মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা
থানায় জমি সংক্রান্ত মামলা করতে প্রথম বার মামলা লেখার জন্য ৫০০, তদন্তে যাওয়ার গাড়ি ভাড়া ৫০০, তদন্ত যাওয়ার খরচ ৩০০০, তদন্ত জন্য কাগজ পত্র দেখা লাগবে বলে ২০০০ টাকা, মোট ৬০০০ টাকা নিয়েও মামলার কোনো রেসপন্স পাইনি!
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
থানায় জমি সংক্রান্ত মামলা করতে প্রথম বার মামলা লেখার জন্য ৫০০, তদন্তে যাওয়ার গাড়ি ভাড়া ৫০০, তদন্ত যাওয়ার খরচ ৩০০০, তদন্ত জন্য কাগজ পত্র দেখা লাগবে বলে ২০০০ টাকা, মোট ৬০০০ টাকা নিয়েও মামলার কোনো রেসপন্স পাইনি!
madok drobber shala ra sb seye beshi ghush kahy. ar ei takar beshir vag ongsho khay UNO + DC. ekjon keranio mashe 7/8 lakh tk vag pay
জন্মনিবন্ধন করতে আমার থেকে ১ হাজার টাকা নিয়েছে
ফুটবল খেলতে গিয়ে আঘাত পেয়ে পঙ্গু হাসপাতালে আমার ফ্রেন্ডকে নিয়ে গেলে এক্সরে দেয়। এক্সরে ফিল্ম দেয়ার সময় এক্সরে টেকনেশিয়ান বলে ভাই আপনার এটাতে বড় সমস্যা আছে, কয়েকটা এঙেল এ ভাল করে ছবি তুলে দিয়েছি। ডাক্তার যেটা দিয়েছিল সেটা দেখালে আবার পাঠাত, আপনার সময় ও টাকা বাচিয়ে দিলাম বকশিস দেন। পরে প্রেস্ক্রিপশন এ দেখি ৩ টা এঙেল থেকেই নেয়ার কথা লিখা ছিল। এরপর প্লাস্টার এর সময় বলে তাদের কোন কিছু সাপ্লাই নেই। সব কিনতে হবে। বাইরে থেকে নিলে অনেক নিবে তারা কিছু কমে করে দিবে। যেটা ফ্রিতে দেয়ার কথা সেটা ফ্রিতে দিবে না। ৮০০ টাকা দাবি করে প্লাস্টার এর জন্য
I contacted a person to create a Trade Licence. The original fee is 3000 Taka. But he is asking 4000 Taka extra.
চট্টগ্রাম ২৫নং ওয়ার্ড অফিসে জন্মনিবন্ধন রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করেছিলাম দু'সুপ্তাহ আগে। আবেদন কপি জমা দিতে গেলে ২৫নং ওয়ার্ড একজন অফিস সহকারী আমার কাছে চা পানির খরচা চান। আমি বেশ জোরেই জিজ্ঞাসা করি কিসের টাকা। তিনি বেশ কনফিডেন্টলি আমাকে রিপ্লাই দিলেন আমরা চা পানি খাবো। খরচাটা দিয়েন। সে সময় অফিসে অনেক লোকজন উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে আমি বললাম ক্যাস নাই। উনি আমার কাছ থেকে রিসিভিং কপি চেয়ে নিয়ে উনার বিকাশ নং লিখে দিলেন এবং বিকাশে দিয়ে দিতে বললেন। আমি বিকাশে টাকা দেয় নাই। উনি ৩দিন পর ফোনে আমাকে বলেন, টাকা না দিলে এপ্লিকেশন আটকাই দিবেন। পরবর্তীতে আমাকে বাধ্যহয়ে টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।
