নামজারী বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি প্রথমে ভূমি অফিসে যাই নামজারী করার জন্য, একজন ভূমি কর্মকর্তা আমার কাছে ৬ হাজার টাকা চাইল। টাকা না দিলে নামজারী হবে না। আমাকে অনেক ভয়ভীতি প্রদর্শন করল। আমি চিন্তা করলাম মাত্র ৬ হাজার টাকার জন্য আমার ১৬ লাখ টাকার জমি বিক্রি করতে পারছি না। বাধ্য হয়ে রাজি হইলাম। সে কর্মকর্তা ১ হাজার টাকা নগদ চাইল, দিলাম। বাকিটা কাজ হবার পর কিন্তু কাজ আর হইল না। পরে আমি ২০২৫ সালে অনলাইন আবেদন করেছিলাম, আবেদন ক্যান্সেল করে দিসে। আবার ২০২৬ সালে ভূমি অফিসে যাই, এবার অন্য কর্মকর্তা ৭ হাজার টাকা চাইল। ইনিও আগের মতই ভয়ভীতি প্রদর্শন করলেন। বাধ্য হয়েই টাকা দিই। এবার নামজারী হয়ে গেল। সরকারি অফিস মানেই টাকা কামানোর জাদুকরী ম্যাশিন।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৭,০০০
যে কাজের জন্য নামজারী
দপ্তর ভূমি অফিস
বিভাগ খুলনা
থানা / উপজেলা কুষ্টিয়া
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

ভূমি অফিস

বি ডি এস জরিপ

বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

শুধু দাবি করেছে
ঢাকা ৳১.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।

যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।

ঘুষ দিইনি
মিরপুর ৳৫.০০ লাখ
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

কর প্রদান

ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি

ঘুষ দিইনি
বেলকুচি,সিরাজগঞ্জ ৳২০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য