বিএড ডিগ্রি করার পর ও সাথে মাস্টার্সে ১ম শ্রেণি থাকায় তিনটি ইনক্রিমেন্ট লাভ করেছি। এটির বিল করার পর ২০১৫ সালে আমি বকেয়াসহ প্রায় ৪৫০০০/- টাকা পাই। আর সেটার বিল সাবমিট করার পর অডিটর প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন ঘুরিয়েছে। তারপর বলে ৩০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হবে। তারপর কষ্ট করে দেওয়ার পর দেখি বিকেলে আমার অ্যাকাউন্টে ৪৫০০০/- জমা হয়েছে। তাছাড়া তিন বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতার বিল জমা দিলে সাথে ৫০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়, না বিল নিয়ে ঘুরাতে থাকে। এ যাবত ৫বার শ্রান্তিবিনোদন ভাতা উত্তোলন করেছি। শুধু ১বার ঘুষ দিতে হয়নি, বাকি চারবার দিতে হয়েছে ৫০০/- করে মোট ২০০০/-
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।