আমার বাবা প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন ওনি ২০২০ সালে মারা যায় মারা যাওয়ার পর পেনশন পেতে আমাদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে...আমি তখন ছাত্র ছিলাম আমি সারাদিন দাড়িয়ে ছিলাম হিসাবরক্ষণ অফিস এ সেখানকার অডিটর ও সুপারিন্টেন্ডেন্ট পেনশনের কাগজপত্র দেখালাম আমাকে পাত্তাই দেয় নাই সারাদিন বাহিরে দাড়িয়ে ছিলাম তখন বিকেলে হয়তো আমাকে দেখে মায়া হইছে তখন আমাকে বলে আমার বাবার নাকি কাগজপত্র ঠিক নাই অথচ শিক্ষা অফিস সব যাচাই বাছাই করে দিয়েছিল তারপর আমাকে অডিটর বলল সন্ধার পর আসেন আমি আবার যাই তখন আমি সব থেকে অবাক হলাম ওরা কথা না বলে ওখানকার সুপারিন্টেন্ডেন্ট ওনার ক্যালকুলেটর নিয়ে ২০০০০ টাকা ডিজিট লিখল তখন আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল তখন আমাদের কাছে টাকা ছিল না তারপর ওনাকে ১০০০০ টাকা দার করে দিয়েছিলাম!
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।