New Passport
For new passport, without broker not possible to get. Passport office and staff all recommended to submit application through broker otherwise they will not check the papers/documents
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
For new passport, without broker not possible to get. Passport office and staff all recommended to submit application through broker otherwise they will not check the papers/documents
নবায়ন এর জন্য 50 হাজার টাকা দাবি করেছিল 30 হাজার টাকা দেওয়া লাগছে।যদিও আমদের ফাইলে 100% ডকুমেন্ট ঠিক ছিল। এটা নাকি অফিস ফি!!!
আমার NOC তে একটি তারিখ নেই উল্লেখ করে বেনাপোল স্থলবন্দরের পুলিশ আমার কাছে ৫০০০টাকা দাবী করে। অনেক অনুরোধ করে ১০০০টাকায় পাস দিতে রাজি হয়।
বিদেশ থেকে এমবিবিএস পড়ে আগত শিক্ষার্থীদের registration পরীক্ষা ও আনুষাঙ্গিক বাবদ বিভিন্ন অংকের ঘুষ নেয়া হয়, অনেকটা বাধ্যতামূলক ভাবেই । টাকার পরিমাণ ৫ হাজার থেকে ৫ .৫ লাখ
Passport Verification
— নাম এর একটি ছেলে, বাড়ির ঠিকানাঃ গ্রামঃ জগন্নাথকাঠী(মাটিয়া মসজিদ এর কাছে ), পোস্টঃ স্বরুপকাঠী, থানাঃ নেছারাবাদ। রাজউক এ মাস্টার রুলে তৃতীয় শ্রেণীর চাকরি করে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে কোটি কোটি তাকার মালিক বনে গেসে। প্রসাশনের চোখ ফাকি দিয়ে।
পেনশনের ফাইল অনলাইনে আপডেট করার জন্য ঢাকা জিপিও তে আবেদন ফর্ম জমা দেয়ার সময় পেনশন বিভাগ থেকে জানানো হয় ২০০০/- টাকা দিলে এক সপ্তাহের মধ্যে অনলাইনে আপডেট করে দিবে অন্যথায় ২ মাস সময় অপেক্ষা করতে হবে। প্রথমে টাকা না দিয়ে ২ মাসের অধিক অপেক্ষা করেও যখন কাজ হয় নাই, পরবর্তীতে ২০০০/- প্রদান করা হয় এবং তারপর সপ্তাহ খানেকের মধ্যে কাজ করে দেয়।
আমার স্থায়ী ঠিকানা নীলফামারী।আমি ঢাকা বাড্ডায় ছিলাম, পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম চাকরি করতাম।আফতাবনগর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গিয়ে রিজেক্ট করে দেয়, সমস্ত কিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও।আমি বিকাশে পাসপোর্ট এর ফি পেমেন্ট করছিলাম।রিজেক্ট করার কারনে টাকা ফিরত পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।যার ফলে বাধ্য হয়ে ২০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে।তারপর পাসপোর্ট হয় আমার
Namjari Case, For submitting the report to AC land from union land office
The officer demands BDT 5,000 for every fund release clearance. If the amount is not paid, he creates unnecessary obstacles and raises various objections, which may cause delays in the fund release process.
চা নাস্তা খাওার টাকা, না হলে অডিটে দিয়ার হুমকি দিয়া হয়েছে ট্যাক্স অফিসার ।
আমার পাসপোর্টের পুলিশ ভ্যারিফিকেশনের জন্য এসেছিলো। উনি খরচ বাবদ আমার কাছে টাকা দাবি করেছিলেন। আমি দিতে অস্বীকার করি, এবং এও বলি যে এই ভ্যারিফিকেশনের জন্য উনারা সরকারিভাবেই টাকা পেয়ে থাকেন। এরপরেও উনি টাকা চাইলে আমি দেইনি। আমার সব কাগজ পত্র ঠিকঠাক ছিলো। সময়মত পাসপোর্ট প্রাপ্তির মেসেজ না আসায় আমি নিজেই পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করি। গিয়ে দেখতে পাই আমার সমস্ত তথ্য এলোমেলো করে আরেকজনের সাথে মিল দেখি এমন অবস্থা যে পুনরায় আমাকে পাসপোর্ট করতে হবে!
