মিউটেশন
ঘুষ না দেওয়ায় কোন কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে ১১৭০ টাকার কাজ ১৫০০০ টাকার বেশি দিয়ে করাতে হয়েছে। ঘুষ দেওয়ার অল্প দিনের মধ্যেই কাজ হয়ে গেছে। কিন্তু এভাবে ঘুষ কি চলতেই থাকবে? কেউ কি থামাবার নেই? ঘুষখোরদের জন্য অভিশাপ ও লানত।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঘুষ না দেওয়ায় কোন কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে ১১৭০ টাকার কাজ ১৫০০০ টাকার বেশি দিয়ে করাতে হয়েছে। ঘুষ দেওয়ার অল্প দিনের মধ্যেই কাজ হয়ে গেছে। কিন্তু এভাবে ঘুষ কি চলতেই থাকবে? কেউ কি থামাবার নেই? ঘুষখোরদের জন্য অভিশাপ ও লানত।
কর্মস্থল বদলীর আবেদন করে সেটা কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষর করাতে এবং অফিস আদেশ করাতে ৭০০০টাকা দাবী করা হয়। সেই টাকা পরিশোধ করে কর্মস্থল পরিবর্তনের অফিস আদেশ হাতে পাই।
আমি আমার সমস্ত লিগ্যাল কাগজপত্র জমা দেই এবং তারা দুইবার রিজেক্ট করে দেয় তৃতীয়বার ওই অফিসার একজন লোকের নাম বলে তার সাথে যোগাযোগ করার জন্য, আমি তার সাথে যোগাযোগ করি এবং সে ১০০০০ টাকা চায়, তিনি বলে টাকা না দিলে কাজ হবে না, পরবর্তীতে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই, তারপর আমার কাজটা হয়।
দলিল করার সময়, পর্চায় শুধু বাড়ী উল্লেখ থাকায়, তাও অনাবাসিক ছিলো, যে কারনে ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন নাহলে দলিল করবেন না বলেছিলো, এবং সাথে নামের একটা অক্ষর ভুল থাকায় ১৫ হাজার নিয়েছিলেন যদিও একই ব্যাক্তির ওই নামের জন্য চেয়ারম্যান কতৃক প্রত্যয়ন পত্র ছিলো। রাজৈর উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার অফিস যেনো, অনিয়মের কারখানা, সাথে আছেন দলিল করার মহরিরা। সবাই এক সাথে ঘুস খায়, লেনদেন করে দেন মহুরি গুলো। একজনের সাথে তো এমন হয়েছিলো, তার ৫ লক্ষ টাকার দলিলে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ চাচ্ছিলো, আর এভাবে বলতেছিলো যে, " আরে মিয়ে সেদিন ৩ লক্ষ টাকার দলিলে ৩০ হাজার দিছে আর আপনি ৫ লক্ষ টাকার দলিলে দিবেন না!"। যেনো এটা অধিকারে পরিনত হয়েছে
জন্ম নিবন্ধন এর ইংরেজি নাম এর বানান ঠিক করে আবেদন আগৈলঝাড়া ইউ এন ও অফিসে নিয়ে যাই।সেখানকার সিএ বা অফিস সহায়ক — আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে আমি ২০০ টাকায় দেই
২০১৯ সালে আমি পটিয়া সদর ভূমি অফিসে একখানা মিস মামলা করি, মিস মামলার মূল বিষয়বস্তু হলো বিএস রেকরডিয়াম মালিক —,তিনি মারা যাওয়াই তারও আর এর সূত্রে ৫ কন্যা ৩ পুত্র মালিক হন,পরবর্তীতে তারা তিন পুত্র দুই কন্যা মিলে মিথ্যা ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দেখিয়ে সম্পূর্ণ অংশ বিক্রি করে দেন — গং এর কাছে পরবর্তীতে তা আমার বাবা এবং চাচারা মিলে সম্পূর্ণ অংশ খরিদ করেন এবং নাম জারি করেন,পরবর্তীতে জানতে পারলো আরো তিন কন্যা রয়ে গেছে তারা বাহিরে বিক্রি করতে ইচ্ছুক তাই উক্ত অংশ আমার বাবা খরিদ করেন এবং নামজারের সংশোধন করার জন্য মিস মামলা করি. ভূমি অফিসের বিচারক মহোদয় প্রত্যেকটা নতি যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে বিভিন্ন দপ্তর হতে রিপোর্ট দিতে বলেন এমনকি পটিয়া পৌরসভা কর্তৃক নতুন ওয়ারিশান সার্টিফিকেট....
