে হবে অথবা আবার পাসপোর্ট বানাতে হবে এই ইনফরমেশন এ হবে না,পরে টাকার অফার দুয়ে ৭০০০ টাকা নিয়ে করে দিছে।
আমি বকেয়া কর পরিশোধের কোন চিঠি পাইনি। কিন্তু আমার ব্যাংক হিসেব ফ্রিজ করা হয় ও টাকা নিয়ে আসা হয় কিছু। পরে অফিসে গিয়ে শুনলাম ১৮৪ ধারায় এসেস্মেন্ট হয়েছিল ও অনেক আগের কোন অফিসার করেছিল। আমি আমার ব্যাংক হিসেব মুক্ত করার কথা বললেও উপ কর কমিশনার বলেন যে কমিশনারকে খুশি না করলে ব্যাংক জব্দ প্রত্যাহার হবে না। কমিশনার মহোদয় এর অনুমতি ছাড়া কোম্পানির ব্যাংক হিসাব খুলা যাবে না। যদিও আমার প্রতিষ্ঠানের ১৪৭ হয় এবং আমি সবসময় কমকর্তাদের খুশি করি, তারপরও আমার কোম্পানিকে প্রতিনিয়ত কমিশনার, উপ কর কমিশনার হয়রানি করে। কর অঞ্চল ১৪তে ব্যাংক হিসাব নাকি কমিশনার না চাইলে খুলা যাবেনা, যদিও এর কোন আইনি ভিত্তি নেই।
জমি রেজিস্ট্রারি জন্য সময় বিকাল ৪টা পার হয়ে গেছে বলে লেইট পাইন ১০হাজার। জমি এওয়াজ বিনিমন করলে সাবরেজিস্টার বলে কর পাকি দিছে বল ষোস চাই ১০ হাজার। দানপত্র দলিল করলে বলে কর পাকি দেওয়ার জন্য দানপত্র দলিল করছে বলে বলে ১০হাজার ইত্যাদি বানিজ্য চলছে
সরকারি ব্যাংক ড্রাপ থেকে অনেক টাকা বেশি নেওয়া হয়। এটা যে শুধু আমার সাথেই এমন হয়েছে বিষয় টা এমন না। দালালদের আলাদা কোড আছে। এপ্লাই ফর্মে যদি দালালের কোড না থাকলে তাহলে ঐ পাসপোর্ট এর আবেদন জমা নেয়। তাছাড়াও যাদের id card এর সাথে নাম কিংবা বয়স ঠিক নেই তাদের থেকে তো এমনও দেখি ১,০০,০০০/- থেকে ১,৫০,০০০/- টাকাও নিতে দেখেছি
হেলমেট ছাড়া যাওয়ার কারণে সরকারী খাতায় ফাইন না উঠিয়ে আমার কাছ থেকে রশিদ ছাড়া ১৫০০ টাকা নিয়েছে
পে-অর্ডারের ফেরত বাবদ
The land papers name are supposed to be updated to Inheritors. The official government fees itself is very low but the unofficial amount asked was 8 to 9 carores for 1 biga land in dhanmondi.
আমি ২০২৪ সালে এস এস সি পরীক্ষা দি।খুব ভালো পরিক্ষা দিবার পর রেজাল্ট হয় আমার পদার্থ বিজ্ঞান ফেল দেয় উক্ত বিষয় কোনে নাম্বার ছিলো।পরে এটা নিয়ে র্বোড যাবার পর তারা নানা ধরনে হয়রানি করে।পরে রেজাল্ট পরিবর্তন করে দিবে বলে ১লক্ষ ৫০ হাজার পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক দাবি করে আমি তাকে আমার জমানো এবং বাসায় না জানিয়ে আমার বোনদের কানের দুল দিয়ে সবমোট ১লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দি।কিন্তু আমার কাজটা করে দেয় নাই আমি এর পর ২ বার পরিক্ষা দিছি ২বার খারাপ ফেল আসলো।বোড প্রতিবাদ করা নিজের পায়ে কুরাল মারা মত
বেতন আটকে ছিলো। বেতন যেখানে তাদের মানবিক কারনে হলেও কাজ দ্রুত করে পরিশোধ করার কথা, ৭ মাসের বেতন তোলার জন্য ৫০০০/- দিতে হয়েছে। বাধ্য হয়েছি দিতে। আরও অর্থ দাবি করতে পারে। বেতন এখনো পাওয়া যায় নাই।
চাকরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজটা যদিও অফিসের নিজে থেকেই করার কথা ছিল কিন্তু করে নাই। অন্যদিকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাগজ ছাড়া চাকরি স্থায়ীকরনের আবেদন করা যায় না। তাই বাধ্য হয়ে হেড ক্লার্ককে ঘুষ দিতে হয়েছে কাগজ পাঠানোর জন্য।তারপর সিভিল সার্জন অফিসে ঘুষ না দেয়ায় কাগজপত্র হারিয়ে ফেলেছে। তিন চার মাসেও যখন ভেরিফিকেশন কাগজ স্থানীয় থানায় আসে নাই তখনে যোগাযোগ করলে টাকা দাবি করে । সেখানে ঘুষ দেয়ার পর সেটা পাঠায়। তারপর আসে পুলিশের কাছে। পুলিশ বাড়িতে না এসেই থানয় যেতে বলে এবং টাকা দাবি করে কোন কারণ ছাড়াই ১০০০০. পরে ৩০০০ দিতে বাধ্য হই।এর পর আবার সিভিল সার্জন অফিসে কাগজ আসলে আবার অনেকদিন আটকে রাখে ঘুষ না দেয়ায়।আবার ঘুষ দিলে কাগজ দিয়ে দেয়। সব মিলিয়ে ৫০০০+ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
খরচ করতে যাওয়ার পর জমির আমার কাছ থেকে কম সময়ে এবং জমির খাস না হাদিস দেওয়ার জন্য পরিশোধ করার জন্য এক্সট্রা দেড় লক্ষ টাকা চেয়েছে অনিতা পরিশোধ করেছে