Passport renew বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি সেখানে অন্তত দশ বার গিয়েছি আর আমার পাসপোর্ট এর নাম ভুল থাকায় আটকে দিয়েছিল কিন্তু আমার আগের পাসপোর্ট এর নাম সঠিক আছে এবং আমার আইডি কার্ডের নাম সঠিক আছে শুধুমাত্র একটি অক্ষর চেঞ্জ হয়েছিল আইডি কার্ডে আর পাসপোর্ট অফিসের মেইন যিনি উনার কাছে আবেদন করেছে অন্তত ১০ বার কিন্তু উনি আমার এটা অ্যাপ্রুভ করেননি উনি বলেছে হয়ে গেছে হয়ে গেছে কিন্তু সিস্টেমে পেন্ডিং ছিল এরপর আমি গিয়েছিলাম আগারগাঁও সেখানেও আমার সমস্যার কথা বলেছি তারা আবার আমাকে আমার জেলায় চাঁদপুরে পাঠিয়ে দিয়েছে চাঁদপুরে আবার গিয়ে আমার সমস্যা দেখালে তারা বলে হয়ে যাবে কিন্তু কখনো হয়নি এরপর ওখানে আনসার ছিল সে আমার কাছে ১০ হাজার টাকা চেয়েছিল আমি তাকে দেইনি বাহিরে বের হলে আরেক দালাল সে ৯ হাজার টাকা চাইলে দিয়েছিলাম এবং পেয়ে গেছি

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১৯,০০০
যে কাজের জন্য Passport renew
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা Chandpur
রিপোর্টের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য