চট্টগ্রাম মহানগর আদালতে ঘুষ নেওয়া উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহীন ভূঁইয়া।
জামিনের ফাইল প্রসেস করাতে ৫০০০ টাকা দিয়েছিলাম।
আমার বড় খালামনির ঘারের পাসে অবৈধভাবে খাল খনন করে সে খাল খনন করার কারণে খালামনির ঘরটি ভেঙ্গে পড়ে যায় সেটা নিয়ে সাধারণ ডায়েরি করলে তদন্তে যায় এস আই ইদ্রিস তদন্তে গিয়ে তেল খরচের কথা বলে টাকা নেয় ১৫০০ এরপর কিস করার জন্য থানায় ডাকে থানায় আসলে বলে ৮ হাজার টাকা না দিলে তিনি এই কেস পার করবেন না তারপরেও আমি ৩০০০ টাকা দে টাকার নেওয়ার পর তিনি বলতে থাকেন সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করতে হবে অতঃপর আমি না পেয়ে সে সময় নাগেশ্বরী থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল হেল জামান সাহেবের কাছে গিয়ে নালিশ করে এরপর তিনি আমার খালুকে ফোন করে অনেক বকাবকি করেন এবং আমাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদেরকে দিয়ে হুমকি ধমকি দেন আমি চাই এসব পুলিশ কে চাকরে থেকে বর্খাস্ত করা হোক
রিপোর্টকারীর দাবি — Ghush.xyz এটি স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি।
জামিনের ফাইল প্রসেস করাতে ৫০০০ টাকা দিয়েছিলাম।
পাসপোর্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর কাগজ পত্র জমা দিতে উলিপুর ফারী থানা সাহেবের আলগা ইউনিয়নে খেওআর চর বাজার গেলে পুলিশ কর্মকর্তা ওপিছার। সে বলছে এতো টাকা দিয়ে বিদেশ যেতে পারবে আর আমাদের ১০০০ টাকা কেনো দিতে পারবে না আরো বললো টাকা না দিলে পাপাসপোর্ট অনেক দেরিতে পাবে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হইছে 😭😭😭😭😭😭😭😭
বসতবাড়ি গাছ কাটা
তদন্ত অফিসার বাড়িতে এসে ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে যায়
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।