সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

২০,৪৪৭ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সিটি কর্পোরেশন

নতুন ট্রেড লাইসেন্স

নানা তাল-বাহানা করছে ট্রেড লাইসেন্স করতে যেয়ে,,শেষ এ একজন বললো ঘুস না দিলে করবে না,তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি।কারণ আমার ইমারজেন্সি প্রয়োজন ছিলো।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা ৳২.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ২৯ KH697UU9
০ মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

Birth certificate online

আমি জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে পাসপোর্ট করে সৌদি আরবে এসেছি। আমার জন্মনিবন্ধনের সব তথ্য সঠিক ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সরকারিভাবে তথ্য অনলাইনে তোলার সময় আমার জন্মতারিখ ভুলভাবে ৮ বছর পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। এই ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে ইউনিয়ন সচিবের কাছে গেলে তিনি বলেন, এটি ঠিক করা সম্ভব হবে না। পরে একই অফিস থেকে একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দেওয়ার পর কাজটি করে দেওয়া হয়। এ ধরনের ঘটনা সেখানে নিয়মিত ঘটছে বলে মনে হচ্ছে। নতুন জন্মনিবন্ধন করতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও ৩০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ছোট চায়ের দোকানের ট্রেড লাইসেন্স করতেও ৩,০০০–৫,০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে

ঘুষ দিয়েছি
Cumilla , Chandina, Barkait Union ৳৫.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ২৭ CT2VXVLV
০ মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও সংশোধন

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও সংশোধনের জন্য গেলে অযথা ৩ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ৬,৫০০ টাকা ঘুষ ক্যালকুলেটরে দেখিয়ে নগদ পরিশোধ করতে বলে মহাখালী-৩ অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা। যা আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। এখানে উনার আরো সহযোগী যিনি আরো বড় মাপের ঘুষখোর। উনাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি, তদন্ত স্বাপেক্ষে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করার আহবান জানাচ্ছি।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳৬.৫ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ৩০ DKRJV4EX
০ মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

ইউনিয়ন পরিষদের সকল সেবা

ইউনিয়ন পরিষদে যেকোন সেবা নিতে গেলে মূল দামের তিনগুন টাকা রাখা হয়। উদাহরনঃ ট্রেড লাইসেন্স ফি ৫৭৫ কিন্তু বাস্তবে নেওয়া হয় ৯০০-১৫০০ এবং বড় বড় গার্মেন্টস থেকে লক্ষাধিক টাকা।জনগন অতিষ্ঠ সচিব আর কথিত চেয়ারম্যানের উপর।

ঘুষ দিয়েছি
তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন,হেমায়েতপুর,সাভার,ঢাকা ৳৯০০
২৩ আগস্ট ২০২৬ ২৯ DKKRD4YF
০ মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

Passport

অনলাইনে আমি নিজেই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি। আমার আবেদন ফরমে আমার কোন তথ্যে ভুল ছিল না। আবেদন ফরমের সঙ্গে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ যখন আমি কাউন্টারের জমা করি, তখন তারা বিভিন্ন ধরনের অপ্রাসঙ্গিক নথিপত্র চেয়ে বসে। প্রেসার প্রমাণ পত্র, বিবাহিত হলে কাবিননামা ইত্যাদি ইত্যাদি। ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়ার পর আবার শুরু হয় নানা ধরনের তালবাহানা। হতাশাগ্রস্ত হয়ে বাইরে এসে দাঁড়ালাম, পাশে এসে এক লোক দাঁড়ালো এবং দশ হাজার টাকা দাবি করল। এবং নতুন করে আবেদন ফরম তৈরি করে দিল। এখন আর অতিরিক্ত কোন ডকুমেন্ট লাগেনি শুধুমাত্র আবেদন ফরম নিয়ে কাউন্টারে জমা দিলাম। তখন সাথে সাথেই আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নিল। অতিরিক্ত কোন কথা না বলেই আমাকে ছবি তোলার জন্য অন্য রুমে পাঠিয়ে দিল।

