Vat submit
ভ্যাট অফিসে প্রতি মাসেই ব্যাবসায়ীক রিটার্ন সাবমিট করতে হয়, প্রতিবার ই ২/৩ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হলে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়,এটা তারা ওপেন এই চায়,ভ্যাট অফিসে এটা এতটাই স্বাভাবিক বিষয় যে মনে হবে এটা একটা বৈধ বিষয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভ্যাট অফিসে প্রতি মাসেই ব্যাবসায়ীক রিটার্ন সাবমিট করতে হয়, প্রতিবার ই ২/৩ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হলে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়,এটা তারা ওপেন এই চায়,ভ্যাট অফিসে এটা এতটাই স্বাভাবিক বিষয় যে মনে হবে এটা একটা বৈধ বিষয়
আমার নিজের বাপের জমি আমার নামে খারিজ করতে ২৫০০০ টাকা নিছে শুয়োরের বাচ্চারা । এতিমের টাকা মারা সবগুলারে আল্লাহ দুনিয়াতেই জাহান্নাম দিক
সাধারণত সরকারিভাবে অপারেশন করানো হলে কোনো টাকা নেওয়া হয়না। শুধু মাত্র যদি কোনোপ্রকার সরঞ্জাম( রড, পিন, এলিজার্ব) কিন্তু এরা কয়েকজন অপারেশনের পরে ৪০০০-৫০০০ টাকা দাবি করে বসে। টা নাহলে রুগীর ফাইল দিতে অস্বীকার করে। ডক্টর রা জেনেও এইসবে বাদা দেয়না। আর দিনে ৫-৬ টা অপারেশন হয়। তারও বেশি। প্রতিজন থেকে ৩০০০-৪০০০.
নানা তাল-বাহানা করছে ট্রেড লাইসেন্স করতে যেয়ে,,শেষ এ একজন বললো ঘুস না দিলে করবে না,তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি।কারণ আমার ইমারজেন্সি প্রয়োজন ছিলো।
আমি আমার গাড়ির নাম বদলির করার জন্য যাই সেখানে সব কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরে আমাকে স্লিপ দিবে কিন্তু দেয়না কিচ্ছুক্ষণ পর বলে কালকে নিতে আমি তো চিন্তায় পড়ে যাই সাথে সাথে আমি যার মাধ্যমে কাজ করেছি আলরেডি ঘুষের বিষয় যা দেয়া লাগে তাকে দিয়ে আসছি ।আমি তারে ফোন দেই যে এরকম বলছে স্লিপ দিবে না। উনি বললেন জিজ্ঞাসা করেন কেন দিবে না । আমি তাই করলা তখন বি আর টি এ এর পরিচালক হারুন রশীদ এর পিস বলে খরচ পাতি কে দিবে আমি বললাম এইটা দিয়ে আসছি বাহিরে সে বললে কল দিতে শেষমেষ দেখলাম ক্যাচাল করলে সময় চলে যাবে অফ করে দিবে। পরে আমি ৫ হাজার দিয়ে আসি এবং সাথে সাথে স্লিপ দিয়ে দেয়।
ইউনিয়ন পরিষদে যেকোন সেবা নিতে গেলে মূল দামের তিনগুন টাকা রাখা হয়। উদাহরনঃ ট্রেড লাইসেন্স ফি ৫৭৫ কিন্তু বাস্তবে নেওয়া হয় ৯০০-১৫০০ এবং বড় বড় গার্মেন্টস থেকে লক্ষাধিক টাকা।জনগন অতিষ্ঠ সচিব আর কথিত চেয়ারম্যানের উপর।
গাড়ির কাগজ হারিয়ে গিয়েছিল
অনলাইনে আমি নিজেই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি। আমার আবেদন ফরমে আমার কোন তথ্যে ভুল ছিল না। আবেদন ফরমের সঙ্গে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ যখন আমি কাউন্টারের জমা করি, তখন তারা বিভিন্ন ধরনের অপ্রাসঙ্গিক নথিপত্র চেয়ে বসে। প্রেসার প্রমাণ পত্র, বিবাহিত হলে কাবিননামা ইত্যাদি ইত্যাদি। ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়ার পর আবার শুরু হয় নানা ধরনের তালবাহানা। হতাশাগ্রস্ত হয়ে বাইরে এসে দাঁড়ালাম, পাশে এসে এক লোক দাঁড়ালো এবং দশ হাজার টাকা দাবি করল। এবং নতুন করে আবেদন ফরম তৈরি করে দিল। এখন আর অতিরিক্ত কোন ডকুমেন্ট লাগেনি শুধুমাত্র আবেদন ফরম নিয়ে কাউন্টারে জমা দিলাম। তখন সাথে সাথেই আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নিল। অতিরিক্ত কোন কথা না বলেই আমাকে ছবি তোলার জন্য অন্য রুমে পাঠিয়ে দিল।
নামজারিতে 20000 চায়ষ
This is general demand from every passport applican't, otherwise they raise issue. Though those are not relevant.
