নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
MRI Security Service job er jonno 600 tk gush cacche
আমার মাকে নিয়ে আগারগাঁও জাতীয় চক্ষু হাসপাতাল গিয়েছিলাম। সকাল ৯ টার কাছাকাছি এই সময় পৌঁছায় সেখানে টিকিট কেটে লাইনে দাঁড়িয়ে নীচে ডাক্তার দেখালাম তারপরে সে কিছু পরীক্ষা দিল যেটা করাতে করাতে প্রায় ৪টার মতো বেজে গেল, যেহুতু আমার ডায়াবেটিস ছিল সেই কারণে অনেক গুলো পরীক্ষা দিয়েছিল, যখন রিপোর্ট গুলো ডাক্তার কে দেখাতে গেলাম গেটে দাঁড়ানো আনসার সদস্য বলছে এখন আর রিপোর্ট দেখবে না সময় শেষ! আমি বললাম ভাই ভিতরে তো ডাক্তার আছে তাহলে কেনো দেখবে না সে বললো স্যার এর সময় শেষ। পরে চলে যাওয়ার সময় আনসার সদস্য আমাকে ডেকে বললো সাইডে আসেন পরে সে বলছে আমাকে কিছু খরচ দেন এখনই রিপোর্ট দেখার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি! পরে আর কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ২০০ টাকা দিলাম কিন্তু সে কিছুতেই মানলো না পরে ৫০০ টাকা নিল
বদলীর জন্য হার্ডকপি আবেদন করতে বলা হয়েছিল। সময় ছিল সেপ্টেম্বর মাসের ৬ তারিখ বিকাল ৪টা পর্যন্ত। আমি সরাসরি যেতে পারব না, তাই বুধবারের মধ্যে ডাকে না দিলে ফেরৎ আসবে। এদিকে আমার সুপার টাকা ছাড়া ফাইলে স্বাক্ষর করবে না। দীর্ঘদিন পরিবার ছেড়ে দুরে আছি, তাই বাধ্য হয়ে ঘুষের বিনিময়ে ফাইলে সুপারিশ নিতে হয়েছে।
একটা দলিলের খারিজ করতে সরকারি খরচ নাকি ২০০০ বা এর আশেপাশে। কিন্তু ভূমি অফিস ১৫০০০ এর নিচে খারিজ করে দেয়না! শেষমেশ ১২০০০টাকায় দফারফা করতে হয়েছে।
আমার বাবা আলেকজান্ডার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর এর একজন শিক্ষক ছিলেন। উনি চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এরপরে আজ অব্দি ওনার পেনশন, মৃত্যু কালিন টাকা, বকেয়া বেতন কোন কিছুরই কোন কুল কিনারা করতে পারিনি। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় ধাপে ধাপে অসংখ্য টাকা নিয়েছেন। সর্বশেষ কুমিল্লা অফিসে ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করেছি। টাকা দিচ্ছি কিন্তু তারপরেও আজকে এখন পর্যন্ত কোথায় গেলে এই বিষয়ে সমাধান পাব তারও কোন আগা মাথা পাচ্ছি না। খুবই অসহায় অবস্থায় আছি আমরা দুই ভাই। আমাদের মা বাবার মৃত্যুর আগে মারা গিয়েছেন।
ঘুষ যে এত আধুনিক ভাবে নেওয়া হয় এইটা বিআরটিএ এর জোয়ার সাহারা তে না গেলে বুঝতেই পারতাম না জীবনও। তারা হাত এ টাকা নেওয়া বন্ধ করে ফেলছে , আধুনিকায়ন পদ্ধতি অবলম্বন করে । ঘুষ তারা এখন দালালের মাধ্যমে নেই। আমি ক্লাস ফাইভ থেকে বাইক চালাতে পারি, শুধু গাড়ি পারতাম না কিন্তূ পরীক্ষার কয়দিন আগে গাড়িও শিখে ফেলছি । লিখিত, ভাইভা তে পাস করলাম , তারপর দিলো গাড়ির টেস্ট , একটু ভয়ে ছিলাম , গাড়ি এর যে বাজে অবস্থা, মনে হচ্ছিল যে ইঞ্জিন মনে হয় বাস্ট মারবে এখনই, রিভার্স পার্কিং করলাম কোনো ভাবে , পাস হয়ে গেলাম এখন তারা বলল যে বাইকের টেস্টও দিতে হবে । কিন্তু পারলাম না, আবার date নিলাম পরের বার আবার করলাম পারলাম না। পরে বুঝলাম যে তাদের টাকা আদায় এর কৌশল ।এবার ফেইল করে টাকা দিলাম,না যেয়েও হয়ে গেলো।