জমি নামজারি করতে ২০০০০ টাকা নিয়েছে কিন্তু তবুও নামজারি কমপ্লিট করে দিচ্ছে না। টাকা না দিলে ভুমি অফিসের কেউই কাজ করে দেই না। ইসলামপুর ইউনিয়ন, রাজবাড়ি। মি। সোবহান- ০১৭১৪৭৪৪৮২৬
পীরগঞ্জ সেটেলমেন্ট অফিসে গেলে জমির আমার নামে করার জন্য টাকা চায়। যদিও জমিটা আমার বাবার জমি ছিল। বাবার পিতা মানে আমার দাদুর ভাইয়েরা ভারতে চলে গেচিল। সেই জমি আমার দাদুর যেটা পাওনা সেটা সরকার অর্পিত সম্পত্তি করে রেখেছে। সেই জমি আমার নামে করার জন্য টাকা চেয়েছিল।
এমপিও শিক্ষকের ফাইল উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে পাঠাতে হয়৷টাকা না দিলে তিনি পাঠান না৷ফলে অনেক ক্ষেত্রে কয়েকমাসের বেতন পায় না৷ফলে অনেকে বাধ্য হয়ে টাকা দেয় প্রথম মাসে বেতন পেতে৷
পাসপোর্ট ভ্যারিফিকেশন করতে SB অফিস গেলে সব কাগজপত্র জমা দেয়ার পর পুলিশ কাজের খরচ খুঁজে । যেটি বাধ্য হয়ে দিতে হয়। তাছাড়া আগের দিন একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করলে ঐখানে নাস্তার বিল আমি পরিশোধ করি।
Govt. free only 100, but the City Corporation office, Uttara, concerned person demands 1000 taka. i denied this office. finally arrange this certificate from my village as per the government. rules.
নতুন একটি রেস্টুরেন্ট এর ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এর জোন ২ এর কর্মকর্তা রা ২৫০০০ হাজার টাকা দাবী করেছিলো। আমার ব্যবসার ক্ষতি বিবেচনা করে পরিশোধ করে ট্রেড লাইসেন্স নিতে বাধ্য হই। এছাড়াও তাদের হেলথ/স্যানিটরি ইন্সপেকটর/অফিসার রা-কয়েকজন কর্মকর্তা নিয়মিত মাসিক ভিত্তিতে চাদা নিয়ে যায় অথবা রেস্টুরেন্ট এ বিনা পয়সায় পরিবার পরিজন সহ এসে খেয়ে যায়।
এল.এ. (LA) শাখায় জমির অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলনের জন্য মোট পাওনা টাকার ১০% ঘুষ দাবি করেছে।
পঙ্গু হাস্পাতাল(NITOR) এ পা এ প্লাস্টার করতে গেলে বলে সরকারি জিনিসপত্র নেই শেষ হয়ে গেছে, কিনে নিয়ে আসেন বলে একটি লিস্ট ধরিয়ে দিবে যার মূল্য ৮০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা মিনিমাম। যদিও সব প্রয়োজন হবে না , বাকিটা তারা রেখে দিবে। এছাড়াও আরেকটি অফার করা হয় আমরা করে দিলে ৭০০ টাকা লাগবে । মানে সরকারি জিনিস পত্র দিয়া করে দিয়ে বলে আমরা এগুল এনে রাখছি। আবার যদি সরকারি জিনিস পত্র দিয়ে করে তাহলে শেষে চা খাইতে টাকা চাইবে -২০০ টাকা, ৩০০ টাকা, ৫০০ টাকা যার কাছে যেমন নিয়া পারে। এক্সরে রুমে টিকেট না কেতে এক্সরে করা যায়। ৩৫০ টাকা নেয়। সিরিয়াল এ না দারিয়ে টিকেট কাটা যায় , ১০০ টাকা দিয়ে