নতুন দলিল করতে গিয়ে টাকা দাবি বেশি ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মঠবাড়িয়া পৌরসভা ও ৫ নং মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাইকোর্টে মামলা চলমান আছে এমতাবস্থায় আমরা ইউনিয়নের নাগরিক হিসেবে এখনও সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা বা ইউনিয়নের নাগরিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত এবং সকল কাজ আমরা এখনও ইউনিয়নএর সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে থাকি, কিন্তু গত এক বছর ধরে জমি ক্রয় বিক্রয় করতে গেলেই বলে আপনারা পৌরসভার রেট দিয়ে দলিল করতে হবে এবং লক্ষ লক্ষ টাকা দলিল লেখক ( মোক্তার ) সাব রেজিস্ট্রার অফিসার এবং তার অফিসের অন্যান্য লোকজন ভাগ বাটোয়ারা করে এই কাজ করে থাকে। এর থেকে কি কোন নিস্তার আছে? আমারা নাগরিকরা সকল কাজ কর্মে ইউনিয়নেয় জনসাধারণ কিন্তু দলিল করতে গেলেই আমরা পৌরসভা বলে অতিরিক্ত লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৩,৫০,০০০
যে কাজের জন্য নতুন দলিল করতে গিয়ে টাকা দাবি বেশি
দপ্তর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
বিভাগ বরিশাল
থানা / উপজেলা পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া সাব রেজিস্ট্রার অফিস
রিপোর্টের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নাম জারি

জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।

ঘুষ দিয়েছি
আফতাব নগর ভূমি অফিস ৳২.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নকল উত্তলন

আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳৪.৫ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়

ঘুষ দিইনি
কুমারখালি, কুষ্টিয়া ৳১২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য