150 ধারায় কেস
টাকা দিলে সেবা দেয় না দিলে হয়রানি করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা দিলে সেবা দেয় না দিলে হয়রানি করে
Even though all process and documentation was followed, SMS received passport printing done —- but not completed for more than a year , so then — by his magic completed and got passport in 3 day
সাধারণ জন্মনিবন্ধ করার জন্যে ৭০০৳ দাবি করে বসে। যদি না দিই তাহলে কার্ড হবে না। কার্ড ইমারজেন্সি ছিলো তাই চেয়ারম্যানের অফিসে টাকা দিয়ে জন্ম নিবন্ধন নিতে হয়েছিলো।
1000 chara dewa jabe na. So u have to pay for it
BDS জরিপে নাম উঠানো নিয়ে, দাগ নাম্বার নিয়ে ঝামেলা করে, টাকা দাবী করে।
আমাকে বলছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে। অতিরিক্ত ইনকাম দেখিয়ে ইনকাম ট্যাক্স বাড়িয়ে দিবে। আমি নিরুপায় তাই টাকা দিতে বাধ্য।
৩ টা জমির নামজারী করতে গেছিলাম। এইজন্য ৬০০০০ টাকা চেয়েছে! চেয়ারে যে বসে ছিল সে সম্ভবত বাইরের লোক। আইডি কার্ড দেখাতে বললাম, নাম,পদ জিজ্ঞেস করলাম বলতে চাইলো না। বাইরের লোক ভিতরে চেয়ারে বসে কিভাবে?
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দিয়েছিলাম, আমার অনেক ফ্রেন্ড বলেছিল দালাল দিয়ে না করালে জীবনেও হবে না, বা হলেও অনেক টাইম লাগবে আমার হাতে ২ মাস সময় ছিল। নিরুপায় হয়ে ঘুষ দিয়েছিলাম।
আমার বাবা মারা যায় ২০২০ সালে, এবং তার উত্তরোধীকার হিসেবে আমি তার একটা যায়গার মালিক হই, এবং অই যায়গা যখন আমাদের নামে নাম জারি করতে যাই তখন গুলশান ১০ এর ভুমি অফিস আমাদের থেকে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নেন, আমরা ৯ মাস চেষ্টা করেছি আমাদের সব পেপারস ঠিক ছিলো, কিন্তু তারা টাকার জন্য সব হোল্ড করে রেখেছিলেন
একটি বেসরকারি ব্যাংকের অস্ত্রের গুলি কেনার অনুমতি প্রদানের জন্য অফিস সহকারী লোকমান ৬/৭ দিন আমাকে ঘুরাচ্ছেন নানান অজুহাত দেখিয়ে।এক পর্যায়ে আমি বলি আপনি অনেক কষ্ট করছেন চা পান খাওয়ার জন্য কিছু বকশিস দিব তারপর ওনি বলেন আগামীকাল সকালে নিয়েন অনুমতি পত্র।আমি পরের দিন অনুমতি পত্র নিয়ে আসি এবং ওনাকে ৩০০ টাকা প্রদান করি।
আমার এনআইডির জন্য নাগরিক সনদ ও খারিজের কাগজ ছিলো না এর জন্য আমার কাছে 20000(বিশ হাজার) টাকা চেয়েছে
ভূমি রেজিস্ট্রেশন বাবদ দলিল লেখক দের সিন্ডিকেট আছে। তারা সবার কাছে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা অবৈধভাবে নেয়। ব্যাংক ড্রাফট এর নাম করে ৩০০০০ টাকা নিয়ে ব্যাংক ড্রাফট স্লিপ দেয় ২৯০০ টাকার। দলিল লেখক থেকে শুরু করে সাব রেজিস্ট্রার জড়িত।
ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করাতে গিয়ে তাদের থেকে এই ঘুষ এর দাবি পেয়েছি
আমি একটা কন্টাক্টি কাজ এর জন্য একটা ফরম পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে নেই যা খরচ ৭০০টাকার মত,কিন্তু আমার দিতে হয় বিভিন্ন ভাবে ১হাজার টাকার মত।প্রতিটা স্টেপ এ তারা টাকা ছাড়া কাজ করে না,,,,টাকা না দিলে আটকায় রেখে দিবে।
প্রতি জিপিএফ একাউন্ট চালু করতে ৫০০০ টাকা প্রদান করতে হয় একাউন্টেন্টকে। যা পূর্বের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জড়িত ছিলেন
নানা তাল-বাহানা করছে ট্রেড লাইসেন্স করতে যেয়ে,,শেষ এ একজন বললো ঘুস না দিলে করবে না,তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি।কারণ আমার ইমারজেন্সি প্রয়োজন ছিলো।
গাড়ির কাগজ হারিয়ে গিয়েছিল
নামজারি খতিয়ান করার জন্য,
পাসপোর্ট অফিসে এ গিয়ে দেখি অনেক ভিড়। দীর্ঘ সময় দাঁড়ানোর পর অবশেষে আমার পালা আসলো । আমার nid কার্ড ডিজিটাল না হওয়ায় তারা আমার আবেদন রিজেক্ট করে দেয় । বিষন্ন চেহারায় বাইরে বের হওয়ার সময় কিছু আনসার আমায় বলে আপনার পাসপোর্ট করে দিতে পারব আমরা খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যেই । পাসপোর্টের জন্য আমারও খুব তাড়া ছিল, তাই দ্বিধা না করে ১৫০০ টাকার বিনিময়ে আনসার ও অফিসার লোকদের যোগসাজসে আমার পাসপোর্ট আবেদন সফলভাবে সেদিনই সম্পন্ন হয় ,যদিও কিছুক্ষণ পূর্বে ডিজিটাল nid না থাকার কারণে তারাই আমার আবেদন বাতিল করে দিয়েছিল ।
তারা টাকা না দিলে ফাইল ই গ্রহণ করে না।