Unmarried Certificate
I was trying to get my unmarried Certificate
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
I was trying to get my unmarried Certificate
আমি একজন দুবাই প্রবাসী । বাংলাদেশের ভুমি অফিসগুলো দুর্নীতিতে ভরপুর । কয়টার কথা বলবো জানি না প্রায় প্রতিটা কাজের জন্য টাকা ছাড়া কোন রকম কাজ হয়না অথবা জমিরেজিষ্টিরি হয় না। আমি যেহেতু একজন প্রবাসী তাই সময় কম থাকে ।সেজন্য অহেতুক ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য টাকা দিতে হয়। আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে গিয়ে ইচ্ছা ছিলো টাকা ছাড়া লাইসেন্স নিবো শুধু সরকারি ফি জমা দিবো কিন্তু প্রায় দুই বছর ঘুরেছি কিন্তু লাইসেন্স পাইনি । তারপর বাধ্য হয়েই ১২০০০ টাকা দিয়ে একদিনে লাইসেন্স পাই । বলে রাখি আমার কাছে দুবাইয়ের প্রায় ২০ বছর আগের লাইসেন্স আছে । তারপর ঐ সময় আমার কাছে international license ছিলো । আমি একজন দক্ষ ড্রাইভার । দুবাইতে ব্যবসা করি। বাংলাদেশে এমন কোন দপ্তর নাই যেখানে দুর্নীতি নাই ।আমি আমার দেশকে ভালোবাসি
আসসালামু আলাইকুম, শরীয়তপুর জেলা এবং নরিয়া থানা সবগুলো ভূমি অফিসে চলে। ঘুসের রমরমা ব্যাবসা।দলিলের নামজারি করতে ১৫০০০-১৮০০০৳ টাকা লাগে।একটি পর্চা তোলতে ৫০০-৮০০ টাকা ঘুস দিতে হয়।আমরা এর থেকে মুক্তি চাই।
ভ্রম সংশোধন দলিল এর জন্য
অগ্রাণ হাই স্কুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনেক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাকরি দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হচ্ছে।
আমি সিটি মিউটেশন এর জন্য দাগ খতিয়ান এর জন্য আবেদন করি কিন্তু টাকা ছাড়া আমার আবেদন এর তথ্য তারা দিবে না। পরে উক্ত টাকা দিয়ে তথ্য নিতে হয়েছে।
২০২১ সালে আমার সরকারি চাকরি (বাহিনীতে) হয় । তারপর পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য একজন ASI আসে। সব কিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও ১১০০০ টাকা দাবি করে। এবং বলে যদি আমি টাকা না দেই তো আমার নামে ভুয়া রিপোর্ট দিবে। তাহলে আমার আর চাকরি হবে না। আমার যেহেতু চাকরি হইতে কোনো টাকা লাগে নি, তাই আমি তাকে ১১০০০ টাকা দিতে রাজি হই। অনেক রিকোয়েস্ট করেছিলাম যেন একটু কম রাখে। কিন্তু উনি টেবিল চাপড়ায় বলে পুরাটাই দিতে হবে। আমি দিতে বাধ্য হয়েছি।
থানায় মামলা করতে গিয়েছিলাম ৮০০ আমার কাছথেকে নেয়
ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য সরকারি ফি বাবদ ৯২০০ টাকা আর তাদের অফিস খরচ বাবদ ৬০০০ টাকা, অর্থাৎ ১৫০০০/- চেয়েছিল। কিন্তু আমি ১৪০০০/- দিয়েছিলাম। পরে দেখলাম তারা সরকারি ফি বাবদ ৮০০০/- জমা দিয়েছে এবং তাদের অফিস খরচ বাবদ ৬০০০/- রেখেছে।
হোল্ডিং এন্ট্রি ও অনুমোদনের জন্য ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে
আমি আমার জমির কাগজপত্র ঠিক করার জন্য সরকারি ভূমি অফিসে যাই এবং সেখানে সরকারি ভূমি অফিসার থেকে পরামর্শ চাই, উনি আমাকে বুঝিয়েছিল কাজটি খুব কঠিন কিন্তু তাকে যদি আমি ৩০ হাজার টাকা দেই সেক্ষেত্রে উনি আমাকে কাজ করতে সাহায্য করবে। আমার কাজটি খুব দরকারী হওয়ায় আমি তাকে টাকা আরো কমানোর জন্য অনুরোধ করি কিন্তু সে তার দাবীতে অটল থাকে এবং বাধ্য হয়ে আমার ঐখান থেকে কাজ শেষ না করে চলে আসতে হয় এবং তাকে বলেছিলাম টাকা ম্যানেজ করতে পারলে যোগাযোগ করবো তার সাথে এই কথা বলে চলে আসি ওইখান থেকে। দ্বিতীয়ত সরকারি ভূমি অফিসে যাওয়ার পরে কাগজপত্র যাচাই বাছাই করার জন্য জমির খতিয়ান চেক করার জন্য প্রত্যেকটা খতিয়ানের জন্য 50 থেকে 100 টাকা করে নিতো অফিসের পিয়ন এবং ক্লার্করা। আপনি টাকা না দিলে আপনার কাজ কোনভাবেই হবে ন
বর্তমানে রাজুক এর প্লটে নতুন করে সিটি মিউটেশন করতে হচ্ছে। তা ছাড়া জমির খজনা দেওয়া যাচ্ছে না। আমি গুলশান ভুমি অফিস এ যোগাযোগ করলে তারা ৫ টি সিটি মিউটেশন এর জন্য ১৮০০০০.০০ টাকা ঘুস দাবি করে।
এয়ারপোর্টে চাকরি করতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগে। তাই ঢাকার মিরপুর থানা থেকে ক্লিয়ারেন্স করত্র ৫০০০ টাকা লাগছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভাতে ফেইল করিয়ে দেয়। পরে অফিসের পিয়ন — এর মাধ্যমে ৪০০০ টাকা দিলে পাশ করিয়ে দেয়।
বিভাগীয় অফিসের গ্রহণ প্রেরণ ডেস্কের ডান পাশের রুমে চশমা পড়া একজন লোক বসেন। তার কাছে ভ্যাটের মূল্য ঘোষনা (মূসক ৪.৩) জমা দিতে হয়। তার কাছে গেলে ঘোষণা (আবেদন) প্রতি ৫০০ টাকা করে রাখা হয়। টাকা না দিলে চিল্লাচিল্লি করে।
Bribe for a new passport. Harassment to the general public.
They ask their usual way, money for sweets. If we don't pay, they will do this task but they'll make up excuses for the future tasks. Everyone knows but doesn't do anything.
For making new passport, I give 1500 for my police verification. I didn't want to give but if I didn't give my passport won't make.
পাসপোর্ট অফিসে সবকিছু ঠিক থাকার পরেও বারবার ঘুরিয়ে টাকা নিয়ে দালালের মাধ্যমে কাজ করে দিয়েছে। সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস।
নিজে চেষ্টা করে কিন্তু লাইসেন্স বানাতে পারি নি।।পরে দালাল এর মাধ্যমে সব কিছু সহজে হয়ে যায়।কোন ঝামেলা ছাড়া। বর্তমানে গাড়ির নাম ট্রান্সফার করতে ও একই জিনিস ফেইস করছি।