এখানে ট্রেড লাইসেন্সের বিষয় নেই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি একজন সরকারি কর্মচারী, এক জেলা থেকে অন্য জেলায় বদলি হয়ে আসার পর, বেতনের শেষ যে এল পি সি থাকে সেটা পূর্বের ইউনিট থেকে নতুন ইউনিটে পাঠানো হয়। পূর্বের ইউনিটের টাকা না দিলে এলপিসি প্রেরণ করে না তাতে আমার বেতন আটকে থাকে। পূর্বের ইউনিটে ১০০০ টাকা দিয়ে এলপিসি আনা লাগছে, এবং বর্তমান ইউনিটে এটি রিসিভ করানো এবং বেতন করানোর জন্য আরও ৯০০ টাকা দেওয়া লাগছে। এটা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কমন একটা বিষয়। জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস এবং ঢাকার মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিসে যারা কর্মরত তারা সবাই ঘুষ নিতে নিতে ঘুষখোরে জর্জরিত হয়ে আছে। হিসাব রক্ষণ অফিসে টাকা ছাড়া কোন কিছুই হয় না, যেমন জিপিএফ থেকে অগ্রিম উত্তোলন, জিপিএফ এর পেজ নাম্বার ভলিউম নাম্বার পেতে, জিপিএফ এর নতুন নাম্বার পেতে, প্রতিবছরের হিসাব পেতে ।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৯০০
যে কাজের জন্য এখানে ট্রেড লাইসেন্সের বিষয় নেই
দপ্তর হিসাব রক্ষণ অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা Dhaka
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
নিশ্চিতকরণ ০ জন
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

হিসাব রক্ষণ অফিস

পেনশন সংক্রান্ত কাজ

আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।

ঘুষ দিয়েছি
উপজেলা. নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ ৳১০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১,১৯৭
হিসাব রক্ষণ অফিস

ভ্রমণ ভাতার বিল করতে

আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
হাটহাজারী, চট্টগ্রাম ৳৬০০
২৭ আগস্ট ২০২৬ ৪৪৮
হিসাব রক্ষণ অফিস

টিএডিএ

ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬ ৩৮৯
হিসাব রক্ষণ অফিস

বদলীজনিত কারনে LPC নেয়ার জন্য হয়েছে।

বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
শেরপুর ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬ ৩৩২