ঘুষ দিয়েছি
Lakshmipur ৳১০.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ২৭ CTPM58UV
০ মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারী

৩ টা জমির নামজারী করতে গেছিলাম। এইজন্য ৬০০০০ টাকা চেয়েছে! চেয়ারে যে বসে ছিল সে সম্ভবত বাইরের লোক। আইডি কার্ড দেখাতে বললাম, নাম,পদ জিজ্ঞেস করলাম বলতে চাইলো না। বাইরের লোক ভিতরে চেয়ারে বসে কিভাবে?

ঘুষ দিইনি
নন্দীপাড়া ৳৬০.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ২৭ DKARPLW5
০ মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

Police GD

বিগত কয়েকদিন থেকে জায়গা জমি জেরে আমাকে নানান ধরনের হুমকি দিয়ে আসছিল এবং ঐদিনও আমাকে হুমকি দিচ্ছিল এবং সামনাসামনি এবং আমি ওটা ভিডিও করতে গেলে আবার ফোন ভেঙে ফেলে এই তো এটা নিয়ে আমি থানায় জিডি করি তবে তদন্ত কোর্টে পাঠাতে নাকি পুলিশের টাকা লাগবে সে আমাকে সরাসরি টাকা দাবি করে কোন কথা বলে নাই এ ব্যাপারে

শুধু দাবি করেছে
Wazirpur Barishal ৳২.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ৩৩ BRWYGZAW
০ মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

ভূমি রেজিস্ট্রি

ভূমি রেজিস্ট্রেশন বাবদ দলিল লেখক দের সিন্ডিকেট আছে। তারা সবার কাছে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা অবৈধভাবে নেয়। ব্যাংক ড্রাফট এর নাম করে ৩০০০০ টাকা নিয়ে ব্যাংক ড্রাফট স্লিপ দেয় ২৯০০ টাকার। দলিল লেখক থেকে শুরু করে সাব রেজিস্ট্রার জড়িত।

ঘুষ দিয়েছি
দেওয়ানগঞ্জ,জামালপুর ৳৩০.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ৩২ MYEWLCGS
০ মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

Passport Renew

আমার কাছে পেশার প্রমাণ ছিলো, তারপরও বলতেছিলো, এটি লিখতে গেলে এটা নিবে নাহ্, তারপর টাকা দিয়ে একই কাগজেই কাজ হয়ে যায়।

ঘুষ দিয়েছি
Barisal ৳১.২ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ২৬ BRHLRWCE
০ মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারী

১১৭০ টাকার নামজারী করতে ১৬০০০ টাকা নিলো। আমরা দুইজন করেছিলাম, একজন টাকা ঘুষ দিছে, একজন দেয়নি। সাতদিনেই ঘুষের টাকা দেয়াজনের নামজারী ও খাজনা কমপ্লিট। বাকি জনকে নামঞ্জুর করে দিছে। একই বিল্ডিং, একই জমি, একই কাগজ!!!

ঘুষ দিয়েছি
মিরপুর ৳১৬.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩ DKJ6CPJC
০ মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বিন সার্টিফিকেট

বিন সার্টিফিকেট অনলাইনে আবেদন করে, এপ্রুভ হয়েছে কিনা অথবা কবে হবে জানার জন্য কাস্টমস, এক্সাইজ অ ভ্যাটের অফিসে গিয়েছিলাম, একজন নিজ উদ্যোগে জিজ্ঞেস করতেছে কি কাজ? তখন বললাম,বলতেছে করে দেয়া যাবে, ২০০০ টাকা লাগবে। আমি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করি, তিনজন এর ডেস্ক এ যেয়ে এপ্রুভ করাই।

ঘুষ দিইনি
মিরপুর ৳২.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ৩৫ DKUSU82M
০ মন্তব্য
ভূমি অফিস

