আমি একজন সরকারি কর্মচারী, এক জেলা থেকে অন্য জেলায় বদলি হয়ে আসার পর, বেতনের শেষ যে এল পি সি থাকে সেটা পূর্বের ইউনিট থেকে নতুন ইউনিটে পাঠানো হয়। পূর্বের ইউনিটের টাকা না দিলে এলপিসি প্রেরণ করে না তাতে আমার বেতন আটকে থাকে। পূর্বের ইউনিটে ১০০০ টাকা দিয়ে এলপিসি আনা লাগছে, এবং বর্তমান ইউনিটে এটি রিসিভ করানো এবং বেতন করানোর জন্য আরও ৯০০ টাকা দেওয়া লাগছে। এটা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কমন একটা বিষয়। জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস এবং ঢাকার মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিসে যারা কর্মরত তারা সবাই ঘুষ নিতে নিতে ঘুষখোরে জর্জরিত হয়ে আছে। হিসাব রক্ষণ অফিসে টাকা ছাড়া কোন কিছুই হয় না, যেমন জিপিএফ থেকে অগ্রিম উত্তোলন, জিপিএফ এর পেজ নাম্বার ভলিউম নাম্বার পেতে, জিপিএফ এর নতুন নাম্বার পেতে, প্রতিবছরের হিসাব পেতে ।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।