শ্রীপুর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের নাম বা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করে বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে নির্ধারিত ফি না থাকলেও প্রথমে ৫০০, পরে ১,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। আরও অভিযোগ, কিছু শিক্ষার্থীকে টেস্ট পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমোদনের জন্য প্রতিটি বিষয়ে ১,০০০ টাকা করে নেওয়া হয়। এছাড়া শোনা যাচ্ছে, বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও প্রায় ৫ লাখ টাকার কাজ হয়েছে এবং বাকি ২০ লাখ টাকার কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না।
শহরের এস বি অফিসে পুলিশ প্রতিবেদনের জন্য গেলে এস আই সাহেব সরাসরি খরচ দাবী করে। দরদেনা করে ৩০০০টাকা পরিশোধ করে পুলিশ রিপোর্ট হাতে পেয়েছিলাম। দুইবার আলাদা সময়ের ব্যবধানে গিয়েছিলাম,একই লোক এর কাছেই যাওয়া লেগেছিল। দুইবারই ৩০০০+৩০০০=মোট ৬০০০টাকা দিয়েছিলাম।
উনি UNO অফিসের নাজির। সব কাজে ঘুষ খায়।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক একটি অস্পষ্ট পদোন্নতি নীতিমালা তৈরি করেছে এবং দুর্নীতির সুযোগ করে দিতে প্রতি বছর তা পরিবর্তন করছে। মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান তার সংগ্রহকারীদের (দালাল/প্রতিনিধি) মাধ্যমে অফিসার থেকে সিনিয়র অফিসার পদে পদোন্নতির জন্য ৩ লক্ষ টাকা এবং একই কর্মস্থলে বহাল রাখার জন্য অতিরিক্ত ১ লক্ষ টাকা দাবি করছেন। অথচ এই কর্মকর্তারা গত ৪-৫ বছর ধরে পদোন্নতির জন্য যোগ্য এবং ইতিমধ্যেই একই পদে ৮-৯ বছর ধরে কর্মরত আছেন।
মিডফোর্ড হসপিটালে ফোরার চিকিৎসা নিতে গিয়েছি, সার্জন (ডা.) নিজে কাটলো না কাটালো রেজিস্ট্রার এবং তাদের লোকজন দিয়ে। শেষে তারা ২০০ টাকা চাইলো সেটা দিলাম। কিন্তু তারা পেশেন্ট বা সাথের কাউকে কোন এডভাইস করলো না। ডাক্তারের চেম্বারে রোগীর সাথে কাউকে যেতে দেয় না বলে গেলে নাকি ডাক্তার রাগ করবে! এটা সার্জন বিভাগের কথা বলছি। ড্রেসিং করানোর সময় তাদের টাকা দিতে হয়। এবং তারা বলে জায়গাটা পঁচে গেছে আবার বলে রেগুলার আমাদের এখানে আসবেন ঠিক হয়ে যাবে, সমস্যা আছে কিনা জানতে চাইলে রাগ দেখায়। মানে কিছু বলতেই চায় না। অথচ তারা গল্প করতেছে। টাকা দেওয়াটা কোন বিষয় না কিন্তু সেবা তারা কেন দিতে চায় না? এগুলা কেন তদারকি হয় না?
উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নাম। এই কালপ্রিটের কপালে সেজদার দাগ। মুখে নূরানি হাসি। কথায় যেন মুক্তো ঝরে। মনে হবে এর চেয়ে নিষ্পাপ মানুষ বোধ হয় পৃথিবীতে আর অবশিষ্ট নেই। অথচ টাকা ছাড়া একটা ফাইলও ছাড়ে না । এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হিসেবে নতুন কেউ নিয়োগ পেলে, বা নতুন স্কেল যুক্ত করতে চাইলে তাকে খুশি করে দিতে হবে। এই খুশি করে দেওয়ার পরিমাণ তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা। লোকটা টাকা আবার নিজ হাতে নেবে না। নিজ হাতে ঘুষ নিলে হাত নাপাক হয়ে যাবে না? টাকা নেওয়া হবে তার অ্যাসিস্ট্যান্ট এর মাধ্যমে। যে বসে থেকে বাইরে।
খতিয়ান সংশোধনের জন্য আবেদন করলে উপজেলা ভূমি অফিসে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে না হলে ফাইল হারিয়ে যাবে অথবা মাসের পর মাস বছরের পর বছর সময় পরও কোন অগ্রগতি দেখা যাবে না শুধু তারিখের পর তারিখ আর কিছুই না কাজের বেলা টাকা টাকা টাকা ছাড়া কোন কাজ নাই নাম জারি করতে গেলেও প্রতি ফাইলে দুই হাজার টাকা খাজনা কাটতে গেলে টাকা না দিলে ৫০ বছরের খাজনা টাকা দিলে দুই চার বছরের খাজনা এই হল অবস্থা
আমাদের ভূমি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণ করেছে, যার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ টাকা। কিন্তু সেই টাকা উত্তোলনের জন্য একজন সার্ভেয়ার ৭ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। আমি ওই টাকা দিতে না পারায় এখনো আমার ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলন করতে পারিনি।
এটা কী উঠিত মানুষের সাথে আসলে
সাধারণ ফোর্সের টিয়ে ডিএ বিল। পাঁচ কিলোমিটার থেকে ৮ কিলোমিটার এর বাহিরে এটা সাধারণত দেয়া হয় ইউনিট থেকে। কিন্তু সংযুক্ত বা বিভিন্ন সিস্টেমে পোস্টিং দিয়ে বান্দরবান সহ বিভিন্ন জেলায় এটি এবেলের টাকা দেয় না। হেডকোয়ার্টর সে প্রধানরা সব বাহিনীতে ফ্রেসমানি থাকলেও সাধারণ ফোরসের ফ্রেশ মানি চায়না কারণ তাহলে বিয়ে দিয়ে টাকা চুরি করতে পারবে না ফ্রেসমানিটাকা সরাসরি একাউন্টে আসবে
শ্রীপুর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের নাম বা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করে বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে নির্ধারিত ফি না থাকলেও প্রথমে ৫০০, পরে ১,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। আরও অভিযোগ, কিছু শিক্ষার্থীকে টেস্ট পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে অকৃতকার্য করিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমোদনের জন্য প্রতিটি বিষয়ে ১,০০০ টাকা করে নেওয়া হয়। এছাড়া শোনা যাচ্ছে, বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও প্রায় ৫ লাখ টাকার কাজ হয়েছে এবং বাকি ২০ লাখ টাকার কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না।
আমি যখন ২০১৮ সালে প্রথম লাইসেন্স নিতে যাই, তখন কার্ড ডেলিভারির সময় আমার কাছে ৫০০ টাকা এক্সট্রা দাবি করা হয়। আমি ছাত্র বলার পরেও তারা এ দাবি করতে থাকে। তখন আমি দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অবশেষে তারা মনক্ষুন্ন হলেও কার্ড দিয়ে দেয়।
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য দশ হাজার টাকা দাবি এবং প্রত্যেকের কাছ থেকেই অন্তত 4-5 হাজার টাকা নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগীর বেশিরভাগ বেকার।
পদোন্নতি পাইয়ে দেওয়া, সাথে বদলি।