পাসপোর্ট আবেদন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে আমার বাবা ও তিন চাচার পাসপোর্টের আবেদন করতে গিয়ে অভিযোগের সম্মুখীন হই। অনলাইনে সঠিকভাবে আবেদন করার পরও রিসেপশন থেকে বিভিন্ন ভুল দেখিয়ে আবেদনগুলো ফেরত দেওয়া হয়। পরে একজন ব্যক্তির মাধ্যমে প্রত্যেকের জন্য ১,০০০ টাকা করে মোট ৪,০০০ টাকা অতিরিক্ত দেওয়ার পর একই আবেদনগুলো কোনো আপত্তি ছাড়াই গ্রহণ করা হয়। টাকা দেওয়ার আগে যেসব ভুল দেখানো হয়েছিল, টাকা দেওয়ার পর একই আবেদনপত্রে আর কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত ও যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৪,০০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট আবেদন
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ময়মনসিংহ
থানা / উপজেলা জামালপুর
রিপোর্টের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য