যে কোন কাজ করতে টাকা লাগে। টাকা ছাড়া কোন কাজ করতে চায় না। স্যালারি সীট তুলতে ১০০। কাজ অনুযায়ী টাকা ৫০০/১০০০/২০০০/৫০০০ সব হয়৷ টাকা ছাড়া কাজ হয় না৷ হিসাব শাখার একজন কর্মচারী এইগুলা করে।
মৌজা সংশোধন করার জন্য আবেদন করেছি, যেটি রাজউক কর্তৃপক্ষ নিজেই ভুল করেছে, কিন্তু ঘুষ চেয়েছে ২০,০০০। ১২,০০০ দিয়েছি তাই শুধু মাত্র একটা সংশোধিত প্রত্যয়ন দেয়ার জন্য আমাকে ২ সপ্তাহ হয়রানী করিয়েছে।
নামজারি সেবা নিতে রুপগঞ্জ ভুমি অফিস আমাকে জিম্মি করে প্রায় ৩০,০০০ টাকা নিয়েছে, যদিও নামজারি আবেদনটি আমি অনলইনে করেছি। টোটাল সরকারি ফি হলো ১১৭০ টাকা কিন্তু ৩০,০০০ না দিলে তারা কাজ করবে না এই মর্মে আমাকে হুমকি দিয়েছিল।
উল্লেখ্য যে রেজিস্ট্রেশন করতে যেটাকে নামজারি করা বলা হয় বা বাম মিউটিশন, স্থানীয় তহসিল অফিসে গেলে সেখানে, অবস্থানরত কর্মী মহিলা কর্মী আমার কাগজপত্র ঘেঁটে যাচাই-বাছাই করে বলে টাকা দিতে আমি বললাম কিসের টাকা দিবেন অতঃপর তিনি বললেন মিষ্টি খেতে বিশ হাজার টাকা দিতে হবে নয়তো কাগজে ভুল দেখিয়ে অফিস পাঠিয়ে দিবে, এভাবেই ঘুরতে হবে কাজ হবে না । অতঃপর আমি তাকে আমি আমার পারিবারিক পরিচয় দিলাম দেয়ার পরে ও আমাদের পারিবারিক পরিচয় দেওয়ার পর চিনতে পারলেন পরে বলেন সরি ভুল করে চেয়েছি দেওয়া লাগবে না।
Jara passport office eh kagoj verify koreh tara iccha koreh boleh je apnar original kagoj lagbe and hen and ten jokhon adesh dewa je photocopy lagbe tao tara erokom koreh pathai de so eteh jara dureh thake tader original ante jhamela so bahire dalal der hath e 2k dhorai dile dalal ra eta clear koreh de betare comission diye. Ami nije first hand eitar shikar hoisi kintu taka di nai since amr basha kache. Shob original ansi ami anar por upre 5 ta finger n picture dewar jaiga thakar kotha kintu chalu shudu ekta .. okhane 3 ghonta line e thakar por dekhi amr shob original kagoj amr hath e diye dise ask korlam egula lagbe na uni dhomok diye boleh lekha photocopy anben apni original kno anben.
