হুম
মূত্য সনদ তুলতে ২০০০ টাকা চায় মেম্বার
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মূত্য সনদ তুলতে ২০০০ টাকা চায় মেম্বার
খাজনা টাকা দেওয়া হয়েছে ৪০০০ খাজনা পরিশোধ করেছে মাত্র ৭০০ টাকা। বাকি টাকার কোন কাজ আর রশিদ নাই এবং টাকাও নাই।
টিটসি ময়মনসিংহ আগামি মটোর ড্রাইভিং কোর্সের আবেদন এ-র জন্য ফর্ম তুলার সময় সবার কাছ থেকে ১০ টাকা করে নিচ্ছিলো
SFC, বাংলাদেশ নেভিতে যারা সরবরাহের কাজ করেন, তাদের বিল প্রদান করেন। SFC, মিরপুর-১৪ অবস্থিত। বিল নিতে হলে বিল একাউন্ট এর উপর ১% হারে টাকা দিতে হয়, যারা বিল প্রসেস করবে। আর চেক এর জন্য মহিলাকে প্রতি লাখে ২০০/ টাকা দিতে হয়।
Driving license এর জন্য ১০০০০ টাকা খরচ করতে হয়েছে । এই টাকা এক দালাল কে দেওয়া হয়েছে
আমি ফ্যামিলি কাড তথ্য সংগ্রহ কারি হিসাবে আবেদন কারি পরিক্ষা দেই সব কিচু অনেক ভালো হয়েছিলো। তার পর স্থানিয় বি.এম.পির নেতা বাড়িতে এসে বলে যদি তথ্য সংগ্রহ কারি হতে চাই তাহলে তাকে ২০০০০ টাকা দিতে হবে না হলে জিবনে হবেনা। আমার থেকে অনেক খারাপ স্টুডেন্ট এর হল আমার হলো না। এমন কি যারা পরিক্ষা দেয় নাই তাদের ও হলো। যদি চাকরি এমনি হয় তাহলে এত নাটকের কিছু ছিলো না
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার এক সুনামধন্য মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমরা ৮ একত্রে যোগদান করি। যোগদানের সময় আমাদের মাদ্রাসা প্রধান বেশ নমনীয় ছিল।এমপিওভুক্তির পর তিনি আমাদের সকলের নিকট ১৫০০০ টাকা করে মোট ১২০০০০ (এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দাবি করেন। তা না দিলে আমাদের চাকরি করতে দিবেন না। তার শ্বশুরমশাই এর প্রতিষ্ঠান। পরবর্তিতে তাকে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংশা করা হয়েছে। প্রতি বছর তার শ্বশুরের মৃত্যুবার্ষিকী এবং শালা বাবুর মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য আমাদের বেতন থেকে চাঁদা নেয়। এবং তা দেয়া বাধ্যতামূলক। প্রতিষ্ঠানে তার বংশের অনেকেই চাকরি করছে নকল এমপিও দিয়ে।
একটি পুরনো জমির দলিল তোলার জন্য। দুইটা শাল খুঁজতে লাগবে সর্বোচ্চ সরকারি ফিস ৪০০ টাকা তারা নিয়েছে এক হাজার টাকা। শুধু সরকারি ফিস দিলে পারে তারা বলে পাওয়া যায় নাই। কিন্তু বাড়তি টাকা দিলে ঠিকই পরে সেটা খুঁজে পাওয়া যায়।
সর্বপ্রথম আমি ওখানে পাসপোর্ট বানাতে চাই তখন একজন এসে বলে যে খুব দ্রুত পাসপোর্টটি আমরা করে দেবো । কিন্তু পাসপোর্ট বানাতে যে পরিমাণ টাকা লাগে তার থেকে দ্বিগুণ তারা টাকা চাচ্ছে । ঘটনাটি হচ্ছে ২০১৮ সালের
নামজারি মিসকেইসের মালালা করে সকল দলিলাদিসহ প্রমান সরূপ প্রদান করার পরও নামজারি বাতিল করে দিচ্ছেন না। বিবাদির নিকট হতে ঘুস নিয়ে জমির ন্যায্য হিস্যা অনুযায়ী বাদিদের ফরায়েজ করে দিচ্ছেন না।