নামজারি আবেদন করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সকল কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছি। অনেক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর দেখি মনজুর হয়নি। পরে টাকা পয়সা দেওয়ার কথা ইঙ্গিত দিয়ে বুঝিয়েছে। পরে কয়েকজনের সাথে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম যেগুলো টাকা দেয় তাড়াতাড়ি হয় যেগুলো টাকা দেয় না অনেক দেরি হয় অথবা একসময় না মঞ্জুর হয়ে যায়। উপজেলা ভূমি অফিসের অবস্থা ও এরকমই ফাইলের সাথেএকটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিলে ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই ছাড়া দ্রুত হয়ে যায়। আর ফাইলের সাথে কোন টাকা পয়সা না দিলে সেটা হতে অনেক সময় লাগে অথবা একসময় নামঞ্জুর হয়ে যায়।
২০২৩ সালে চট্টগ্রামে কোতোয়ালি থানার অধিনে প্রাইমারিতে আমার চাকরি হয়। আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের দায়িত্ব পড়ে দামপাড়া পুলিশ লাইনের একজন এস এই কর্মকতার। যেখানে আমার সকল শিক্ষাগত সনদ যাচাই করার কথা উনার সেই জায়গায় আমাকে দিয়ে আমার সনদগুলো যাচাই করিয়ে উনার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। তকর কথা মত নিরুপায় হয়ে কাজগুলো করার পর উনি ৩০০০ টাকা দাবি করে বলেন টাকাটা উনার জন্য না, তবে টাকা না দিলে নাাি ২ মাসেও আমার ভেরিফিকেশনের কাজ কর্তৃপক্ষরা ধরে ও দেখবে না৷ তাই টাকাটা আমাকে দিতে হয়।
Amar cousin ek pobasi & unti k nir oprade police dore niye gece .Police o jane ora porad korni..oderk dore niye geye mamla dilo...abr neta k niye geci bahir korar jnno..neta bollo mamla halka korar jnno tk dite hoybe police k Asol oparadi na dore .Nirho manusk dore niye tk kawar danda
শম্ভুগঞ্জ অফিসের বিদ্যুৎ এর বড় স্যার রাঘব বোয়াল। হের কাছে একটা মিল করার জন্য কানেকশন আনতে যাই। ৫ লাখ টাকা দাবি করে ট্রান্সফার সহ লাইন করে দেওয়ার জন্য। কত শত নিয়ম দেখায়। আমাকে কোন রকমের রিসিট দেয় নাই ৫ লাখ টাকা ক্যাশ নেয় তার সহকারী প্রকৌশলীর মাধ্যমে। পরে লাইন করে দেয়।
রিপোর্টের বিষয় : আইন অমান্য করা। আমি একজন স্টুডেন্ট। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি এবং প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার আগে শিক্ষাবোর্ড থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিলো কোনো প্রকার টাকা নিলে তা অপরাধ বলে গন্য হবে। অথচ প্রতিটা পরীক্ষার সময় আঙ্কেলরা এসে টাকা নিয়েছে। একটা ঘটনা বলি, একটা ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় একজন আঙ্কেল এসে বলে ৫০ টাকা দাও। আমি বললাম, কত? ৫০? তারপর তিনি আমাকে বলছে, কেনো ৫০ টাকা কি কখনো চোখে দেখো নাই? তারপর আমি উনাকে ৩০ টাকা দিয়েছি। (প্রতি পরীক্ষাতেই গড়ে ৩০/২০ করে নিয়েছিলো বিধায় আমি এই মন্তব্য করেছি।) বলাবাহুল্য উনার কথায় আমি অপমানিত বোধ করেছি। ৩০+৩০+২০+৩০+২০+২০+৩০+৩০ = ২১০/- ( ৮ টা পরীক্ষা) আমি যদ্দূর জানি, শিক্ষাবোর্ডের আদেশ মানা বাধ্যতামূলক। সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ বোধ হয় নোটিশ দেখেনি।
একটি স্কুল থেকে অন্য স্কুলে নিয়োগ পেয়ে এমপিও ভুক্ত করার জন্য অনলাইনে কাগজপত্র জমা দেয়ার পর চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিস আটকে রেখেছিল।১০ হাজার টাকা দেয়ার পর ফাইল ঢাকা পাঠায়।