They claimed 7000bdt since my bike was old model (2019). Per year 1000bdt for delaying. Though there is no charge or fees in this scenario by Government. Firstly I declined to bribe, the canceled my registration request. Then I have to pay this amount to complete registration.
তিনটা খতিয়ান এর ছবি তুলে হটসএপে দিয়েছে ৩০০/- দিতে হয়েছে
নতুন পাসপোর্ট এর জন্য ঢাকা মোহাম্মদপুর এ। বার বার অফিসে গিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছি, বিভিন্ন ধরনের কাগজ আনতে বলে। পরে দালাল দিয়ে সহজেই করে ফেলি।
টাকা দিলে সেবা দেয় না দিলে হয়রানি করে
৩ টা জমির নামজারী করতে গেছিলাম। এইজন্য ৬০০০০ টাকা চেয়েছে! চেয়ারে যে বসে ছিল সে সম্ভবত বাইরের লোক। আইডি কার্ড দেখাতে বললাম, নাম,পদ জিজ্ঞেস করলাম বলতে চাইলো না। বাইরের লোক ভিতরে চেয়ারে বসে কিভাবে?
ভূমি রেজিস্ট্রেশন বাবদ দলিল লেখক দের সিন্ডিকেট আছে। তারা সবার কাছে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা অবৈধভাবে নেয়। ব্যাংক ড্রাফট এর নাম করে ৩০০০০ টাকা নিয়ে ব্যাংক ড্রাফট স্লিপ দেয় ২৯০০ টাকার। দলিল লেখক থেকে শুরু করে সাব রেজিস্ট্রার জড়িত।
বিগত কয়েকদিন থেকে জায়গা জমি জেরে আমাকে নানান ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল এবং ঐদিনও আমাকে হুমকি দিচ্ছিল এবং সামনাসামনি এবং আমি ওটা ভিডিও করতে গেলে আবার ফোন ভেঙে ফেলে এই তো এটা নিয়ে আমি থানায় জিডি করি তবে তদন্ত কোর্টে পাঠাতে নাকি পুলিশের টাকা লাগবে সে আমাকে সরাসরি টাকা দাবি করে কোন কথা বলে নাই এ ব্যাপারে
আমার কাছে পেশার প্রমাণ ছিলো, তারপরও বলতেছিলো, এটি লিখতে গেলে এটা নিবে নাহ্, তারপর টাকা দিয়ে একই কাগজেই কাজ হয়ে যায়।
ইউনিয়ন পরিষদে যাই, আমার জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটটি সংশোধন করতে। সেখানে দেখা যায়, সচিব সরাসরি অর্থের বিনিময় ইউনিয়ন পরিষদ সেবা প্রদান করছে। যে টাকা দিতে পারছে না, তাকে নানা কাজের জটিলতা বুঝাচ্ছে। থানায় জিডি, উপজেলায় আবেদন, নির্বাচন অফিসে যাওয়া ইত্যাদি৷ টাকা দিলেই সেই জটিল কাজের দাইত্ব নিয়ে নিচ্ছে সচিব।
মাদারবোর্ড ঘুষ খাইছে