Daserkandi Sewage Plant
The engineer — asked this amnt for to do a civil work. I am currently working as a government listed tender party and the engr — tell me to pay them breakfast and lunch bill 5 lakh
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
The engineer — asked this amnt for to do a civil work. I am currently working as a government listed tender party and the engr — tell me to pay them breakfast and lunch bill 5 lakh
uttoradhikar sonod potror jonno upozila nirbahi kormokorta approve korer porew computer operator or office sohokari file handover korcilo na I mean next step e submit korcilo na por por ami 3 din jai last e se bole file to submit korbo ei vul sei vul pore bole ameder kicu den eto kaj korteci
আমার জন্মসনদ আর ওয়ারিশ সনদ অনলাইন করতে চাদপুর পৌরসভা ৩০০০ টাকা নেয় 😢😢😢😢 কিছুই করার ছিল না আমার
চাকরির জন্য নাকি চা-পানি খাওয়ার জন্য ১৫-২০ লাখ লাগবে। তাহলে আর কিছু প্রয়োজন নেই। সরাসরি চাকরিতে জয়েন 😌
মেডিক্যাল অনলাইন করার জন্য ২০০ না দিলে দিবেই না আহারে পরে দিয়েছি
২১ দিনের মাথায় আমার গাড়ি নাম্বার দেওয়ার কথা কিন্তু ৩ মাস হয়ে গেছে নাম্বার পাইনি। খরচ ১০৫০০ টাকা কিন্তু আমি দিয়েছি ১৫৫০০। এখন আমার কাছে ২০০০ টাকা আরও চাওয়া হচ্ছে। চাওয়ার পরেও নাম্বার দিচ্ছে না।
আমার মিটার টি লক হয়ে যায় ভুমিকম্পের ফলে গেলে বলে ১০ দিন লাগবে টোকেন দিতে পরে ১৫ দিন পরে টোকেন দেয়। আহারে মানুষ জানোয়ার। কেউ থাকেনা অফিসে চলে যায় অমুখ স্যারের সাইন আনেন তমুখ স্যারের কাছে যান। 😢😢😢
টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন খুঁত বের করে ফাইল আটকে রেখে হয়রানি করে।
যে কোনো লাইসেন্স পেতে সরকারি ফি জমা দেয়ার পরে ৩০০০০টাকা ঘুষ না দিলে ফাইল পাস হয় না
একটা লাইসেন্স করতে গেলাম, ডক্যুমেন্টস এ অনেক ভুল ধরিয়ে দিলো। আর বলল ৬০০০ টাকা লাগবে। ক্যাশ দিলাম, ট্রাস্পারেন্সি ছিলনা না কোন। আমার লাইসেন্স এর টাকাটাও ওনি পেয় করে দিসে, ওইখানে ৩৪০০ সরকারি ফি ছিল।
ফিক্সড ডিপোজিটের মেয়াদোত্তীর্ন হবার পর সেই টাকা তুলতে গেলে ২-৩ মাস টাকা আসে নাই, জেলা পোস্ট অফিসে এসে আটকে আছে এসব বলে ঘুরিয়েছে। শেষ দিকে রাগান্বিত হয়ে ইমার্জেন্সি দরকার বলার পর অফিসে সহায়ক সাইডে ডেকে নিয়ে বলে কালকে বিকেলে আসেন, সাথে একটু চা-নাস্তার খরচ দিয়েন। পরদিন দুপুরেই সেই অফিস সহায়ক ফোন দিয়ে বলে টাকা আসছে নিয়ে যেতে। যাবার পর সে নিজেই ৫০০ টাকা চেয়ে নিয়েছে।
Helmet er mamla na diye taka nei amr theke
চাঁদপুর brta পরীক্ষা যতই ভালো দেই না কেন ফেল করব বলে। পরে ৫০০০ টাকা দিলে সব ক্লিয়ার আর পরীক্ষা দিতেই হয় নি। লিখিত আর ফিংগার দিয়েছি শুধু 😁😁😁
সদরে যতগুলা লোক নামজারি কাজ করে তারা সবাই তার হাতে নাকি দরা আগে ৫ হাজর এর মধ্যে হতো এখন ৮ ছাড়া হয় না । এই ৩ হাজার নাকি তার, বাকি 5000 টাকা মধ্য় ভাগ পায় ইউনিয়ন ভুমি অফিস , এসিলেন্ড অফিস এর কানুগো ,আর একজন আছে তার পোস্ট জাননি না , আর বাকি টাকা নেয়ে যে লোক আবেদন করে সেও দালাল জড়িত ।