নামজারি

ভূমি অফিসে গিয়ে প্রথমে দলিল তোলার চেষ্টা করেছিলাম। কোন ব্যক্তি সাহায্য বা সঠিক তথ্য দেয়নি। এরপর নামজারি করার প্রক্রিয়া জানতে গিয়ে বুঝলাম, এখানে টাকা ছাড়া কেউ কথা বলে না। পরে, এক অফিস সহকারীকে ঘুষ দিয়ে কাজ করিয়েছি। পরে জানতে পারি, সে কোন প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ছাড়াই এই কাজ করেছে, যেখানে সাধারণ মানুষ একই কাজ করতে গেলে ও ডকুমেন্টগুলো ছাড়াও আরো অনেক কিছু দিতে বলে। যেটা কেবলই হয়রানি করার জন্যে।

ঘুষ দিয়েছি
রাঙ্গুনিয়া ৳১০.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ৩৪ CTAJUR9Z
০ মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বিদ্যুৎ বিল মিটার নষ্ট পরিবর্তন

কাহিনীটা হচ্ছে আমার একটা মিটার নষ্ট ওইটা ঠিক করানোর জন্য ওই লোকটাকে বারবার বলা হয়েছে লোকটা বলছে যে সরকারি লোক আসলে আমি এটা ঠিক করে দিব এরকম করে উনি আট থেকে নয় মাসে নষ্ট রাখছে উনি ওই মিটার টার একটা এভারেজ রিডিং লেখা নিয়ে গেছে পরে যখন ছয় সাত মাস পরে ওইটা ঠিক করার জন্য তারে চাপ দেওয়া হয়েছে তখন সে আসছে। তখন আইসা বলতাছে যে এখনই মিটার মধ্যে রিডিং অনেক বেশি হয়ে গেছে ৬০-৭০ হাজার টাকা লাগবো আমি মিটার চেঞ্জ করার জন্য আমি বলছি আমাকে এডিটিং এর প্রমাণ দেখান তো উনি কোন কারনে প্রমাণ দেখাতে পারেনি উনি গা চুরি করে চলে গেছে ঠিক এর কিছুদিন পরে উনি একটা অফিসার নিয়ে আসছেন আমার ছবি টবি টুইটলা নষ্ট মিটার নষ্ট বইলা আমাকে অনেকে নষ্ট করছে

ঘুষ দিইনি
ইসদাইর, নারায়ণগঞ্জ ৳৭০.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ৩২ DKQKJNK8
০ মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

MPO আবেদন ও বকেয়া প্রাপ্তি

সেপ্টেম্বর মাসে ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিবন্ধনধারীদের উচ্চবিদ্যালয়ে নিয়োগ করা হয়। MPO আবেদন করার জন্য ফাইল পাঠানো হলে থানা শিক্ষা অফিসার, অপর্যাপ্ত লিখে সেটি রিটার্ন করে দেয়। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষকের সহায়তায় তিনি বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন। এবং তাকে জানিয়ে দেন ঘুষের ব্যপারটা। MPO আবেদনের জন্য মাধ্যমিক থানা শিক্ষা অফিসার ১০০০ এবং এরিয়ার আবেদন বাবদ ২০০০ টাকা মোট ৩০০০ টাকা তিনি ঘুষ নেন। ৩ জন নতুন শিক্ষক ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়েছি। ঘুষের পরিমাণ ছিলো ৯০০০ টাকা। থানা শিক্ষা অফিসারকে না দিলে তিনি কোনভাবেই MPO ফাইল ও বকেয়ার ফাইল এপ্রোভ করতেন না। তাছাড়া থানা শিক্ষা অফিসের পর জেলা শিক্ষা অফিসে ১০০০+১০০০ টাকা দিতে হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিস মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখে এবং শেষ সময়ে পাঠিয়ে দেয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম সিটি ৳১৫.০ হাজার
২৩ আগস্ট ২০২৬ ৩০ CTXAY5X9
০ মন্তব্য