লাইসেন্স নবায়ন কপি প্রিন্ট চাইলে টাকা চায় ১০০ টাকা
১০ শতাংশ কান্দা জমি খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম নেত্রকোনা, মদন উপজেলায় কিন্তু টাকা ছাড়া খারিজ করতে পারিনি।
বাড়ির টেক্স আর জমির খাজনা বাবদ মন গরা টাকা চায় আমি জিগ্গেস করলাম সরকারি ফ্রিস কতো সে মনগরা একটা বলে দেয় এতো টাকা লাগবে পরে জানতে পারলাম সরকার এর ফ্রিস আর ও অনেক কম তাই পরে জখন বললাম সরকার এর যত টাকা নির্ধারণ করছে এক টাকা বেশি দিবোনা সে ভয় বিতি দেখায় এই হয়ে জাবে সেই হয়ে জাবে কি আর করার গ্ৰামের মানুষ এটা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না ৫০০০টাকায় লফাদফা করা হয় যেখানে এর লাগতো ২০০০টাকার মতো
আমার ৬ বছর বয়সী মেয়ের জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন কপি জমা দিয়েছিলাম, ওরা বলছে যে ইউনিয়ন পরিষদের যে হাতে লেখা কপিটি জমা দিতে হবে, আমরা দালাল না ধরে নিজে নিজে পাসপোর্ট জমা দিতে গেছিলাম, ওরা জমা নিচ্ছিল না পরে চার হাজার টাকা দিলে জমা নেবে বলছিল, আর না হলে গ্রাম থেকে গিয়ে ওই চেয়ারম্যান থেকে হাতে লেখার জন্মসনদ নিয়ে আসতে হবে.
আমার জমিনে মামলা চলছে এই জন্য দাখিলা কেটে জমিন ক্রয় করতে হবে তাড়াতাড়ি এইজন্যে বিশ হাজার টাকা নিয়েছে
ঢাকা জেলা জজ আদালত এ সিভিল কোর্ট কমিশনার হিসেবে তালিকা ভুক্ত হয়েছি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী আদালত হতে আমাদের আইডি কার্ড ও অনলাইনে যুক্ত করার জন্য 10000 টাকা দাবি করছিল,তা এখনো দেই না।
আমার কাছে সময় কম ছিল তারাতারি পাসপোর্ট করা লাগবে পরে একজন পাসপোর্ট এর দালাল ধরি তারাতারি করার জন্য সে প্রথমে ৭০০০ টাকা চাইল সময় ১ মাস লাগবে। তারপর আমি বললাম আমার ১৫ দিনের মধ্যে লাগবে পাসপোর্ট। পরে বলল করে দেওয়া যাবে তবে কিছু টাকা লাগবে আরো বাড়তি। আমি বললাম টাকা ত নিচ্ছেন ই সে বলে উওঠল তারাতাড়ি বলে কথা। তারপর আমার ভিসা চিন্তা করে তাকে তারাতাড়ি করার জন্য আরো ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগছে।
রাস্তা ঢালাই হলে তাকে ২০০ টাকা দিতেই হবে।
আমি একটা মামলা খেয়ে গ্রেফতার হই। পরে হাইকোর্ট থেকে জামিন করাতে গেলে কোর্টে চার্জশিট বা জবানবন্দির মূলকপি চায়। কিন্তু আমাকে গ্রেফতার করা এসআই চার্জশিট আটকে দেয়। এবং আমার জামিন হতে দুই মাস দেরি হয়। তারপর টাকা দিয়ে চার্জশিট ছাড়িয়ে জাবিনে বের হই।
নতুন পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম টাংাইল। আমার সব কাগজ পত্র ঠিক ছিল। তার পরেও বলে এইটা লাগবে ওইটা লাগবে। পরে আমি অফিসের দালাল কে ২০০০ টাকা দেই। আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।