আমার উত্তরাধীকারী জমি আমার নামে নামজারি করতে পারিনি। সব কাগজ ঠিক থাকার পর এবং জমি আমার দখল এ। বার বার রিজেক্ট কোর্সে সয়ং ভূমি কর্মকর্তা।
নতুন পাসপোর্ট বা নবায়ন যে সেবাই অনলাইনে এপ্লাই করেন না কেন, এই পাসপোর্ট অফিসে যাবেন এবং এরা আপনার সাথে কুকুরের ন্যায় আচরণ করবে এবং কোনো না কোনো সমস্যা বা ভুল বলে বারবার আপনাকে ঘুরাবে। অফিসের ভিতরে এবং বাইরে (গেটের ঠিক পাশেই প্রিন্ট-ফটোকপির দোকানগুলো দালালদের) তাদের দালালরা ঘুরাফেরা করবে এবং আপনাকে দ্রুত সমাধান অফার করবে, তাদের আবার নির্দিষ্ট রেট আছে যেটা সেট করে দেয় পাসপোর্ট অফিসের এডি থেকে নিয়ে সকল কর্মকর্তা কর্মচারিরা এবং প্রতিদিনের ঘুষ ভাগাভাগি করে নেয়। এপ্লিকেশন যদি দালাল দ্বারা করা হয় তারা বিভিন্ন কোডের মাধ্যমে তা যাচাই করে, যেমন দালালের নির্দিষ্ট ইমেইল এড্রেস, মার্ক এছাড়া ফোনের মাধ্যমে কনফার্মেশন। এই দালালের মার্ক না থাকলেই আপনাকে হয়রানি করা হবে, যতক্ষণ না আপনি তাদের দালালকে টাকা দিচ্ছ
আগে ঢাকা আজিমপুর সিটি কর্পোরেশন অফিসে সকল টাকা ডাচ- বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হতো কিন্তু এখন তারা নিজেরাই এখন টাকা সরাসরি গ্রহণ করে. কয়েকদিন আগে আমি হোল্ডিং ট্যাক্স দিতে আজিমপুর সিটি কর্পোরেশন অফিসে যাই - তখন তারা আমার কাছ থেকে হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ ৩০০ টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে, আমায় বল্লাম যে এইটা কিসের টাকা, তারা বললো যে চা-নাস্তা জন্য দেন, পরে পরে আমি টাকা দিয়ে চলে এসেছি।
2 মিটার পরিবর্তনের সরকারী চার্জ ৪৪০০ টাকা কিন্তু লালমাটিয় বিদ্যুৎ অফিসে দাবি করলো ১০,০০০ টাকা। জানতে চাইলাম, কেনো ভাই? বলল “আমাদের একটু খুশি করবেন না, হাতে হাতে ১ সপ্তাতে করে দিবো।” আমি বললাম - সরকারি খরচ তো আরও কম। বললো “তাহলে নিজেই কোরান ভাই, কতদিন লাগবে এটার গ্যারেন্টি নাই”। শেষমেশ ৮,৫০০ টাকায় রাজি হলো। আমি বললাম আমি আসছি। পরে অবস্য সরকারী খরচেই কাজ টা করেছি পরিচিত একজনকে পেয়ে।
Procurement এর Pre-shipment Inspection (PSI) বাতিল করার কথা বলে প্রতি চুক্তির বিপরীতে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন (মেজর সমমানের অফিসার)
তিতাস গ্যাসের একজন ঠিকাদার রায়েরবাগ এলাকার জনতাবাগ রোডে নতুন পাইপলাইন স্থাপনের কথা বলে প্রতিটি বাড়ির মালিকের কাছে ৪০,০০০ টাকা করে ঘুষ দাবি করছেন। ইতোমধ্যে অনেক বাড়ির মালিক এই টাকা পরিশোধ করেছেন। তবে আমি কোনো টাকা দিইনি। last week er ghotona
Passport verification er jonno police ashe bashay. Tokhon taka chawar por na dite chaileo jor kore taka adaay kore Tara duijon.
পাসপোর্ট verification এর জন্যে আমাকে কল করা হয়। নগদ নাম্বারে কিছু চা খরচ চাওয়া হয়। আমি ঝামেলায় না গিয়ে ৫০০ টাকা পাঠাই। পরে বলা হয় এত কমে হবে না এবং আমার গ্রামের বাড়ির verification এর জন্যেও খরচ দিতে হবে। এক্ষেত্রে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। তখন student থাকায় ১৫০০ তে clearance দেওয়া হয়। জরুরি পাসপোর্ট এর প্রয়োজন থাকায় আমি প্রতিবাদে যেতে পারিনি।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশ টাকা দাবি করেছিল। প্রথম দিন আমি কম টাকা নিয়ে যাই, ৪০০ মত নিয়ে যাই। পুলিশ সেটা নেয় না। আমাকে ফেরত পাঠায়, এর পরে অন্য আরেকদিন আবার ডাকায় এবং আমার মানি ব্যাগ কেড়ে নিয়ে যা ছিল সব নেয়। ১৫০০টাকা আর কিছু ভাংতি ছিল।