সিভিল সার্জনের সুস্থতার সনদ, খুলনা
আমার সরকারি চাকুরির জন্য শারীরিক সুস্থতার সনদ সিভিল সার্জন খুলনা থেকে নিতে যেয়ে সকল টেস্টের রিপোর্ট থাকার পরও যক্ষার টেস্ট নেই মর্মে আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করে ওই অফিসের পিয়ন —।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার সরকারি চাকুরির জন্য শারীরিক সুস্থতার সনদ সিভিল সার্জন খুলনা থেকে নিতে যেয়ে সকল টেস্টের রিপোর্ট থাকার পরও যক্ষার টেস্ট নেই মর্মে আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করে ওই অফিসের পিয়ন —।
নতুন কারখানার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র প্রয়োজন
নেত্রকোণা সরকারি হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে বিশাল ঘুষ বানিজ্য শুরু হয়েছে। ১লক্ষ ৮০ হাজার থেকে শুরু করে ২ লক্ষের বেশি ডাক উঠেছে। এই নিয়োগে নজর দেওয়া উচিত। পুরো শহর এর দিকে দৃষ্টিপাত করছে।
এই টাকা ছাড়া লায়সেন্স দিবেনা।
একটা জিডি করতে গেছিলাম। লেখালেখি করার জন্য ২০০ টাকা নিছে। পরে জমা দেওয়ার জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করে। ৯৯৯ এ কল দিয়ে এটার সমাধান হয়। বাট সে আমার কাজটা করেনি আমি বুঝতে পারছি। কয়েকদিন পর জিডি তুলে নেওয়ার জন্য আবার যাই৷ এবং সে বলে "আগেরবার তো কিছু দিলেন না, এইবার যদি চা নাস্তার জন্য কিছু দিতেন" আমি পরে ৫০ টাকা দিয়ে আসছি।
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে অফিস থেকে নানান হয়রানি। এটা নাই ওটা নাই, এটা আনেন ওটা আনেন। যখন সব আনা হইছে তখন কিছু না বলেই ফর্ম ফেরত দিয়ে দেয়। বলে নাগরিক সার্টিফিকেট লাগবে। এখন ঐটা কই পাই। দালাল কে মোট ৮ হাজার টাকা দিলাম। ফর্মে একটা ছোট ফোটা দিল। বলল নিয়ে যান। নিয়ে গেলাম। জমা ছবি তোলা সব চোখের পলকে হয়ে গেল।
ঢাকা ডেমরা তে জমি ক্রয় করেছিলাম কিছু মাস আগে। সেই জমি কিছু দিন আগে নামজারি এর জন্য ভুমি অফিসে গেলে ২৫০০০টাকা দাবি করে। পরে ২২০০০টাকা দিয়ে নামজারি করতে দেই। অথচ নামজারি করার সরকারি ফি ১১০০টাকা +
একজনের স্ত্রী দরজা বন্ধ করে গলায় ফাসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে, মেয়ের বাবা থানায় এজাহার দিয়েছে তারপর থেকে পুলিশে নানান ভাবে হয়রানি করছে। ২০০০০ টাকা চেয়েছিলো পরে ১০০০০ দিতে হয়েছে। এখন আবার ফাইনাল রিপোর্ট এর জন্য টাকা চাচ্ছে, না দিলে নাকি চার্জশিট জমা দিবে।
ভূমি নামজারি করতে ১১০০ টাকা সরকারি চার্জ অথচ কালিকাপুর, মাদারীপুর সদর, মাদারীপুর ভূমি অফিস-এ থাকা সরকারি কর্মকর্তা আমার থেকে ৬০০০ টাকা নিয়েছে ১.২৫ শতাংশ জমির নাম জারি করতে.
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একটা হোটেলে যেতে বলে,সেখানে অনেকক্ষন বসে থাকার পর আমার সিরিয়াল আসে।দেখলাম সবাই কাজ শেষে হাতে কিছু দিচ্ছে ।একজন হজে যাবে তার কাছ থেকেও নিচ্ছে । এরপর আমাকে ডেকে কিছু ব্যাসিক প্রশ্ন করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে, বুঝলাম আমাকেও হ্যান্ডশেক করতে হবে যার মুল্য ৫০০ টাকা। আমাকে জিজ্ঞেস ক্রছে মনে কিছু করেছি কিনা কোনো দাবি রেখেছি কিনা।
পটিয়া পৌরসভা অফিসে দুটো প্রত্যয়ন পত্র বানাতে দিয়েছিলাম যেগুলো সরকারি ফি প্রায় 16 টাকা প্রতিটা প্রত্যয়ন পত্রের। কিন্তু অপারেটরকে ১০০ টাকা করে দিতে হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম। নানান ধরনের জটিলতা দেখা যাওয়াতে দালাল করে ১২ হাজার টাকা দিলাম। আর যেতে হয়নি। দালাল সব করে হোয়াটস এপে ই-লাইসেন্স দিয়ে দিয়েছে।
আমার বাডি chittagong কিন্ত আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকা হওয়াতে আমি ঢাকা ( উত্তরা ) জমা দিতে গেলে তারা আমকে এইকাহ্নে হবে না বাদ দিয়ে দে । পরে ১৫০০ টাকা দেওয়াতে তা গ্রহণ করে এবং জমা নে ।
আমার মোবাইল ফোনটি সাভার সিটি সেন্টারের সামনে থেকে হারিয়ে যায়। এ বিষয়ে জিডি/রিপোর্ট করতে সাভার থানায় গেলে, শেষ পর্যন্ত যেন তারা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খোঁজাখুঁজি করে সেই জন্য ১,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি ৫০০ টাকা প্রদান করলেও কোনো ধরনের সেবা বা সহায়তা পাইনি।
মামলার নিষ্পত্তির নকল তুলতে সাধারণত সরকারি ফি ৩২/- বার তার কিছু কমবেশী কিন্তু আমি বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালের থেকে এই নথি নিতে ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে এর নিচে হয়নি। এটা শুধু এই ট্রাইবুনালে না সব ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেই একই অবস্থা।
পুলিশ ভেরিফিকেশনে গেলে। আমার থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে। যাতায়াত খরচ। যেখানে আমি এই সব already Online pay korsi.
বলা হয়েছিল এটা বেশ জটিল সমস্যা, যদিও তা নয় । তারপর নিম্নপদোস্থ কর্মকর্তা বাইরে গিয়ে জানান টাকার পরিমাণ বাড়ালে বিষয়টি তিনি বড় স্যারকে অনুরোধ করবেন ।
পাসপোর্ট করতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতা হলো, মনে হলো অফিসে পাসপোর্টের চেয়ে টাকারই বেশি মূল্য! নিজে গেলে একটার পর একটা ভুল ধরা হয়, ফাইল আটকে থাকে দিনের পর দিন। কিন্তু দালালের হাতে টাকা তুলে দিতেই সেই ভুলগুলো হাওয়া—ফাইল সরাসরি অফিসারের টেবিলে, কাজও দ্রুত শেষ! তখন বুঝলাম, সাধারণ মানুষের জন্য লাইন, আর টাকার জন্য শর্টকাট!
আমি ৩ বার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়েছিলাম। একবার বাইরে আবেদন করতে যাওয়ার আবেদন করতে আরেকবার আবেদন এক্সেপ্ট হওয়ার পরে। আরেকবার ভেরিফিকেশনে। ৩ বারে মোট ৮৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও তখন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে সরকারী আবেদন ফি ৫০০ টাকা ছিলো।