পার্সপোট আবেদন
পাসর্পোট আবেদন জমা বাবদ আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে আমি পরিশোধ করি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসর্পোট আবেদন জমা বাবদ আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে আমি পরিশোধ করি
passport korar jonno fee bahire dicci
UGHS, NHMSC, Rajuk e Whatsapp e vice principal prottek class e teacher ke diye student der kase taka chay. Shorkar er protishan hoileo rajuk College jeno 25 e 25 practical e pay ejonno call kore kore baddho kore ghush nise nwwab habibullah school r uttara girls school e dibbe jonno. Nahole naki form puroner takay naki practical porikkha hobena. Echara prottek school theke 2500,3000,750,650 jon proti nie external kono porikkhok hall e ashte dey nai. Rajuk er teacher diye hall bhore felsilo. Viva ney nai. Taka camerar pisone manage kore nise churer dol. Hall er daitte kormokorta, police keo silona?
নিজে নিজে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার পর ফাইল প্রসেস না হওয়ায় অফিসে গেলে বুঝতে পারি নির্দিস্ট চ্যানেল ব্যতীত ফাইল প্রসেস হবে না।
তারা রাস্তার কথা উল্লেখ থাকলে ১/৫ভাগ টাকা দাবি করে।পিয়ন দিয়ে টাকা নেয়।মুহুরি -পিয়ন-অফিস।
আমার একটি জমির নামজারির সমস্যার জন্য ২৩/৩ ধারার সমস্যা হয়।সেই সমস্যা সমাধানের জন্য আবেদন করলে ডুমুরিয়া এসিল্যান্ড অফিস হতে ফাইল আসে শোভনা ভুমি অফিসে। শোভনা ভূমি কর্মকর্তা প্রথমে নেয় ২০০০ টাকা পরে নেয় ২০০ টাকা।এসিল্যান্ড অফিসের কর্মকর্তা নেয় ৫০০০ টাকা চুক্তি করে ফাইল পাস করে দেওয়ার জন্য এবং ফাইল পাস করিয়ে দেয়।
সরকারি চাকুরিতে জয়েন করার পর পে ফিক্সেশনের কাজ করার সময় জন প্রতি ১০০০৳ দাবি করে এবং আদায়ও করেন। কিছুদিন আগে গিয়েছি জিপিএফ একাউন্ট ওপেন করতে আবার জন প্রতি ৫০০৳ দাবি করা হয় আমাদের হাতে টাকা না থাকায় তখন জন প্রতি ৪০০৳ করে নিয়েছে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে সিটি কর্পোরেশনের হিসাব অনুযায় ২৭৫০ টাকা লাগে, আমার কাছ থেকে নিয়ে এসে ৩৫০০ টাকা, প্রথমে ২৭৫০ টাকায় দিয়েছিলাম, পরে বলে কিছু বাড়িয়ে দেন। ৪০০০ টাকা দাবি করেছিল, আমি পরে ৩৫০০ টাকা দিয়েছি
দুইবার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলাম। আমি লিখিত পরীক্ষায় খুব ভালো লিখেছিলাম, তবুও প্রথমবার ফেল করি। দ্বিতীয়বার লিখিত পরীক্ষায় পাস করলেও ভাইভায় ফেল করি। শেষে কিছু না পেরে ৪,০০০ টাকা দিয়ে পাস করিয়ে নিতে হয়েছে।
দলিলের ভুল ধরে টাকা আদায়
টাকা তুলতে গেছি টাকা তুলার পর খরচ বাবদ টাকা নিজেই কেটে নিয়েছে
Ghotona goto bochor er ami rajsahahi ttc te welding course e vorti hoisilam. surur dike valo kore koita class hoilew kichu din pore theke sir der khuje pawa jai na trade e eta sudhu oi trade ei na onno trade gular o same obosta. prothom koi din hat e dhore dhore koraito kaj kichu din pore theke sobai nijer iccha sadhin kaj kore sir ra khoj e nei na ke kaj korlo ba kar koto tuku hoilo ba kar kothai fault ache. dekhte dekhte assessment er date aslo oi din bole je 3000 kore dewa lagbe ak ak jon ke hoile pass sure korai dibe kintu eta r to kono kotha holo na course er time e sir ra kono koj nei nai abar exam time e aise taka chai. ttc te ei rokom akhon oo hoi ami eta just 1 tar kotha bollam.
ঘটনা 2022 সালের।আমি সিভিল বাট আমার ব্রাদার ইন ল এর আর্মী আইডি কার্ড ব্যবহার করে ক্যান্টনমেন্ট থেকে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি। হেল্প ডেস্ক থেকে বলা হয়েছিল আমি সিভিল হলেও পাসপোর্ট করতে পারবো কোনো সমস্যা হবে না। আমি আমার সকল কাগজ রেডি করে অফিসারের সাক্ষর আনতে যাই তখন তিনি সাক্ষর দিতে অস্বীকার করেন। পরের দিন একজন আনসার সদস্যর মাধ্যমে টাকা পেয়ে ঠিক এই সাক্ষর করে দেন।
প্রিপেইড মিটার স্থাপন করে জনৈক — নামে ব্যাক্তি বিল বেশি আসবে এমন ভয় দেখিয়ে বিকাশের মাধ্যমে ১৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে। তাকে দেওয়া ঘুষ বিকাসে দেওয়া হইছে,সেটার স্ক্রিনশর্ট আছে। — নিজেকে ডিপিডিসি বংশালের কর্মচারি বলেছে কিন্তু সে কন্টাকে মিটার স্থাপনের কাজে নিয়োজিত। আমার জানামতে প্রতি মিটার স্থাপনের জায়গায় সে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় ২,৫০,০০০/= টাকার উপরে ঘুষ নিয়েছে
Ami driving lisence ar notun gari registration korte chaichilam er jonno chaiche
আমার স্যারের আয়কর ফাইল অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়েছে,, তদন্তকারী কর্মকর্তা পক্ষে রিপোর্ট দেওয়ায় জন্য উক্ত অর্থ দাবি করে।।।
বেড ভাড়া চেয়েছিল ৩০০ টাকা
অরিজিনাল RAB 6 এর দুইজন পকেটে পোটলা ভরে দিয়ে অ্যারেস্টের ভয় দেখিয়ে 30 হাজার টাকা নিয়ে চলে গেল। পরে RAB 6 এর অফিসে অভিযোগ জানালে টাকা ফেরত দিয়েছে এবং জানিয়েছে তাদের মূল ইনকামটাই নাকি এভাবে হয়।
চ্যানেল ছাড়া কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিস নতুন এবং পুরাতন পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করে না। সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকলেও আগামীকালকে আসেন অথবা পাইলে সমস্যা আছে, খতিয়ান নিয়ে আসেন এরকম বলে ফাইল ব্যাক দেয়, চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা দিলে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে পাসপোর্ট ফাইল জমা নেয়।
হবিগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, যেটা পিটিআই রোড, হবিগঞ্জে অবস্থিত,সেখানে পেনশনের জন্য গেলে কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও একজন আমার কাছ থেকে অফিসারের নাম করে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না চাইলে তিনি দুর্ব্যবহার করেন এবং জানান এখানে তিনি অযথা আমার কাজ করে দেওয়ার জন্য বসে নাই। অথচ অফিসার পদে যারা ছিলেন তারা কেউই টাকা চায়নি।