ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
নিজের আর নিজের পরিবারের দুইজন সদস্যার জন্য নাগরিক সনদপত্র নিতে গিয়েছিলাম সিটি করপরেশন অফিসে। বলল যে এটা নিয়ে আরেক জাগায় জেতে হবে কারন এখন এখানে মেয়র নেই(এটা ২০২৫ এর ঘটনা)। এরপর বলল অন্য আরেকটা অফিসে জেয়ে তাদের সাইন করাতে হবে, আর যাতায়াত বাবদ ৫০০ টাকা দিতে হবে। আমি ৫০০ টাকা দেয়ার পর বলে যে একেক জনের জন্য ৫০০ করে দিতে হবে। আমি অবাক হলাম, কিন্তু আমার কাগজ তা জরুরি দরকার ছিল জন্নে বেশি কথা না বারিয়ে দিয়ে দিলাম। পরেরদিন সেই লোক আমাকে ফোন দিয়ে বলে আমি গেসিলাম কিন্তু উনি আজকে বশেনাই জন্য সাইন হয়নাই, তাই আবার যেতে হবে, র আবার টাকা দিতে হবে যাওয়ার জন্য। পরে আবার কিছু টাকা দেই, সম্ভবত ১০০০ টাকা। তিনজন এর কাগজ একই জায়গা থেকে সাইন করালে কেন প্রত্তেকের জন্য আলাদা যাতায়াত খরচ দিতে হবে সেটাই আমার প্রশ্ন।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
There's unofficial people roaming inside of the DNCC office in Mohakhali who would say it is not possible at first only to make you bribe them.
ট্রেড লাইসেন্সের কাজ অনলাইন ওয়েবসাইট বানায় রাখলেও এসব কাজ অনলাইনে কিছুই হয় না। সব দালাল আর ঘুরে ঘুরে করা লাগে ডিএনসিসি অফিস, ওয়ার্ড নং ২৮ ই '—' নাম এর একজন ঘূষ নিসে ট্রেড লাইসেন্স সাথে করে দিবে আর টাকা না দিলে কাজ করতে ১ সপ্তাহ লাগবে। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দেই। ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ১ দিনের মধ্যে ৩-৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে নেয় এই ব্যাক্তি । এই অফিসে যতজন কাজ করে সবাই নিজের সাথে দালাল রাখে। নিজেরা ভালো মানুষ হয়ে বসে থাকে আর দালাল দিয়ে কাজ চালায়
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।