বাংলাদেশ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নরসিংদীতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সকল ব্র্যান্ড শপ/শোরুমকে সপ্তাহে একদিন (বুধবার) বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তারা সেই নিয়ম না মেনে সপ্তাহে ৭ দিনই শোরুম খোলা রাখে। এর বিনিময়ে প্রতি মাসে প্রতি শোরুম থেকে ১,৫০০ টাকা করে নিচ্ছে। নরসিংদীতে বর্তমানে ২০টির বেশি শোরুম রয়েছে। সে হিসেবে প্রতি মাসে (১,৫০০ × ২০) = ৩০,০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এভাবে এক বছরে ৩,৬০,০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। আমি এই বিষয়টি ডিসেম্বর ২০২৪ সাল থেকে দেখে আসছি। আবার প্রতি ঈদে শর্ট প্যান্ট গিফট নেওয়া হয়। এছাড়াও বছরে দোকান লাইসেন্স নবায়নের জন্য নির্ধারিত ফির চেয়ে ৩,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।
আমি একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করছি সেখানে ১৫১৫ টাকা আর এটা থানায় যাওয়ার পরে সেখানে আরো একটি অফিসার আরো ১৪০০ টাকার মত দাবি করে না দিলে আমার কাজটি হবে না বিদায় আমি ওনাদেরকে টাকা দেই কাজটি হয় আর কি আর আমি যদি টাকা না দিতাম ওনারা বলছে যে আমার কোন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হবে না কিন্তু কোন মামলা টামলা কোন কিছু নাই তারপরও আমার কাছ থেকে ১৪০০ টাকা একটা নিছে সরকারি ফি বাতে উনারা চৌদ্দশ টাকা আমার এখান থেকে নিছে
আমার এক বড় বোন গ্রামের সহজ সরল মানুষ, সে নতুন বাড়ি করেছে তাই তার সৌর বিদ্যুতের মিটার প্রয়োজন তাই এলাকার লাইনম্যান (৪নং উত্তর বড়দল ইউনিয়ন) প্রতিশ্রুতি দেয় কারেন্টের অফিস থেকে মিটার এনে দেবে, বিনিময় তাকে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে, আমার বোন টাকাটা দিয়েছেন আজ সাড়ে তিনটা মাস এখনো কারেন্টের মিটার পায় নাই। এবং এলাকায় খোঁজখবর নিলে জানা যায় একই রকম ভাবে আরো বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। কারো কাছ থেকে তিন হাজার, কারো কাছ থেকে চার হাজার, কারো কাছ থেকে পাঁচ হাজার।
বিদেশে চাকরির জন্য ম্যানপাওয়ার করতে গিয়েছিলাম। আইডি কার্ড না থাকায় ফিঙ্গার করতে পারি নাই। উনারা সরাসরি না বলে দিলো আইডি না থাকলে ম্যানপাওয়ার করা যায় না । ঠিক তখনই একজন তৃতীয় পক্ষের ব্যক্তির খোঁজ পাই। উনি ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দেন। অথচ সিস্টেম চেঞ্জ হলেও আমরা কিছুই জানি না ।
না দেওয়াতে আমার হাওর ভাতা পোস্টিং দেয়নি TFPA
এ এস ও অফিসার তদন্ত প্রতিবেদন আমার পক্ষে দেবার জন্য টাকা দাবি করে। কিন্তু আমার কাগজপত্র সব সঠিক। টাকা না দেবার কারনে আমার বিপক্ষে রিপোর্ট দেয় । আমি চূড়ান্ত শুনানি তে হেরে যায়। রেকর্ড আর আমার নামে হলো না। অবৈধ মালিকের নামে রেকর্ড হলো
নামজারি, মৌখিকভাবে দাবি করা হয়েছিল
এই যা হয় বাংলাদেশ ১৫০ জায়গায় সার্টিফাইড কপি ১০০০ টাকা দিয়ে নিয়ে আসছে। ভূমি অফিসটি ২ নং ইউনিয়ন মৌলভীবাজার সদর এ অন্তর্ভুক্ত। গভারমেন্টের উচিত এইখানে একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করা।