পালসার ১৫০ সিসি ২০২১ এর মডেল সেকেন্ড হেন্ড চলতি বছরে ক্রয় করি এবং এ বছরেই রেজিস্ট্রেশন করতে যাই।১২৮০০ টাকা প্রায় চালান দেয়ার পরও BRTA অফিসে অতিরিক্ত ৬০০০ টাকা নেয়।
অনলাইনে আবেদন করে আমি নিজে জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসের সামনে থাকা দালাল চক্র সাহায্য করতে চাইলে আমি তাদের ফিরিয়ে দিই। তারা তখন চ্যালেঞ্জ করে বলে, তাদের ছাড়া আমি কোনোভাবেই পাসপোর্ট করতে পারব না। ভেতরে ফাইল জমা দিতে গেলে কর্মকর্তা অযৌক্তিকভাবে আমার বাবা-মায়ের 'অরিজিনাল' এনআইডি কার্ড দাবি করেন এবং ফাইল আটকে দেন। নিরুপায় হয়ে বাইরে এসে ওই দালালদের ২,০০০ টাকা দিই। এরপর মুহূর্তেই সব বদলে যায়! পুনরায় ভেতরে গেলে কোনো ডকুমেন্টের কথা না তুলে, শুধু নাম জিজ্ঞেস করেই আমার কাজ সম্পন্ন করে দেওয়া হয়। পরে দালালদের কাছে জানতে পারি, অফিসটি নাকি স্থানীয় এক বিএনপি নেতার নিয়ন্ত্রণে চলে। তাদের ফোন বা ইশারা ছাড়া সাধারণ মানুষের কোনো কাজই সেখানে হয় না। একটি সরকারি অফিসে এমন প্রকাশ্য সিন্ডিকেট ও দুর্নীত
ঘটনা ছিলো পাসপোর্ট করার সময়৷ পাসপোর্ট অফিসের দারোয়ান থেকে শুরু করে পুলিশ / সরকারি অফিসার সবাই ভাগ পায়! আপনি যদি তাদের সাথে কন্টাক্ট না করেন তাইলে হয়রানিতে পড়বেন শিওর৷ আর তাদের সাথে কন্টাক্ট করসেন কিনা সেটাও ভেরিফাই করে খুব কিউট ভাবে৷ আবেদনের সময় ইমেইলে একটা কোড ইমেইল দেয়া হয়৷ যে অফিসার কাগজপত্র চ্যাক করে সে ইমেইলটা দেখলেই সব ঠিক! অথচ আমার পাসপোর্টে বাবার নামের একটা ইস্যু ছিলো! হ্যা, আমাকে এক্সট্রা টাকা দিয়ে কন্টাক্ট করেই পাসপোর্ট নিতে হইসে। তবে আমার দেশের বাইরে কাজ ছিলো তাই কিছু করার ছিলোও না!
পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে সবাই জানে, এপ্লাই করার পর ১ সপ্তাহ পরে কল আসলো, পুলিশ ভেরিফিকেশনর জন্যে গেলাম। গিয়েই টাকা চায় ১০০০ প্রতি জনের। আমার কথা হলো আমি সারাজীবন অন্যায় করি নাই, আমার খারাপ রেকর্ড পাবে না তাও কেনো ভেরিফিকেশনে টাকার মাধ্যমেই নিজেকে ভালো দেখাতে হবে???? পরিবারের আরও ২ জন এর জন্যে পাসপোর্ট সহ মোট ৩০০০ টাকা দিয়ে চলে আসছি।
পল্লী বিদ্যুতে চাকরির জন্য আবেদন করার পর একজন ব্যক্তি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১,০০,০০০ টাকা দাবি করেন। চাকরির আশায় পরিবারের গরু বিক্রি করে তাকে ৮০,০০০ টাকা দিই। পরে কাগজপত্র জমা দেওয়ার কথা বলে আমার বাবার কাছ থেকে আরও ৩৫,০০০ টাকা নেন। মোট ১,১৫,০০০ টাকা নেওয়ার পর এখন তিনি বলছেন, আমার কাগজপত্রে সমস্যা ছিল। আমার কাছে ফোনে কথোপকথনের রেকর্ড এবং এলাকার সাক্ষী রয়েছে।
আমার বাবার কেনা এক জমি দাতার নাম থেকে আমার বাবার নামে খতিয়ান করিয়েছি, যেটা অনলাইনে এপ্লাই করলেই ১০৩০ টাকা খরচ পড়ে।তারা সেটা অনলাইনে আবেদন করলে অনুমোদন করেনা,অফিসে গিয়েই করতে হয়-এবং এর জন্য মান্দারি ভূমি অফিসে ১৪০০০ টাকা দাবি করা হয়, আমরা ১২০০০ টাকা পরিশোধ করি