মূল দলিল উত্তোলন
দলিল উত্তোলন করে আমাকে বলা হল ২০০ টাকা খরচ হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল উত্তোলন করে আমাকে বলা হল ২০০ টাকা খরচ হয়েছে
চট্টগ্রাম বন্দরে বিল তুলতে গেলে একাউন্স অফিসারদের ঘুষ দিতে হয় শতকরা হারে। প্রতি লাখে ১০০ টাকা করে। সর্বমোট ৬জন অফিসার আছে। সবাইকেই দিতে হয়। না হয় বিল তোলা সম্ভব না। যতবার ফাইল যাবে ততবারই ঘুষ দিতে হবে।
জমি খারিজের জন্য সরাসরি আবেদন করা যাই না,দালাল ছাড়া।ভুমি অফিসে ৬/৭ জন করে দালাল থাকে।দালাল ছাড়া কোন কাজ হয় না।১১৫০ টাকা সরকারি বিল ৬০০০ টাকা দিয়ে করিয়েছি জমির খতিয়ান করেছিম
সরকারি কাজের বিল থেকে ৫% অফিসে দিতেই হবে বিল থেকে এবং নোয়া বা সি এস নামে আরো ২% প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট প্রতিনিয়ত নিচ্ছে। যেমন আমি দিয়েছি যে সকল ডিপার্টমেন্ট জন সাস্ত ভিবাগ ভোলা,সড়ক ভিবাগ ভোলা,শিক্ষা প্রোকৌশল ভোলা,এলজি ইডি ভোলা, ত্রান ভিবাগ ভোলা
১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, আমি গিয়েছিলাম আমার আইটিপি সার্টিফিকেট উত্তোলন করতে। সার্টিফিকেট দেওয়ার সময় রুমের বাইরে যে সহকারী থাকে, সে নাস্তা পানির জন্য টাকা দাবি করে। পরে তাকে ১০০ টাকা দিলে সে আরো কিছু টাকা দাবি করে। সেই মূহুর্তে 'আমি স্টুডেন্ট, আমার কাছে আর টাকা নেই' বলে বেরিয়ে আসি।
সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্সের একজন রিজার্ভ ইন্সপেক্টর সীমাহীন দুর্নীতি করছে। তার কাছে প্রতিটি পুলিশ সদস্য জিম্মি।ডিউটি বন্টন থেকে বদলী সকল ক্ষেত্রে তাকে টাকা প্রদান করতে হয়।টাকা না দিলেই বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়। তার প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে মেজর অফিসের মুন্সি —।—ের মাধ্যমে বিকাশ পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহন করে থাকে। পুলিশ হয়ে যদি পুলিশকে ঘুষ দিতে হয় তাইলে আমরা কোথায় যাবো?
সরকারি সব ফ্রি দেওয়ার পরে নাকি সেন্ড করাতে টাকা লাগে, টাকার পরিমান টা কত দিছে আমার মনে নেই। কিন্তু টাকা ছাড়া কাজ হয় নাই
আমার বাবার জন্য সরকারি কর্মচারী কল্যান ত্রাস্টে চিকিৎসা অনুদানের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া করে দেয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে পরজায়ক্রমিক ভাবে ৯০০০ টাকা নেয় এক ব্যাক্তি তার দাবি আমার বাবার উক্ত অনুদানের ৪০% দিতে হবে এবং আবেদন করতে ২০০০ টাকা
৪৩০০০ টাকা এরিয়াল বিলের বিপরীতে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
সরকারি চাকরিতে যোগদানের জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয়ে মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট এর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
এন টি ভি ( NTV) সাংবাদিক — আফতাব নগরের সংযোগ হতে দিবে না মর্মে আফতাব নগর মালিক সমিতিতে ২০০০০০ টাকা দাবি করেন নচেত নিউস করে কাজ অফ করে দিবে মর্মে থ্রেট প্রদান করে।। দিতে অপারপগতা প্রকাশ করায় নিউস করে।।
আমি রূপগঞ্জ থানায় বার প্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলে, সঠিক সময় যাই এবং আমার কাগজ প্রত্য যাইযাই করে আমাকে কিছু প্রশ্ন করেন সব কিছু ক্লিলার করার পর আমাকে ডেকে নিয়ে যায় বাজারে চা এর দোকানে চিপার এক গলিতে নিয়ে গিয়ে খরচ চায় সেখানে ৮০০ টাকা দিয়েলে সে নিতে পায় না, অনেক কষ্টে দিয়ে ছিলাম ৮০০ টাকা
ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি, সেটা আমার বেতনের সাথে যোগ করার জন্য মিষ্টি খাওয়ার টাকা
নামজারি আবেদন করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে পাশের ভূমি সেবা সেন্টারে যেতে বলে, সেখানে দায়িত্বরত উদ্যোক্তা বলে ৯০০০ টাকা প্যাকেজে ১ টি নামজারি সম্পন্ন করতে লাগবে। অন্যথায় না মঞ্জুর হবে নিশ্চিত। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও কাজ হবে না।
সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও লাইন থেকে ২ বার রিজেক্ট করেছে। তারপর এক দালালকে ফর্ম দেখাই, সে বলল ৪০০০ টাকা লাগবে, তার বেশি থাকবেনা অনেককে দিতে হবে। যাইহোক আমি জব করি, ১ দিলেন ছুটি নিয়ে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি। তারপর দালালকে ৪০০০ টাকা দিলাম। সে আমার ডকুমেন্টস সহ ফির্মের উপর একটা চিণহ দিল এবং বলল এখন গিয়ে লাইনে দারান। কথামতো লাইনে দাঁড়ালাম, ইচ্ছে করেই আগে যে কাউন্টার থেকে রিজেক্ট হিয়েছি সেই কাউন্টারে গেলাম তারপর আমার ফাইল হাতে নিয়ে সাইন দিয়ে দিল। তখন কোথাও ভুল পায়নি অথচ ফাইল আগেরটাই! এভাবে সকল ধাপ পার করলাম। কি রকমের সিন্ডিকেট বুঝতে পারছেন?
বিন আবেদন সরকারিভাবে সম্পূর্ণ ফ্রি এবং অনলাইনে হয়। কিন্তু বাস্তবে দালাল বা টাকা ছাড়া হয় না। আমার আবেদনের সবকিছু ঠিক ছিল এবং কোন ভুল ধরতে পারতে ছিল না, শেষে কোন ভুল না পেয়ে লিখেছে অফিসে যোগাযোগ করুন। অফিসে যখন গেছে বসে অমুক কম্পিউটার ফোটার সাথে যোগাযোগ করুন। এগুলো অনলাইনে সম্পূর্ণ ফ্রি এমনি বলে যে কিন্তু এটা করতে গেলে বিভিন্ন স্যারের সাইন এর জন্য নাকি টাকা দিতে হয়।টাকা দিতে হয়, এখন আপনার প্রয়োজন হলে আপনি পড়ান না করলে আমাদের কিছু করার নেই
চায়নাতে বিজনেস সেটআপ এর আশায় আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দরকার ছিল। এই জন্য আমি দামুড়হুদা উপজেলার পুলিশ অফিসে গিয়ে আবেদন করেছিলাম। ওইখানে কর্মরত পুলিশ অফিসার আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে। পরে বাধ্য হয়ে ওই টাকা হবে পরিশোধ করে দিয়ে আসি। সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার এটা যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেওয়ার সময় একজন পুলিশ অফিসার আরো ২০০০ টাকা দাবি করে বসে। এরপর তাকে জানাই আমি ৫০০০ টাকা অলরেডি তাদেরকে দিয়েছি। তারপর ১০০০ টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে আসি।
ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করার সময় বিজ্ঞাপন সুপারভাইজার (অঞ্চল ৫) ইচ্ছাকৃত ভাবে বানান ভুল করে রাখে। পরবর্তীতে লাইসেন্স নবায়নের সময় উক্ত বানান সংশোধনের সময় আবেদন করলে, বানান সংশোধন বাবদ ১০% শতাংশ সংশোধনী ফী দাবী করা হয়। কিন্তু ঐ সংশোধনী ফী এর অনুকূলে কোনো রিসিপ্ট প্রদান না করে, তা নগদ রাখা হয়। যদিও ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় লাইসেন্সে কোনো সংশোধনী ফী এর অংক উল্লেখ ছিলো না।
এফসি (বিবিধ) এর অডিটর টিএ/ডিএ বিল করার জন্য ১৪% হারে ঘুষ দাবি করে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে সরকারি ফি বাদ, এক্সট্রা ৯৭০০ টাকা দালালকে ঘুষ দিতে হয়েছে, যারা ঘুষ দেয় নাই বা কোন দালালের মাধ্যমে ছাড়া গিয়েছে তাদের সবাইকে ফেল দিয়েছে।